<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0"
    xml:base="https://tv.aralerkhobor.com/"
    xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
    xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
    xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/"
    xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/">
    <channel>
        <title>Aralerkhobor.com | RSS Feed</title>
        <link>https://tv.aralerkhobor.com/</link>
        <description>A RSS news feed containing the latest Aralerkhobor.com articles.</description>
        <atom:link href="https://tv.aralerkhobor.com/rss/rss.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />
        <dc:language>bn-bd</dc:language>
        <dc:creator>Aralerkhobor.com</dc:creator>
        <dc:rights>Copyright 2026 Aralerkhobor.com</dc:rights>
        <dc:date>2026-10-28T03:47:12+06:00</dc:date><item>
                <title>সকালের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে দেশের যেসব অঞ্চলে </title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9414/</link>
                <description><![CDATA[ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ছয়টি জেলার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য নতুন আবহাওয়া বার্তা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৯টা থেকে আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।]]></description>
                <pubDate>Wed, 28 Oct 2026 00:12:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9414/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ছয়টি জেলার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য নতুন আবহাওয়া বার্তা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৯টা থেকে আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য দেওয়া হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9413/</link>
                <description><![CDATA[মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করেছে সরকার। সম্প্রতি এই মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।সেখানে বলা হয়েছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে। তবে ইংরেজি নাম ‘Ministry of Women and Children Affairs’ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাংলা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করে।উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ‘মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৪ সালের ৫ মে এর নাম পরিবর্তন করে ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 20:56:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9413/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করেছে সরকার। সম্প্রতি এই মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।সেখানে বলা হয়েছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়েছে। তবে ইংরেজি নাম ‘Ministry of Women and Children Affairs’ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাংলা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করে।উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ‘মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৪ সালের ৫ মে এর নাম পরিবর্তন করে ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করা হয়।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ভয়ংকর রূপে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9412/</link>
                <description><![CDATA[পশ্চিম–মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ অতি শক্তিশালী হয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর–পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ পশ্চিম–মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে।আজ সকাল ছয়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর–পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকায় আগামীকাল বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।এদিকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার আগে গতকাল দেশের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামের আমবাগানে—৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতেও তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 20:48:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9412/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[পশ্চিম–মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ অতি শক্তিশালী হয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর–পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ পশ্চিম–মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে।আজ সকাল ছয়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর–পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকায় আগামীকাল বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।এদিকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার আগে গতকাল দেশের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামের আমবাগানে—৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতেও তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পাঁচ বছরের কাজ মূল্যায়ন করেই বিএনপিকে ভোট দেবে জনগণ: চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9411/</link>
                <description><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের পাঁচ বছরের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করেই পরবর্তী নির্বাচনে ভোট দেবে জনগণ। সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ ভোটের মাধ্যমেই তার জবাব দেবে। তাই ঘন ঘন আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা না করে অপেক্ষা করা উচিত।বুধবার বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত জিয়া মঞ্চের বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চীফ হুইপ বলেন, বিপুল অর্থ পাঁচার হয়ে যাওয়া দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিরোধী পক্ষের লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে। লংমার্চের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতির প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়ে চীফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানীতে আগামী ৩ বছরের জন্য করছাড় দিয়েছেন। আমরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাজ করতে পারলে ১ বছরের ভিতর বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি। ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানা সংকটের মধ্যে দেশের দায়িত্ব নিয়ে বর্তমান সরকার দেশকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে চীফ হুইপ বলেন, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। পরবর্তী সময়ে দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁকে জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন ও সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল। সম্মেলন উদ্বোধন করেন জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়েজ উল্লাহ ইকবাল।আবু তালেবের সভাপতিত্বে এবং গোলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক বক্তব্য দেন জিয়া মঞ্চের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সম্মেলনে বরিশাল বিভাগের মহানগর ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 18:51:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9411/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের পাঁচ বছরের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করেই পরবর্তী নির্বাচনে ভোট দেবে জনগণ। সরকার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জনগণ ভোটের মাধ্যমেই তার জবাব দেবে। তাই ঘন ঘন আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা না করে অপেক্ষা করা উচিত।বুধবার বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত জিয়া মঞ্চের বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চীফ হুইপ বলেন, বিপুল অর্থ পাঁচার হয়ে যাওয়া দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিরোধী পক্ষের লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেশ পুনর্গঠনের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে। লংমার্চের মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতির প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।বিদ্যুৎ সংকটের বিষয়ে চীফ হুইপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানীতে আগামী ৩ বছরের জন্য করছাড় দিয়েছেন। আমরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাজ করতে পারলে ১ বছরের ভিতর বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি। ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানা সংকটের মধ্যে দেশের দায়িত্ব নিয়ে বর্তমান সরকার দেশকে পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে চীফ হুইপ বলেন, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। পরবর্তী সময়ে দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁকে জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন ও সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল। সম্মেলন উদ্বোধন করেন জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়েজ উল্লাহ ইকবাল।আবু তালেবের সভাপতিত্বে এবং গোলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সাংগঠনিক বক্তব্য দেন জিয়া মঞ্চের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জামাল হোসেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সম্মেলনে বরিশাল বিভাগের মহানগর ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বকেয়া বেতন ও পরীক্ষার ফি দিতে শুভকে সহায়তা এবিজি ফাউন্ডেশনের। </title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9410/</link>
                <description><![CDATA[গাজীপুর প্রতিনিধি: অভাবের কারণে যেন ঝরে না পড়ে শিক্ষাজীবন, পূরণ হয় স্বপ্ন—এমন প্রত্যাশা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতায় প্রায় দুই বছরের স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি ও নিবন্ধন ফি বকেয়া পড়ে যাওয়ায় তার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত তার শিক্ষাজীবন সচল রাখতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবিজি (আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ) ফাউন্ডেশন।গাজীপুরের পাজুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শুভর পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস তার বাবার পরিশ্রম। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি স্থানীয় ডেইরি ফার্ম থেকে দুধ কিনে বাজারে বিক্রি করেন। পাশাপাশি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করেও সংসারের খরচ জোগান। সীমিত আয়ে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানোর পর ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন শুভ। গত চার বছর ধরে বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তির আওতায় প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পেয়ে আসছেন তিনি। এই অর্থ তার শিক্ষার ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে।তবে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে কোচিংয়ে ভর্তি হওয়ার পর পরিবারের আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যায়। শিক্ষাবৃত্তির টাকা দিয়ে কোচিংয়ের মাসিক বেতন পরিশোধ করলেও স্কুলের জমে থাকা বকেয়া, পরীক্ষার ফি ও এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফি দেওয়ার মতো অর্থ পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।শুভর এই সংকটের কথা জানতে পেরে তার শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন রাখতে এগিয়ে আসে এবিজি ফাউন্ডেশন। গত রোববার গাজীপুর মহানগরের চাপুলিয়ায় অবস্থিত মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শুভর প্রায় দুই বছরের বকেয়া বেতন, পরীক্ষার ফি, এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফিসহ অন্যান্য বকেয়া পরিশোধের জন্য অনুদান দেওয়া হয়।এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার, শিক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ ও তার মা নাছিমা বেগমের হাতে এবিজি ফাউন্ডেশনের অনুদানের চেক তুলে দেন কালের কণ্ঠের স্টাফ ফটোসাংবাদিক লুৎফর রহমান।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে। এই সহযোগিতার ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি এবিজি ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।এদিকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শুভর মা নাছিমা বেগম। তিনি এবিজি ফাউন্ডেশন ও বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।আর্থিক সংকটের কারণে যে শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এবিজি ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সেই বাধা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছেন শুভ। তার মতো অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ পড়াশোনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণেও আশার আলো দেখায়।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 18:05:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9410/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[গাজীপুর প্রতিনিধি: অভাবের কারণে যেন ঝরে না পড়ে শিক্ষাজীবন, পূরণ হয় স্বপ্ন—এমন প্রত্যাশা নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতায় প্রায় দুই বছরের স্কুলের বেতন, পরীক্ষার ফি ও নিবন্ধন ফি বকেয়া পড়ে যাওয়ায় তার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। শেষ পর্যন্ত তার শিক্ষাজীবন সচল রাখতে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এবিজি (আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ) ফাউন্ডেশন।গাজীপুরের পাজুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শুভর পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস তার বাবার পরিশ্রম। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি স্থানীয় ডেইরি ফার্ম থেকে দুধ কিনে বাজারে বিক্রি করেন। পাশাপাশি অন্যের জমিতে কৃষিকাজ করেও সংসারের খরচ জোগান। সীমিত আয়ে পরিবারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানোর পর ছেলের পড়াশোনার ব্যয় বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল।অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন শুভ। গত চার বছর ধরে বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তির আওতায় প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে পেয়ে আসছেন তিনি। এই অর্থ তার শিক্ষার ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে।তবে এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালোভাবে সম্পন্ন করতে কোচিংয়ে ভর্তি হওয়ার পর পরিবারের আর্থিক চাপ আরও বেড়ে যায়। শিক্ষাবৃত্তির টাকা দিয়ে কোচিংয়ের মাসিক বেতন পরিশোধ করলেও স্কুলের জমে থাকা বকেয়া, পরীক্ষার ফি ও এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফি দেওয়ার মতো অর্থ পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না। এতে তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।শুভর এই সংকটের কথা জানতে পেরে তার শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্ন রাখতে এগিয়ে আসে এবিজি ফাউন্ডেশন। গত রোববার গাজীপুর মহানগরের চাপুলিয়ায় অবস্থিত মফিজ উদ্দিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শুভর প্রায় দুই বছরের বকেয়া বেতন, পরীক্ষার ফি, এসএসসি পরীক্ষার নিবন্ধন ফিসহ অন্যান্য বকেয়া পরিশোধের জন্য অনুদান দেওয়া হয়।এ উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার, শিক্ষার্থী তাসলিম আহমেদ শুভ ও তার মা নাছিমা বেগমের হাতে এবিজি ফাউন্ডেশনের অনুদানের চেক তুলে দেন কালের কণ্ঠের স্টাফ ফটোসাংবাদিক লুৎফর রহমান।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করছে। এই সহযোগিতার ফলে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবন এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। পাশাপাশি এবিজি ফাউন্ডেশনের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।এদিকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শুভর মা নাছিমা বেগম। তিনি এবিজি ফাউন্ডেশন ও বসুন্ধরা শুভসংঘের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি ধন্যবাদ জানান।আর্থিক সংকটের কারণে যে শিক্ষাজীবন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, এবিজি ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সেই বাধা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পেয়েছেন শুভ। তার মতো অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ পড়াশোনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণেও আশার আলো দেখায়।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>২৬ নভেম্বর থেকে আইসিসিবিতে উচ্চশিক্ষার মিলনমেলা। </title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9409/</link>
                <description><![CDATA[&#160;দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বৃত্তি, ভর্তি প্রক্রিয়া এবং শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে রাজধানীতে আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এক্সপোর ৬৫তম আসর। আগামী ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তিন দিনব্যাপী এ শিক্ষা মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ফেয়ার কনভেনর ইন্টারন্যাশনাল এ আয়োজন করছে।মেলায় দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টাডি অ্যাব্রোড কনসালটেন্সি, আইইএলটিএস ও অন্যান্য পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক কেন্দ্রসহ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।একই স্থানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, স্কলারশিপ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিয়ম, শিক্ষার্থী ভিসা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন। পাশাপাশি অভিজ্ঞ শিক্ষা পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে নিজেদের পছন্দ ও লক্ষ্য অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোর্স সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য মেলায় প্রবেশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ফ্রি টিকিট সংগ্রহ এবং মেলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে হবে fairconvener.com ওয়েবসাইটে।আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলায় শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও ক্যারিয়ারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান স্টল নেওয়ার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে রয়েছে—এডুকেশন কনসালটেন্সি ও স্টুডেন্ট ভিসা এজেন্সি। দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ। আইইএলটিএস, স্পোকেন ইংলিশ ও ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের দোকান। ট্রাভেল ও এয়ার টিকিটিং এজেন্সি। ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক, মানি এক্সচেঞ্জ ও বিমা প্রতিষ্ঠান।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 12:33:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9409/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[&#160;দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বৃত্তি, ভর্তি প্রক্রিয়া এবং শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে রাজধানীতে আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন এক্সপোর ৬৫তম আসর। আগামী ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তিন দিনব্যাপী এ শিক্ষা মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ফেয়ার কনভেনর ইন্টারন্যাশনাল এ আয়োজন করছে।মেলায় দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্টাডি অ্যাব্রোড কনসালটেন্সি, আইইএলটিএস ও অন্যান্য পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক কেন্দ্রসহ শিক্ষা ও ক্যারিয়ার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।একই স্থানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, স্কলারশিপ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির নিয়ম, শিক্ষার্থী ভিসা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন। পাশাপাশি অভিজ্ঞ শিক্ষা পরামর্শক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে নিজেদের পছন্দ ও লক্ষ্য অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কোর্স সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য মেলায় প্রবেশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ফ্রি টিকিট সংগ্রহ এবং মেলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে হবে fairconvener.com ওয়েবসাইটে।আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলায় শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও ক্যারিয়ারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান স্টল নেওয়ার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে রয়েছে—এডুকেশন কনসালটেন্সি ও স্টুডেন্ট ভিসা এজেন্সি। দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ। আইইএলটিএস, স্পোকেন ইংলিশ ও ইংরেজি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের দোকান। ট্রাভেল ও এয়ার টিকিটিং এজেন্সি। ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক, মানি এক্সচেঞ্জ ও বিমা প্রতিষ্ঠান।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আমতলীতে ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ। </title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9408/</link>
                <description><![CDATA[বরগুনার আমতলী উপজেলার ৬ নং আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং বিভিন্ন খাতের ট্যাক্সের লাখ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন নথিপত্রে ভুয়া স্বাক্ষর গ্রহণ ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় কর্মকর্তাদের সাথে অসদাচরণেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।এবিষয় একই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মনজুরুল হক কাওছারের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বাবদ সংগৃহীত অর্থ এবং বিভিন্ন ট্যাক্সের টাকা নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন নিজেই আত্মসাৎ করেছেন। পরিষদে বর্তমানে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হলেও রেজিস্ট্রার খাতায় মাত্র নব্বই জনের তথ্য লিপিবদ্ধ রয়েছে, বাকিদের কোনো তথ্যই পরিষদে সংরক্ষিত নেই।তদন্তে আরও জানা যায়, প্রশাসক নিয়োগের পর নিয়মবহির্ভূতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও ট্রেড লাইসেন্সে নিজের স্বাক্ষর নেওয়ার বদলে ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জবাব চাইলে তিনি প্রশাসকের সাথে উদ্ধত আচরণ ও উচ্চবাচ্য করেন। গত পাঁচ মাসের সংগৃহীত ট্যাক্সের টাকাও ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জাকির হোসেন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় জানান, তার দীর্ঘ ৩২ বছরের চাকরিজীবনে কখনো ট্যাক্স ও লাইসেন্স নবায়নের টাকা ব্যাংকে জমা দেননি এবং এই টাকার একমাত্র অধিকার সচিবের। এমনকি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্যদের বিভিন্নভাবে ফ্যাসিস্ট ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করছেন, যা সম্পূর্ণ চাকরিবিধি ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনের পরিপন্থী।এসব অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত বদলি ও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেনের কাছে এসব অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি&#160; &#160;জানান, আমাদের নিজেদের মধ্যে একটু ভূল বোঝাবুঝি হওয়ার কারনে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার একটি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি যাছাই বাছাই চলছে। আশা করি দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।&#160;আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, এবিষয় আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। সে অভিযোগের আলোকে এক অফিসার দ্বারা তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 11:40:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9408/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বরগুনার আমতলী উপজেলার ৬ নং আমতলী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং বিভিন্ন খাতের ট্যাক্সের লাখ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন নথিপত্রে ভুয়া স্বাক্ষর গ্রহণ ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় কর্মকর্তাদের সাথে অসদাচরণেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।এবিষয় একই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. মনজুরুল হক কাওছারের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বাবদ সংগৃহীত অর্থ এবং বিভিন্ন ট্যাক্সের টাকা নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেন নিজেই আত্মসাৎ করেছেন। পরিষদে বর্তমানে দুই শতাধিক ব্যক্তিকে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হলেও রেজিস্ট্রার খাতায় মাত্র নব্বই জনের তথ্য লিপিবদ্ধ রয়েছে, বাকিদের কোনো তথ্যই পরিষদে সংরক্ষিত নেই।তদন্তে আরও জানা যায়, প্রশাসক নিয়োগের পর নিয়মবহির্ভূতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও ট্রেড লাইসেন্সে নিজের স্বাক্ষর নেওয়ার বদলে ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বারের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জবাব চাইলে তিনি প্রশাসকের সাথে উদ্ধত আচরণ ও উচ্চবাচ্য করেন। গত পাঁচ মাসের সংগৃহীত ট্যাক্সের টাকাও ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জাকির হোসেন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় জানান, তার দীর্ঘ ৩২ বছরের চাকরিজীবনে কখনো ট্যাক্স ও লাইসেন্স নবায়নের টাকা ব্যাংকে জমা দেননি এবং এই টাকার একমাত্র অধিকার সচিবের। এমনকি তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্যদের বিভিন্নভাবে ফ্যাসিস্ট ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা করছেন, যা সম্পূর্ণ চাকরিবিধি ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনের পরিপন্থী।এসব অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দ্রুত বদলি ও কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাকির হোসেনের কাছে এসব অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে তিনি&#160; &#160;জানান, আমাদের নিজেদের মধ্যে একটু ভূল বোঝাবুঝি হওয়ার কারনে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার একটি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি যাছাই বাছাই চলছে। আশা করি দ্রুত নিষ্পত্তি হবে।&#160;আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ হাফিজুর রহমান জানান, এবিষয় আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। সে অভিযোগের আলোকে এক অফিসার দ্বারা তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পাথরঘাটায় জরায়ু টিউমারের অপারেশন করতে গিয়ে লাশ হলেন রেনু বেগম !   ভুল চিকিৎসা ও প্রলোভন দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ।</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9407/</link>
                <description><![CDATA[বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় জরায়ু টিউমারের অপারেশন করাতে গিয়ে চিকিৎসার অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন রেনু বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূ। চিকিৎসকের আশ্বাসে ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে শেষ পর্যন্ত লাশ হয়ে ফিরতে হলো তাকে।&#160;ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়ায় অবস্থিত ‘কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’।নিহত রেনু বেগম পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের উত্তর হলতা গ্রামের বাসিন্দা দুলাল মিয়ার স্ত্রী।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর রেনু বেগম চিকিৎসার জন্য বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা বাজারে অবস্থিত ডা. আমির হামজার চেম্বারে যান। প্রাথমিক পরামর্শ শেষে ডা. আমির হামজা তাকে পাথরঘাটার কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন এবং নিজেই সফলভাবে অপারেশন করার বিষয়ে পরিবারকে শতভাগ আশ্বাস দেন।ডাক্তারের কথামতো গত ১১ অক্টোবর রেনু বেগম কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি হন। ভর্তির পর প্রাথমিক পরীক্ষায় উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ায় দুই দিন পর তার জরায়ু টিউমারের অপারেশন করা হয়।অপারেশনের পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ দাবি করে যে অস্ত্রোপচার ‘সফল’ হয়েছে। কিন্তু গত ১৯ অক্টোবর রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। এ সময় তড়িঘড়ি করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রেনু বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে রেফার করে। পরবর্তীতে ২০ অক্টোবর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রেনু বেগম।রেনু বেগমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এবং স্বজনরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে চাপ সৃষ্টি করলে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি আপস-মীমাংসা করার শর্তে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেয় তারা। এমনকি প্রাথমিক পর্যায়ে দাফন-কাফন ও মিলাদ মাহফিলের খরচের কথা বলে কিছু টাকা স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।একই সাথে স্বজনদের ভয় দেখিয়ে বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো মামলা বা বাড়াবাড়ি করলে দাফন করা লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) জন্য পাঠানো হবে। এই আশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে স্বজনরা দাফন সম্পন্ন করলেও পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ—এমনটাই দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও দায় এড়ানোর চেষ্টা: ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে সরজমিনে অনুসন্ধান চালালে কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করার চেষ্টা করে। তারা দাবি করেন, "রেনু বেগম অপারেশনের পর সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন এবং তাকে ছাড়পত্র (রিলিজ) দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেলে মারা যান, যা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।"তবে গণমাধ্যমের হাতে ওই ক্লিনিক কর্তৃক রেনু বেগমকে সরাসরি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) দাপ্তরিক প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে।অন্যদিকে অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডা. আমির হামজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দায় ঠেলে দেন ক্লিনিকের ওপর। তিনি জানান, "আমি সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন করেছি। অপারেশনের পরবর্তী চিকিৎসার মূল দায়িত্ব ছিল কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকের আবাসিক সার্জনের। নিয়মিত পরিচর্যা ও চিকিৎসায় তাদের কোনো ভুল ছিল কিনা তা আমার জানা নেই।" তবে ওই ক্লিনিকের আবাসিক সার্জন মাঝে মাঝে তার কাছ থেকে মুঠোফোনে পরামর্শ নিয়েছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন।জরায়ুর মতো সংবেদনশীল ও জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে রোগীর পূর্ণাঙ্গ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উপযুক্ত পরিবেশ ছাড়া কীভাবে এমন ঝুঁকি নেওয়া হলো—তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে। উচ্চ রক্তচাপ থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া অপারেশন করা এবং পরবর্তীতে সঠিক পরিচর্যার অভাবই এই মৃত্যুর কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে এলাকায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কঠোর বিচার দাবি করেছে।বরগুনা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আবুল ফাওাহ জানান,বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে&#160; ব্যববস্থা গ্রহণ করা হবে।]]></description>
                <pubDate>Tue, 27 Oct 2026 11:34:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9407/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় জরায়ু টিউমারের অপারেশন করাতে গিয়ে চিকিৎসার অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন রেনু বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূ। চিকিৎসকের আশ্বাসে ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে শেষ পর্যন্ত লাশ হয়ে ফিরতে হলো তাকে।&#160;ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়ায় অবস্থিত ‘কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’।নিহত রেনু বেগম পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের উত্তর হলতা গ্রামের বাসিন্দা দুলাল মিয়ার স্ত্রী।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর রেনু বেগম চিকিৎসার জন্য বরগুনার বামনা উপজেলার ডৌয়াতলা বাজারে অবস্থিত ডা. আমির হামজার চেম্বারে যান। প্রাথমিক পরামর্শ শেষে ডা. আমির হামজা তাকে পাথরঘাটার কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন এবং নিজেই সফলভাবে অপারেশন করার বিষয়ে পরিবারকে শতভাগ আশ্বাস দেন।ডাক্তারের কথামতো গত ১১ অক্টোবর রেনু বেগম কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকে ভর্তি হন। ভর্তির পর প্রাথমিক পরীক্ষায় উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ায় দুই দিন পর তার জরায়ু টিউমারের অপারেশন করা হয়।অপারেশনের পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ দাবি করে যে অস্ত্রোপচার ‘সফল’ হয়েছে। কিন্তু গত ১৯ অক্টোবর রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। এ সময় তড়িঘড়ি করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রেনু বেগমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে রেফার করে। পরবর্তীতে ২০ অক্টোবর শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রেনু বেগম।রেনু বেগমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এবং স্বজনরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে চাপ সৃষ্টি করলে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তৎপর হয়ে ওঠে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি আপস-মীমাংসা করার শর্তে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেয় তারা। এমনকি প্রাথমিক পর্যায়ে দাফন-কাফন ও মিলাদ মাহফিলের খরচের কথা বলে কিছু টাকা স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।একই সাথে স্বজনদের ভয় দেখিয়ে বলা হয়, এ বিষয়ে কোনো মামলা বা বাড়াবাড়ি করলে দাফন করা লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) জন্য পাঠানো হবে। এই আশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে স্বজনরা দাফন সম্পন্ন করলেও পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ না দিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ—এমনটাই দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও দায় এড়ানোর চেষ্টা: ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে সরজমিনে অনুসন্ধান চালালে কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করার চেষ্টা করে। তারা দাবি করেন, "রেনু বেগম অপারেশনের পর সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন এবং তাকে ছাড়পত্র (রিলিজ) দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেলে মারা যান, যা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।"তবে গণমাধ্যমের হাতে ওই ক্লিনিক কর্তৃক রেনু বেগমকে সরাসরি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) দাপ্তরিক প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে।অন্যদিকে অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক ডা. আমির হামজার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দায় ঠেলে দেন ক্লিনিকের ওপর। তিনি জানান, "আমি সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন করেছি। অপারেশনের পরবর্তী চিকিৎসার মূল দায়িত্ব ছিল কাকচিড়া সার্জিকেয়ার ক্লিনিকের আবাসিক সার্জনের। নিয়মিত পরিচর্যা ও চিকিৎসায় তাদের কোনো ভুল ছিল কিনা তা আমার জানা নেই।" তবে ওই ক্লিনিকের আবাসিক সার্জন মাঝে মাঝে তার কাছ থেকে মুঠোফোনে পরামর্শ নিয়েছেন বলেও তিনি স্বীকার করেন।জরায়ুর মতো সংবেদনশীল ও জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে রোগীর পূর্ণাঙ্গ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উপযুক্ত পরিবেশ ছাড়া কীভাবে এমন ঝুঁকি নেওয়া হলো—তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সচেতন মহলে। উচ্চ রক্তচাপ থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া অপারেশন করা এবং পরবর্তীতে সঠিক পরিচর্যার অভাবই এই মৃত্যুর কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে এলাকায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী চিকিৎসক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কঠোর বিচার দাবি করেছে।বরগুনা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ আবুল ফাওাহ জানান,বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে&#160; ব্যববস্থা গ্রহণ করা হবে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>অটিজমে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানসূচক ডক্টরেট পেলেন ইয়াশা সোবহান।</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9406/</link>
                <description><![CDATA[&#160;অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, বিকাশ এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দুটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছেন বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান। তিনি ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ডক্টর অব ফিলোসফি ইন সোশ্যাল ওয়ার্কস (Honoris Causa)’ সম্মাননা পেয়েছেন।সামাজিক কল্যাণে তার উদ্যোগ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এ অর্জনকে দেখা হচ্ছে।মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের দ্য রিটজ-কার্লটন হোটেলে আয়োজিত ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স-২০২৬’-এর ৪৩তম আসরে ইয়াশা সোবহানের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা পেশাজীবী ও কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে এ আয়োজন করা হয়। সেখানে তার এই স্বীকৃতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও যেন শিক্ষা গ্রহণ, নিজেদের সক্ষমতা বিকাশ এবং সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন।প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে ইয়াশা সোবহান অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, পরিচর্যা এবং সামগ্রিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। শিশুদের ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও সম্ভাবনা বিকাশের পাশাপাশি তাদের জন্য উপযোগী ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সমাজে তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগেও সক্রিয় ইয়াশা সোবহান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ব্র্যান্ড উন্নয়নের সঙ্গে সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টার প্রতিফলন।অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ অর্জিত এ দুই সম্মাননা তার সামাজিক উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও পরিচিত করেছে। পাশাপাশি শিশুদের বিকাশ, অধিকার ও সমাজে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার গুরুত্বও তুলে ধরেছে।]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 23:17:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9406/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[&#160;অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, বিকাশ এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দুটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করেছেন বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান। তিনি ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ডক্টর অব ফিলোসফি ইন সোশ্যাল ওয়ার্কস (Honoris Causa)’ সম্মাননা পেয়েছেন।সামাজিক কল্যাণে তার উদ্যোগ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে এ অর্জনকে দেখা হচ্ছে।মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের দ্য রিটজ-কার্লটন হোটেলে আয়োজিত ‘ক্লাস্টার অব অ্যাচিভার্স-২০২৬’-এর ৪৩তম আসরে ইয়াশা সোবহানের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা পেশাজীবী ও কৃতী ব্যক্তিদের সম্মানিত করতে এ আয়োজন করা হয়। সেখানে তার এই স্বীকৃতি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও যেন শিক্ষা গ্রহণ, নিজেদের সক্ষমতা বিকাশ এবং সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন।প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে ইয়াশা সোবহান অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, পরিচর্যা এবং সামগ্রিক বিকাশে কাজ করে যাচ্ছেন। শিশুদের ব্যক্তিগত সক্ষমতা ও সম্ভাবনা বিকাশের পাশাপাশি তাদের জন্য উপযোগী ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং সমাজে তাদের স্বতন্ত্র পরিচয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগেও সক্রিয় ইয়াশা সোবহান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যবসা সম্প্রসারণ ও ব্র্যান্ড উন্নয়নের সঙ্গে সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টার প্রতিফলন।অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ অর্জিত এ দুই সম্মাননা তার সামাজিক উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও পরিচিত করেছে। পাশাপাশি শিশুদের বিকাশ, অধিকার ও সমাজে অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার গুরুত্বও তুলে ধরেছে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>তরুণ ফুটবলারদের মিলনমেলায় শুরু এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9405/</link>
                <description><![CDATA[&#160;বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবল প্রতিভা অন্বেষণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্ট। সোমবার বিকেলে ঢাকার এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বর্ণিল উদ্বোধনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতাটির সূচনা হয়। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম ও কায়সার হামিদ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী, এবিজি স্পোর্টস সিটির উপদেষ্টা বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক ও মো. লিয়াকত হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র জিএম লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সোয়েব শফিক (অব.)।এ সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বসুন্ধরা গ্রুপ এবং এবিজি স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে মাঠে নামে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ম্যাচটি ঘিরে স্টেডিয়াম এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।এবিজির উদ্যোগে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের অন্যতম উদ্দেশ্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবলের বিকাশ ঘটানো, তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায় আগ্রহী করে তোলা। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বাড়াতেও এ আয়োজন ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।তাঁদের প্রত্যাশা, এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের মাধ্যমে নতুন প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসবে। একই সঙ্গে এ প্রতিযোগিতা তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে এবং দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান বলেন, “এই আয়োজনকে আমরা আরও বৃহৎ পরিসরে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে চাই। এবিজি স্পোর্টস সিটির মাঠের খেলোয়াড়েরা একদিন বিশ্বকাপ জিতবে—এমন সুযোগ ও পথ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা কায়সার হামিদ এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য এবিজি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমেই দেশের ফুটবলের জন্য সম্ভাবনাময় ও দক্ষ খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে, যারা দেশ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করবে।”জাতীয় দলের আরেক সাবেক তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম এবিজির উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “এবিজির এই উদ্যোগটি সত্যিই অসাধারণ। আমি মনে করি, এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হয়ে থাকবে।”]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 23:08:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9405/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[&#160;বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবল প্রতিভা অন্বেষণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬’ ফুটবল টুর্নামেন্ট। সোমবার বিকেলে ঢাকার এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় বর্ণিল উদ্বোধনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতাটির সূচনা হয়। বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম ও কায়সার হামিদ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আব্দুল বারী, এবিজি স্পোর্টস সিটির উপদেষ্টা বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক ও মো. লিয়াকত হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র জিএম লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ সোয়েব শফিক (অব.)।এ সময় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বসুন্ধরা গ্রুপ এবং এবিজি স্পোর্টস সিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে মাঠে নামে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ম্যাচটি ঘিরে স্টেডিয়াম এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।এবিজির উদ্যোগে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের অন্যতম উদ্দেশ্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবলের বিকাশ ঘটানো, তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায় আগ্রহী করে তোলা। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বাড়াতেও এ আয়োজন ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা।তাঁদের প্রত্যাশা, এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের মাধ্যমে নতুন প্রতিভাবান ফুটবলার উঠে আসবে। একই সঙ্গে এ প্রতিযোগিতা তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে এবং দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবিজি স্পোর্টস সিটির পরিচালক মো. ইমরুল হাসান বলেন, “এই আয়োজনকে আমরা আরও বৃহৎ পরিসরে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে চাই। এবিজি স্পোর্টস সিটির মাঠের খেলোয়াড়েরা একদিন বিশ্বকাপ জিতবে—এমন সুযোগ ও পথ তৈরি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা কায়সার হামিদ এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য এবিজি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমেই দেশের ফুটবলের জন্য সম্ভাবনাময় ও দক্ষ খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে, যারা দেশ ও জাতির মুখ উজ্জ্বল করবে।”জাতীয় দলের আরেক সাবেক তারকা শেখ মোহাম্মদ আসলাম এবিজির উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, “এবিজির এই উদ্যোগটি সত্যিই অসাধারণ। আমি মনে করি, এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হয়ে থাকবে।”]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আরো ৬ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9403/</link>
                <description><![CDATA[দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। শনিবার ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কমিটির ২০২৬ সালের ৫১তম সভায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের দুটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর এ সুপারিশ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রথম প্রস্তাবের আওতায় বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রয়োজন হলে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে অতিরিক্ত কার্গো কেনারও সুযোগ রাখা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ৯৯২ বিধি অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এ এলএনজি কেনা হবে। প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের এমএমবিটিইউ দাম সুপারিশ করা হয়েছে জেকেএমের চেয়ে ০.১৭ ডলার কম।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে বিদ্যমান সরকার-টু-সরকার জিটুজি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির কাছ থেকে অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি কেনার সুপারিশ করা হয়েছে। অতিরিক্ত কার্গোটি চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য নির্ধারিত রয়েছে এবং এর দাম বিদ্যমান চুক্তিতে উল্লেখিত দর থেকে ভিন্ন হবে।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 12:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9403/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। শনিবার ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কমিটির ২০২৬ সালের ৫১তম সভায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের দুটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর এ সুপারিশ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রথম প্রস্তাবের আওতায় বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনার সুপারিশ করেছে কমিটি। প্রয়োজন হলে এবং উভয় পক্ষ সম্মত হলে অতিরিক্ত কার্গো কেনারও সুযোগ রাখা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর ৯৯২ বিধি অনুযায়ী সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এ এলএনজি কেনা হবে। প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের এমএমবিটিইউ দাম সুপারিশ করা হয়েছে জেকেএমের চেয়ে ০.১৭ ডলার কম।
দ্বিতীয় প্রস্তাবে বিদ্যমান সরকার-টু-সরকার জিটুজি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির কাছ থেকে অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি কেনার সুপারিশ করা হয়েছে। অতিরিক্ত কার্গোটি চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য নির্ধারিত রয়েছে এবং এর দাম বিদ্যমান চুক্তিতে উল্লেখিত দর থেকে ভিন্ন হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড ও কনস্যুলেটের ভূমিকা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9402/</link>
                <description><![CDATA[মক্কায় বাংলাদেশের দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কোনো দুর্বলতা ছিল কি না, তা জানতে চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা থাকলে সে বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা কমিটিকে জানাতে বলা হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ১৪ দিন আগে সৌদি আরব প্রায় আড়াই হাজার বন্দীর তালিকা পাঠিয়েছিল। সেখানে ওই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ছিল কিন্তু বিষয়টি যথাযথভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল ৬ মাস থেকে ১৫ বছরের জেল হতে পারে এবং মৃত্যুদণ্ড হবে, এটা তাঁরা বুঝতে পারেননি। দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ে ৬ প্রশ্নের জবাব চেয়ে সৌদি আরবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য ও সৌদি আরবে নারী কর্মীদের ওপর নির্যাতনের বিষয়েও আলোচনা হয়। সৌদি আরবে ১–২ শতাংশ বাংলাদেশি নারী কর্মী নির্যাতনের শিকার হন বলে সংসদীয় কমিটিতে তথ্য দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এটি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। শতাংশের হিসাবে কম মনে হলেও সংখ্যার হিসাবে নারী নির্যাতনের ঘটনা অনেক বেশি বলে জানানো হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, তাঁরা জানতে চেয়েছেন কনস্যুলার আগে কেন জানতে পারেনি, এখানে কোনো দুর্বলতা বা অবহেলা ছিল কি না। কনসুলেটের কোনো অবহেলা থাকলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছে কমিটি। জহরত আদিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির অন্যান্য সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির অংশ নেন।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 10:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9402/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[মক্কায় বাংলাদেশের দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কোনো দুর্বলতা ছিল কি না, তা জানতে চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা থাকলে সে বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা কমিটিকে জানাতে বলা হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ১৪ দিন আগে সৌদি আরব প্রায় আড়াই হাজার বন্দীর তালিকা পাঠিয়েছিল। সেখানে ওই দুই বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ছিল কিন্তু বিষয়টি যথাযথভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা ছিল ৬ মাস থেকে ১৫ বছরের জেল হতে পারে এবং মৃত্যুদণ্ড হবে, এটা তাঁরা বুঝতে পারেননি। দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ে ৬ প্রশ্নের জবাব চেয়ে সৌদি আরবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য ও সৌদি আরবে নারী কর্মীদের ওপর নির্যাতনের বিষয়েও আলোচনা হয়। সৌদি আরবে ১–২ শতাংশ বাংলাদেশি নারী কর্মী নির্যাতনের শিকার হন বলে সংসদীয় কমিটিতে তথ্য দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এটি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। শতাংশের হিসাবে কম মনে হলেও সংখ্যার হিসাবে নারী নির্যাতনের ঘটনা অনেক বেশি বলে জানানো হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, তাঁরা জানতে চেয়েছেন কনস্যুলার আগে কেন জানতে পারেনি, এখানে কোনো দুর্বলতা বা অবহেলা ছিল কি না। কনসুলেটের কোনো অবহেলা থাকলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছে কমিটি। জহরত আদিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির অন্যান্য সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির অংশ নেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে বৈশ্বিক সুশাসন ফোরামের আয়োজন চীনের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9401/</link>
                <description><![CDATA[বৈশ্বিক সুশাসন আরও উন্নত করতে বিভিন্ন পক্ষের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী প্রথম বৈশ্বিক সুশাসন ফোরামের আয়োজন করেছে চীন। দেশটি বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগ (জিজিআই) প্রস্তাব করার এক বছর পর এ ফোরামের আয়োজন করা হলো। চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হেবেই প্রদেশের শিওংআন নিউ এরিয়ায় শুক্রবার ২০২৬ বৈশ্বিক সুশাসন ফোরাম (শিওংআন)-এর উদ্বোধন করা হয়। চাইনিজ পিপলস ইনস্টিটিউট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত এ ফোরামের প্রতিপাদ্য ছিল আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠন : পরিবর্তনশীল বিশ্বে বৈশ্বিক সুশাসনের সংস্কার ও উন্নয়ন।
জাতিসংঘসহ ৯০টিরও বেশি দেশ এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রায় ৪০০ প্রতিনিধি ফোরামে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কৌশলগত, রাজনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক, ব্যবসায়িক, গণমাধ্যম ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। ফোরামে পাঠানো এক বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব এক শতাব্দীতে দেখা যায়নি এমন দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শান্তি, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের ঘাটতি কমার পরিবর্তে বাড়ছে। আরও ন্যায়সংগত ও ন্যায্য বৈশ্বিক সুশাসনব্যবস্থা এবং একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি জিজিআই প্রস্তাব করেছেন বলে জানান।
নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি বলেন, জিজিআই সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন, বহুপক্ষীয়তা ও জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্ব দেয়। বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক বৈষম্য, দারিদ্র্য, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। কিরগিজস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুমার্ট ওতোরবায়েভ বলেন, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো জিজিআইকে সমর্থন করে এবং তারা আধিপত্য বা হস্তক্ষেপের পরিবর্তে প্রবৃদ্ধি দেখতে চায়।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ে গ্লোবাল সাউথের প্রতিনিধিত্ব ও মতামতের গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি। নিরাপত্তা পরিষদে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনার একটি কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। ফোরামের সাইডলাইনে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াং বলেন, এআইয়ের বিকাশ যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তা নিশ্চিত করতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) থেকে এই সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 08:00:23 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9401/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বৈশ্বিক সুশাসন আরও উন্নত করতে বিভিন্ন পক্ষের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী প্রথম বৈশ্বিক সুশাসন ফোরামের আয়োজন করেছে চীন। দেশটি বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগ (জিজিআই) প্রস্তাব করার এক বছর পর এ ফোরামের আয়োজন করা হলো। চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হেবেই প্রদেশের শিওংআন নিউ এরিয়ায় শুক্রবার ২০২৬ বৈশ্বিক সুশাসন ফোরাম (শিওংআন)-এর উদ্বোধন করা হয়। চাইনিজ পিপলস ইনস্টিটিউট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত এ ফোরামের প্রতিপাদ্য ছিল আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠন : পরিবর্তনশীল বিশ্বে বৈশ্বিক সুশাসনের সংস্কার ও উন্নয়ন।
জাতিসংঘসহ ৯০টিরও বেশি দেশ এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রায় ৪০০ প্রতিনিধি ফোরামে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কৌশলগত, রাজনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক, ব্যবসায়িক, গণমাধ্যম ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। ফোরামে পাঠানো এক বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব এক শতাব্দীতে দেখা যায়নি এমন দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শান্তি, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের ঘাটতি কমার পরিবর্তে বাড়ছে। আরও ন্যায়সংগত ও ন্যায্য বৈশ্বিক সুশাসনব্যবস্থা এবং একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি জিজিআই প্রস্তাব করেছেন বলে জানান।
নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি বলেন, জিজিআই সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন, বহুপক্ষীয়তা ও জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্ব দেয়। বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক বৈষম্য, দারিদ্র্য, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। কিরগিজস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুমার্ট ওতোরবায়েভ বলেন, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো জিজিআইকে সমর্থন করে এবং তারা আধিপত্য বা হস্তক্ষেপের পরিবর্তে প্রবৃদ্ধি দেখতে চায়।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ে গ্লোবাল সাউথের প্রতিনিধিত্ব ও মতামতের গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি। নিরাপত্তা পরিষদে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনার একটি কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। ফোরামের সাইডলাইনে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াং বলেন, এআইয়ের বিকাশ যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তা নিশ্চিত করতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) থেকে এই সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সমাপ্ত হলো ৯ম ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস্ কাপ গলফ টুর্নামেন্ট</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9400/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা সেনানিবাসের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে আজ ৯ম ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস্ কাপ গলফ টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন দেশের গলফ অঙ্গনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি এই সুন্দর আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। টুর্নামেন্টে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে এস এম আব্দুল্লাহ ফারাবী উইনার হয়েছেন।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় কমোডর এ কে এম আফজাল হোসেন রানার আপ এবং হাইজং উম লেডিস উইনার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল ও কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের স্পন্সর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলরসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। এছাড়া টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী গলফারগণ, তাদের পরিবারবর্গ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 06:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9400/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা সেনানিবাসের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে আজ ৯ম ড্যাফোডিল ক্যাপ্টেনস্ কাপ গলফ টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন দেশের গলফ অঙ্গনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি এই সুন্দর আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। টুর্নামেন্টে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে এস এম আব্দুল্লাহ ফারাবী উইনার হয়েছেন।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় কমোডর এ কে এম আফজাল হোসেন রানার আপ এবং হাইজং উম লেডিস উইনার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল ও কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের স্পন্সর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলরসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশ নেন। এছাড়া টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী গলফারগণ, তাদের পরিবারবর্গ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>একীভূত বিনিয়োগ কাঠামোর ওপর জোর দিলেন আশিক চৌধুরী</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9399/</link>
                <description><![CDATA[ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক খাতে আন্তর্জাতিক পুঁজি আকর্ষণের লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রচার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার ওপর আলোকপাত করেছেন। কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম ২০২৬-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত এক মন্ত্রীপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় তিনি রোববার এই কথা বলেন।
তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে অর্থায়নযোগ্য প্রকল্প তৈরি, উপযুক্ত জমির নিশ্চয়তা এবং সুনির্দিষ্ট নীতি-কাঠামো প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি। এই সমন্বিত বিনিয়োগ উন্নয়ন কাঠামো আন্তর্জাতিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লাভজনক প্রকল্পগুলোর সাথে যুক্ত করবে এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় উন্নত করবে।
আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কৌশলে সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে বিনিয়োগকারীদের যোগাযোগ সহজ করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে একই ছাতার নিচে আনাকে একটি চ্যালেঞ্জিং প্রশাসনিক কাজ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি এর প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
আগামী সোমবার আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে দেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও সুবিধাগুলো তুলে ধরতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ কাজ করবে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও জোরালো কাঠামোগত সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তর্জাতিক মূলধন সচল রাখা এবং ক্লিন এনার্জির দিকে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায় বাংলাদেশ।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 04:00:07 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9399/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক খাতে আন্তর্জাতিক পুঁজি আকর্ষণের লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রচার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার ওপর আলোকপাত করেছেন। কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম ২০২৬-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত এক মন্ত্রীপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় তিনি রোববার এই কথা বলেন।
তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে অর্থায়নযোগ্য প্রকল্প তৈরি, উপযুক্ত জমির নিশ্চয়তা এবং সুনির্দিষ্ট নীতি-কাঠামো প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি। এই সমন্বিত বিনিয়োগ উন্নয়ন কাঠামো আন্তর্জাতিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লাভজনক প্রকল্পগুলোর সাথে যুক্ত করবে এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় উন্নত করবে।
আশিক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কৌশলে সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে বিনিয়োগকারীদের যোগাযোগ সহজ করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে একই ছাতার নিচে আনাকে একটি চ্যালেঞ্জিং প্রশাসনিক কাজ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি এর প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
আগামী সোমবার আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে দেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও সুবিধাগুলো তুলে ধরতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ কাজ করবে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও জোরালো কাঠামোগত সমন্বয়ের মাধ্যমে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে আন্তর্জাতিক মূলধন সচল রাখা এবং ক্লিন এনার্জির দিকে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায় বাংলাদেশ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাশেদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না আসিফ মাহমুদ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9398/</link>
                <description><![CDATA[সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে বিএনপি নেতাদের বাসায় গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মো. রাশেদ খাঁন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই পোস্ট দেন। তিনি দাবি করেন, বিএনপি আগ্রহ না দেখানোর কারণেই আসিফ বাধ্য হয়ে এনসিপিতে যোগদান করেছেন।
রাশেদের এই বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন যে তিনি এটিকে মন্তব্য করার মতো গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। তিনি প্রথম আলোকে আরও জানান, মিথ্যা কথা বলার জন্যই রাশেদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও মাহফুজ আলম হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন দেখেও কোনো উত্তর দেননি।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে বেশি আসনে সমঝোতা পাওয়ার আশায় এনসিপির এক ডজন নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বসে থাকতেন। বিএনপি চারটির বেশি আসন ছাড়তে রাজি না হওয়ায় এবং বেশি আসন ও খরচ পাওয়ায় এনসিপি জামায়াত জোটে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১০ ডিসেম্বর সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ। এরপর গত ২৯ ডিসেম্বর এনসিপিতে যোগ দিয়ে আসিফ দলটির মুখপাত্র হন এবং বর্তমানে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 02:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9398/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে বিএনপি নেতাদের বাসায় গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মো. রাশেদ খাঁন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন রোববার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই পোস্ট দেন। তিনি দাবি করেন, বিএনপি আগ্রহ না দেখানোর কারণেই আসিফ বাধ্য হয়ে এনসিপিতে যোগদান করেছেন।
রাশেদের এই বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে আসিফ মাহমুদ বলেন যে তিনি এটিকে মন্তব্য করার মতো গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। তিনি প্রথম আলোকে আরও জানান, মিথ্যা কথা বলার জন্যই রাশেদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও মাহফুজ আলম হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন দেখেও কোনো উত্তর দেননি।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন যে বেশি আসনে সমঝোতা পাওয়ার আশায় এনসিপির এক ডজন নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় বসে থাকতেন। বিএনপি চারটির বেশি আসন ছাড়তে রাজি না হওয়ায় এবং বেশি আসন ও খরচ পাওয়ায় এনসিপি জামায়াত জোটে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১০ ডিসেম্বর সরকার থেকে পদত্যাগ করেছিলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ। এরপর গত ২৯ ডিসেম্বর এনসিপিতে যোগ দিয়ে আসিফ দলটির মুখপাত্র হন এবং বর্তমানে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>শ্রীলঙ্কায় চিকিৎসাধীন আটকে পড়া ইরানি নাবিকেরা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9397/</link>
                <description><![CDATA[শ্রীলঙ্কার জলসীমার বাইরে নোঙর করে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন তেলবাহী জাহাজগুলোর অন্তত ৪০ জন ইরানি নাবিক জরুরি চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছেন। রবিবার দেশটির কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সপ্তাহান্তে রাজধানী কলম্বো থেকে ১১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে গল বন্দরের মাধ্যমে ওই নাবিকদের তীরে আনা হয়।
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন এমন ইরানি নাবিকদের জাহাজ থেকে তীরে আনার ব্যবস্থা তারাই সমন্বয় করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থুশারা রদ্রিগো এএফপিকে জানান, তারা নাবিকদের তীরে আনার ব্যবস্থা করেছেন এবং মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আরও জানান যে এই কার্যক্রমের সমস্ত ব্যয় বহন করেছে ইরানি দূতাবাস।
শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এর আগে ওই জাহাজ থেকে ৩২ জন ইরানি নাবিককে উদ্ধার করেছিল এবং ইরানের আরেকটি নৌযান দ্বীপরাষ্ট্রটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিনকোমালি বন্দরে আশ্রয় চেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নিজ দেশে ফিরতে না পেরে অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে রয়েছে। শ্রীলঙ্কার দাবি, জাহাজগুলো তাদের ১২ নটিক্যাল মাইলের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থান করছে।
প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাਤੇ জানা গেছে, শ্রীলঙ্কার সামরিক বাহিনী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি রাখতে রেকি বিমান ও টহল নৌযান মোতায়েন করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজ পূর্বদিকে মালাক্কা প্রণালী ও সিঙ্গাপুরের দিকে চলে গেছে। তবে কয়েকটি জাহাজ এখনো শ্রীলঙ্কার জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং গল বন্দরের কাছাকাছি প্রায় এক ডজন খালি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার নোঙর করে রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস ডেনা ডুবিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন, যাতে ১০৪ জন নাবিক নিহত হন। ঢাকা থেকে ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস এই সংবাদ প্রকাশ করে।
]]></description>
                <pubDate>Mon, 26 Oct 2026 00:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9397/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[শ্রীলঙ্কার জলসীমার বাইরে নোঙর করে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন তেলবাহী জাহাজগুলোর অন্তত ৪০ জন ইরানি নাবিক জরুরি চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছেন। রবিবার দেশটির কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সপ্তাহান্তে রাজধানী কলম্বো থেকে ১১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে গল বন্দরের মাধ্যমে ওই নাবিকদের তীরে আনা হয়।
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন এমন ইরানি নাবিকদের জাহাজ থেকে তীরে আনার ব্যবস্থা তারাই সমন্বয় করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র থুশারা রদ্রিগো এএফপিকে জানান, তারা নাবিকদের তীরে আনার ব্যবস্থা করেছেন এবং মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আরও জানান যে এই কার্যক্রমের সমস্ত ব্যয় বহন করেছে ইরানি দূতাবাস।
শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এর আগে ওই জাহাজ থেকে ৩২ জন ইরানি নাবিককে উদ্ধার করেছিল এবং ইরানের আরেকটি নৌযান দ্বীপরাষ্ট্রটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিনকোমালি বন্দরে আশ্রয় চেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকারসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নিজ দেশে ফিরতে না পেরে অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে রয়েছে। শ্রীলঙ্কার দাবি, জাহাজগুলো তাদের ১২ নটিক্যাল মাইলের আঞ্চলিক জলসীমার বাইরে আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থান করছে।
প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাਤੇ জানা গেছে, শ্রীলঙ্কার সামরিক বাহিনী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারি রাখতে রেকি বিমান ও টহল নৌযান মোতায়েন করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজ পূর্বদিকে মালাক্কা প্রণালী ও সিঙ্গাপুরের দিকে চলে গেছে। তবে কয়েকটি জাহাজ এখনো শ্রীলঙ্কার জলসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং গল বন্দরের কাছাকাছি প্রায় এক ডজন খালি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার নোঙর করে রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস ডেনা ডুবিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন, যাতে ১০৪ জন নাবিক নিহত হন। ঢাকা থেকে ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস এই সংবাদ প্রকাশ করে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ সামনে রেখে লিটনের ব্যাটিং অনুশীলন</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9396/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একাডেমি মাঠে আজ ব্যাটিং অনুশীলনের সময় বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাসকে কোনো ধরনের অস্বস্তি বোধ করতে দেখা যায়নি। হিপ জয়েন্টের চোট থেকে সেরে ওঠা লিটন প্রায় এক ঘণ্টা ব্যাটিং অনুশীলন করেন, যা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এ সময় তিনি থ্রো-ডাউন ছাড়াও অফস্পিনার নাঈম হাসান ও নেটের অন্য বোলারদের মোকাবিলা করেন এবং ক্রিজে তাঁকে স্বাচ্ছন্দ্যেই ব্যাটিং করতে দেখা যায়।
বেশ কয়েকটি শটও খেলেন তিনি, যার মধ্যে তাঁর ট্রেডমার্ক লেগ-সাইডের একটি শট নেটের বাইরে গিয়ে পড়ে। ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার অনুশীলনে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করেন এবং প্রতিটি বল মোকাবেলা করার আগে কিছু সময় বিরতি নেন। বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদও তাঁকে শরীরের ভারসাম্য ও কাঁধের অবস্থান নিয়ে পরামর্শ দেন। শনিবার বাংলাদেশের অনুশীলনে অংশ না নিলেও রোববার ব্যাটিং অনুশীলনে ফেরেন তিনি, তবে এদিন তাঁকে উইকেটকিপিং অনুশীলন করতে দেখা যায়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচে দীর্ঘ সময় উইকেটকিপিং ও ব্যাটিংয়ের শারীরিক ধকলের পর ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে চোটে পড়েন লিটন। বিসিবির মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে লিটনের ফিটনেস নিয়ে নতুন করে কোনো চিকিৎসা মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই। মেডিকেল পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়ায় পর্যাপ্ত বিশ্রামের পর ধীরে ধীরে অনুশীলনের চাপ বাড়িয়ে পূর্ণ ম্যাচ ফিটনেস অর্জনের পথে এগিয়ে যাবেন তিনি বলে আশা করা হচ্ছে।
লিটন খেলতে না পারলে উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে জাকের আলী অনিক একটি বিকল্প এবং অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞ ব্যাটার খেলালে তাওহীদ হৃদয়কেও বিবেচনা করতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। লিটন ব্যাটার হিসেবে খেলার মতো ফিট হলেও উইকেটকিপিংয়ের জন্য উপযুক্ত না হলে দলকে আরও একটি সিদ্ধান্তের মুখে পড়তে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে একাদশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অতিরিক্ত একজন ব্যাটার অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 22:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9396/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একাডেমি মাঠে আজ ব্যাটিং অনুশীলনের সময় বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাসকে কোনো ধরনের অস্বস্তি বোধ করতে দেখা যায়নি। হিপ জয়েন্টের চোট থেকে সেরে ওঠা লিটন প্রায় এক ঘণ্টা ব্যাটিং অনুশীলন করেন, যা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এ সময় তিনি থ্রো-ডাউন ছাড়াও অফস্পিনার নাঈম হাসান ও নেটের অন্য বোলারদের মোকাবিলা করেন এবং ক্রিজে তাঁকে স্বাচ্ছন্দ্যেই ব্যাটিং করতে দেখা যায়।
বেশ কয়েকটি শটও খেলেন তিনি, যার মধ্যে তাঁর ট্রেডমার্ক লেগ-সাইডের একটি শট নেটের বাইরে গিয়ে পড়ে। ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার অনুশীলনে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করেন এবং প্রতিটি বল মোকাবেলা করার আগে কিছু সময় বিরতি নেন। বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদও তাঁকে শরীরের ভারসাম্য ও কাঁধের অবস্থান নিয়ে পরামর্শ দেন। শনিবার বাংলাদেশের অনুশীলনে অংশ না নিলেও রোববার ব্যাটিং অনুশীলনে ফেরেন তিনি, তবে এদিন তাঁকে উইকেটকিপিং অনুশীলন করতে দেখা যায়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ম্যাচে দীর্ঘ সময় উইকেটকিপিং ও ব্যাটিংয়ের শারীরিক ধকলের পর ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে চোটে পড়েন লিটন। বিসিবির মেডিকেল বিভাগ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে লিটনের ফিটনেস নিয়ে নতুন করে কোনো চিকিৎসা মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই। মেডিকেল পরীক্ষায় কোনো সমস্যা ধরা না পড়ায় পর্যাপ্ত বিশ্রামের পর ধীরে ধীরে অনুশীলনের চাপ বাড়িয়ে পূর্ণ ম্যাচ ফিটনেস অর্জনের পথে এগিয়ে যাবেন তিনি বলে আশা করা হচ্ছে।
লিটন খেলতে না পারলে উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে জাকের আলী অনিক একটি বিকল্প এবং অতিরিক্ত বিশেষজ্ঞ ব্যাটার খেলালে তাওহীদ হৃদয়কেও বিবেচনা করতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। লিটন ব্যাটার হিসেবে খেলার মতো ফিট হলেও উইকেটকিপিংয়ের জন্য উপযুক্ত না হলে দলকে আরও একটি সিদ্ধান্তের মুখে পড়তে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে একাদশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অতিরিক্ত একজন ব্যাটার অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>অক্টোবরের ২৪ দিনে রেমিট্যান্স এল ২১৩ কোটি ডলার</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9395/</link>
                <description><![CDATA[চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে এই পরিসংখ্যান জানা গেছে।
২০২৫ সালের ১ থেকে ২৪ অক্টোবর দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
এদিকে চলতি অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় সামগ্রিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রবাসীদের পাঠানো এই বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতির রিজার্ভকে আরও বেশি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 20:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9395/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে এই পরিসংখ্যান জানা গেছে।
২০২৫ সালের ১ থেকে ২৪ অক্টোবর দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ১৯ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
এদিকে চলতি অর্থবছর ২০২৬-২৭-এর ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় সামগ্রিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রবাসীদের পাঠানো এই বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতির রিজার্ভকে আরও বেশি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সংবিধান সংশোধনে সরকারের পণ্ডশ্রম সফল হবে না: শফিকুর রহমান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9394/</link>
                <description><![CDATA[সরকারকে সংবিধান সংশোধনের পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আরেকটি সংশোধন করলে একটি আদালত তা একদম হোয়াইটওয়াশ করে দেবে এবং এই পণ্ডশ্রমে তারা রাজি নন। জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি অতীত ভুলে গেছে বলে অভিযোগ করে জামায়াতের আমির বলেন, এই সংবিধান ফ্যাসিবাদের জন্মই শুধু দেয়নি, একে স্থায়ী রূপ দিতে চেয়েছিল। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে আপত্তি জানিয়ে দলটি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল এবং গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেয়নি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শফিকুর রহমান বলেন, সীমান্ত দিয়ে অর্থ, অস্ত্র ও মাদক প্রবেশ ঠেকাতে না পারলে সরকারের দেশ পরিচালনার যোগ্যতা নেই। চাঁদাবাজি ও দখলদারির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পঞ্চগড়ে কৃষকেরা চারটা লাউ এক টাকায় বিক্রি করলেও ঢাকায় তা ৪০ থেকে ৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
আলোচনা সভায় এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, তারেক রহমানকে অতীত থেকে সবক নিতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের লোকজনের কারণেই তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, একপেশে ও একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিল করে গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে এবং তারা জাতিকে ভুল বুঝিয়ে টিকে থাকার অপচেষ্টা করছে। আলোচনা সভায় জামায়াত ও অন্যান্য দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন এবং অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 18:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9394/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সরকারকে সংবিধান সংশোধনের পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আরেকটি সংশোধন করলে একটি আদালত তা একদম হোয়াইটওয়াশ করে দেবে এবং এই পণ্ডশ্রমে তারা রাজি নন। জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি অতীত ভুলে গেছে বলে অভিযোগ করে জামায়াতের আমির বলেন, এই সংবিধান ফ্যাসিবাদের জন্মই শুধু দেয়নি, একে স্থায়ী রূপ দিতে চেয়েছিল। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে আপত্তি জানিয়ে দলটি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল এবং গণভোটে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেয়নি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শফিকুর রহমান বলেন, সীমান্ত দিয়ে অর্থ, অস্ত্র ও মাদক প্রবেশ ঠেকাতে না পারলে সরকারের দেশ পরিচালনার যোগ্যতা নেই। চাঁদাবাজি ও দখলদারির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পঞ্চগড়ে কৃষকেরা চারটা লাউ এক টাকায় বিক্রি করলেও ঢাকায় তা ৪০ থেকে ৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
আলোচনা সভায় এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, তারেক রহমানকে অতীত থেকে সবক নিতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের লোকজনের কারণেই তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, একপেশে ও একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিল করে গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে এবং তারা জাতিকে ভুল বুঝিয়ে টিকে থাকার অপচেষ্টা করছে। আলোচনা সভায় জামায়াত ও অন্যান্য দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও বক্তব্য রাখেন এবং অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>যুক্তরাষ্ট্রে ৪২০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে অডি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9393/</link>
                <description><![CDATA[জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অডি যুক্তরাষ্ট্রে তাদের প্রথম কারখানা স্থাপনে ৪২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ১০ দিন আগে শনিবার তিনি এ ঘোষণা দেন। অডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিনিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, নতুন কারখানাটিতে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে একটি অসাধারণ কোম্পানির বিপুল গাড়ি উৎপাদন বিনিয়োগের ঘোষণা দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বলেন, অডি জর্জিয়ার ম্যাকন শহরের কাছে ৪২০ কোটি ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে। আগামী মাসে সেখানে একটি বিশাল কারখানা নির্মাণের কাজ শুরু হবে, যেখানে বছরে ২ লাখ গাড়ি উৎপাদন করা হবে।
তবে ফক্সভাগেন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অডি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কারখানাটির নির্মাণকাজ আগামী বছর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং ২০৩০-এর দশকের শুরুর দিকে সেখানে উৎপাদন শুরু হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই পরিকল্পিত বিনিয়োগের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানো এবং ইউরোপ ও চীনের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকাকে অডির বৈশ্বিক উৎপাদন নেটওয়ার্কের তৃতীয় প্রধান স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে ট্রাম্প নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ ও পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে গাড়িও রয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় জেনারেল মোটরস, টয়োটা ও ফোর্ডসহ বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কারখানার উৎপাদন সম্প্রসারণ কিংবা বিদেশ থেকে উৎপাদন কার্যক্রম সরিয়ে আনার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 16:01:50 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9393/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[জার্মান গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অডি যুক্তরাষ্ট্রে তাদের প্রথম কারখানা স্থাপনে ৪২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ১০ দিন আগে শনিবার তিনি এ ঘোষণা দেন। অডি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিনিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, নতুন কারখানাটিতে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে আয়োজিত এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে একটি অসাধারণ কোম্পানির বিপুল গাড়ি উৎপাদন বিনিয়োগের ঘোষণা দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বলেন, অডি জর্জিয়ার ম্যাকন শহরের কাছে ৪২০ কোটি ডলার বিনিয়োগে সম্মত হয়েছে। আগামী মাসে সেখানে একটি বিশাল কারখানা নির্মাণের কাজ শুরু হবে, যেখানে বছরে ২ লাখ গাড়ি উৎপাদন করা হবে।
তবে ফক্সভাগেন গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অডি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কারখানাটির নির্মাণকাজ আগামী বছর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং ২০৩০-এর দশকের শুরুর দিকে সেখানে উৎপাদন শুরু হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই পরিকল্পিত বিনিয়োগের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটানো এবং ইউরোপ ও চীনের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকাকে অডির বৈশ্বিক উৎপাদন নেটওয়ার্কের তৃতীয় প্রধান স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে ট্রাম্প নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশ ও পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মধ্যে গাড়িও রয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় জেনারেল মোটরস, টয়োটা ও ফোর্ডসহ বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কারখানার উৎপাদন সম্প্রসারণ কিংবা বিদেশ থেকে উৎপাদন কার্যক্রম সরিয়ে আনার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে সাতে আফগানিস্তান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9392/</link>
                <description><![CDATA[সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। পাকিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত দু’টি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই র‌্যাংকিং হালনাগাদ করেছে আইসিসি।
পাকিস্তানের চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে দুই ম্যাচ খেলে দু’টিতেই হেরে দুই ধাপ পিছিয়ে অষ্টম স্থানে নেমে গেছে ইংলিশরা। অন্যদিকে, আরব আমিরাতে সদ্য শেষ হওয়া টুর্নামেন্টে লিগ পর্ব ও ফাইনালে জিতে এক ধাপ উন্নতি করেছে আফগানরা।
গত শুক্রবার শারজায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জেতে আফগানিস্তান। এই ত্রিদেশীয় সিরিজে ইংল্যান্ডের পতনে এক ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠেছে শ্রীলংকা, যাদের রেটিং ৯৫, আফগানিস্তানের ৯৪ এবং ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৯৩ রেটিং।
ফাইনালে হারলেও জিম্বাবুয়ের দুই রেটিং পয়েন্ট বেড়ে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা একাদশ স্থানে রয়েছে। ত্রিদেশীয় সিরিজে ভালো করতে না পেরে দুই রেটিং পয়েন্ট হারিয়ে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানেই আছে বাংলাদেশ।
শীর্ষ পাঁচে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং ১১৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ভারত। পরের চারটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 14:01:55 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9392/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট দল। পাকিস্তান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত দু’টি ত্রিদেশীয় সিরিজের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে এই র‌্যাংকিং হালনাগাদ করেছে আইসিসি।
পাকিস্তানের চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে দুই ম্যাচ খেলে দু’টিতেই হেরে দুই ধাপ পিছিয়ে অষ্টম স্থানে নেমে গেছে ইংলিশরা। অন্যদিকে, আরব আমিরাতে সদ্য শেষ হওয়া টুর্নামেন্টে লিগ পর্ব ও ফাইনালে জিতে এক ধাপ উন্নতি করেছে আফগানরা।
গত শুক্রবার শারজায় অনুষ্ঠিত ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা জেতে আফগানিস্তান। এই ত্রিদেশীয় সিরিজে ইংল্যান্ডের পতনে এক ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠেছে শ্রীলংকা, যাদের রেটিং ৯৫, আফগানিস্তানের ৯৪ এবং ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৯৩ রেটিং।
ফাইনালে হারলেও জিম্বাবুয়ের দুই রেটিং পয়েন্ট বেড়ে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা একাদশ স্থানে রয়েছে। ত্রিদেশীয় সিরিজে ভালো করতে না পেরে দুই রেটিং পয়েন্ট হারিয়ে ৮১ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানেই আছে বাংলাদেশ।
শীর্ষ পাঁচে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং ১১৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ভারত। পরের চারটি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বর্তমান সংসদ পাঁচ বছর টিকবে কি না সন্দেহ নাহিদের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9391/</link>
                <description><![CDATA[বর্তমান জাতীয় সংসদ পাঁচ বছর টিকবে কি না, সেই বিষয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় এক প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে আগামী ৩০ অক্টোবর শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি।
প্রচারপত্র বিতরণের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর গঠিত এই জাতীয় সংসদের কোনো মূল্য নেই এবং এখানে জনগণের কণ্ঠস্বরের মূল্যায়ন করা হয় না। এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
আইনশৃঙ্খলা ও জ্বালানি খাতের তীব্র সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতির জন্য প্রথম পদক্ষেপে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এবং জ্বালানি খাতের ব্যর্থতার দায় নিয়ে জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়া সংবিধান সংশোধন কমিটির নামে চলা প্রহসন বন্ধ করার দাবি জানিয়ে তিনি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান।
যাত্রাবাড়ীর এই কর্মসূচিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির ঘোষিত মেয়রপ্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আলী আহসান জুনায়েদ ও এস এম শাহরিয়া উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ৩০ অক্টোবরের গণবিক্ষোভ সফল করতে আজ বিকেলে ঢাকার উত্তরার অঞ্চলেও প্রচারপত্র বিতরণ করেছে এনসিপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 12:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9391/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বর্তমান জাতীয় সংসদ পাঁচ বছর টিকবে কি না, সেই বিষয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় এক প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে আগামী ৩০ অক্টোবর শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে এনসিপি।
প্রচারপত্র বিতরণের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর গঠিত এই জাতীয় সংসদের কোনো মূল্য নেই এবং এখানে জনগণের কণ্ঠস্বরের মূল্যায়ন করা হয় না। এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করে তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
আইনশৃঙ্খলা ও জ্বালানি খাতের তীব্র সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতির জন্য প্রথম পদক্ষেপে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এবং জ্বালানি খাতের ব্যর্থতার দায় নিয়ে জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়া সংবিধান সংশোধন কমিটির নামে চলা প্রহসন বন্ধ করার দাবি জানিয়ে তিনি অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান।
যাত্রাবাড়ীর এই কর্মসূচিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপির ঘোষিত মেয়রপ্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, আলী আহসান জুনায়েদ ও এস এম শাহরিয়া উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, ৩০ অক্টোবরের গণবিক্ষোভ সফল করতে আজ বিকেলে ঢাকার উত্তরার অঞ্চলেও প্রচারপত্র বিতরণ করেছে এনসিপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সৌদি আরবের মক্কা ও জেদ্দায় বিপদের সতর্কতা জারি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9390/</link>
                <description><![CDATA[সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা শুক্রবার দেশটির পবিত্র মক্কা নগরী অবস্থিত মক্কা প্রদেশে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করেছে। একই দিনে জেদ্দা শহরের জন্যও এই সতর্কতা জারি করা হয়, তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইয়েমেনে পুনরায় শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের অংশ হিসেবে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরব। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিকটতম নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
ঢাকা থেকে ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস পরিবেশিত সংবাদে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 10:00:07 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9390/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা শুক্রবার দেশটির পবিত্র মক্কা নগরী অবস্থিত মক্কা প্রদেশে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করেছে। একই দিনে জেদ্দা শহরের জন্যও এই সতর্কতা জারি করা হয়, তবে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইয়েমেনে পুনরায় শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের অংশ হিসেবে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলার শিকার হয়েছে সৌদি আরব। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিকটতম নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
ঢাকা থেকে ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস পরিবেশিত সংবাদে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>কোম্পানির সুস্থ হতে লাগবে কয়েক সপ্তাহ: বায়ার্ন মিউনিখ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9389/</link>
                <description><![CDATA[শুক্রবার অনুশীলন মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর ভাইরাসজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বায়ার্নের ক্রীড়া পরিচালক ম্যাক্স এবার্ল নিশ্চিত করেছেন যে কোম্পানি এখনো হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি ও বেলজিয়াম অধিনায়কের শারীরিক অবস্থার প্রকৃতি নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন এবার্ল।
রোববার বুন্দেসলিগায় ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ম্যাচে ৪০ বছর বয়সী কোম্পানির পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করবেন তাঁর ইংলিশ সহকারী কোচ অ্যারন ড্যাঙ্কস। তবে সুস্থ হতে কোম্পানির কত দিন লাগবে তা এখনো নিশ্চিত নয় এবং ক্লাব জানিয়েছে এর জন্য দিন নয়, বরং কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। কোম্পানির অনুপস্থিতিতে শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে কথা বলে ড্যাঙ্কস জানান, শুক্রবার সাবেক এই সেন্টার-ব্যাকের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা হলেও কোনো ফুটবল নিয়ে আলোচনা হয়নি।
রোববারের বুন্দেসলিগার ম্যাচ স্থগিত করার কথা ক্লাবটি বিবেচনা করেনি বলে জানিয়েছেন এবার্ল এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন দল ভালো খেলে ইতিবাচক ফল অর্জন করবে। ড্যাঙ্কস নিশ্চিত করেছেন যে মঙ্গলবার থেকে পারিবারিক শোকের কারণে ছুটিতে থাকা জার্মান অধিনায়ক জশুয়া কিমিচ রোববারের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। ভাইরাসজনিত অসুস্থতার কারণে প্রাক-ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকলেও বুধবার আর্সেনালের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ম্যাচে ডাগআউটে ফিরেছিলেন কোম্পানি।
আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচের পর কোম্পানি বলেছিলেন, অসুস্থতা নিয়েও জোর করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় তাঁর শরীর একপর্যায়ে আর সাড়া দেয়নি। রোববারের ম্যাচের আগে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন বুন্দেসলিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে এবং তাদের চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রেইবুর্গ। বায়ার্নের পরবর্তী চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ ৩ নভেম্বর এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে। ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের বাসস পরিবেশিত সংবাদে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 08:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9389/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[শুক্রবার অনুশীলন মাঠে অসুস্থ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর ভাইরাসজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বায়ার্নের ক্রীড়া পরিচালক ম্যাক্স এবার্ল নিশ্চিত করেছেন যে কোম্পানি এখনো হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি ও বেলজিয়াম অধিনায়কের শারীরিক অবস্থার প্রকৃতি নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন এবার্ল।
রোববার বুন্দেসলিগায় ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ম্যাচে ৪০ বছর বয়সী কোম্পানির পরিবর্তে দায়িত্ব পালন করবেন তাঁর ইংলিশ সহকারী কোচ অ্যারন ড্যাঙ্কস। তবে সুস্থ হতে কোম্পানির কত দিন লাগবে তা এখনো নিশ্চিত নয় এবং ক্লাব জানিয়েছে এর জন্য দিন নয়, বরং কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। কোম্পানির অনুপস্থিতিতে শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে কথা বলে ড্যাঙ্কস জানান, শুক্রবার সাবেক এই সেন্টার-ব্যাকের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা হলেও কোনো ফুটবল নিয়ে আলোচনা হয়নি।
রোববারের বুন্দেসলিগার ম্যাচ স্থগিত করার কথা ক্লাবটি বিবেচনা করেনি বলে জানিয়েছেন এবার্ল এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন দল ভালো খেলে ইতিবাচক ফল অর্জন করবে। ড্যাঙ্কস নিশ্চিত করেছেন যে মঙ্গলবার থেকে পারিবারিক শোকের কারণে ছুটিতে থাকা জার্মান অধিনায়ক জশুয়া কিমিচ রোববারের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। ভাইরাসজনিত অসুস্থতার কারণে প্রাক-ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকলেও বুধবার আর্সেনালের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ম্যাচে ডাগআউটে ফিরেছিলেন কোম্পানি।
আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচের পর কোম্পানি বলেছিলেন, অসুস্থতা নিয়েও জোর করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় তাঁর শরীর একপর্যায়ে আর সাড়া দেয়নি। রোববারের ম্যাচের আগে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন বুন্দেসলিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে এবং তাদের চেয়ে এক পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ফ্রেইবুর্গ। বায়ার্নের পরবর্তী চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ ৩ নভেম্বর এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে। ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের বাসস পরিবেশিত সংবাদে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সড়ক নিরাপত্তা দিবসে ইয়ামাহার সচেতনতামূলক কর্মসূচি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9388/</link>
                <description><![CDATA[আন্তর্জাতিক সড়ক নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে সারা দেশে একযোগে সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (ওয়াইআরসি)। গত ২২ অক্টোবর আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ক্লাবের ৮৪টি গ্রুপ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্লাবের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। এর মাধ্যমে মোটরসাইকেল আরোহী, গণপরিবহনচালক ও পথচারীদের কাছে নিরাপদ সড়কের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সড়কে স্পিড ব্রেকার রং করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন মানা, হেলমেট ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল সড়ক ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 06:00:08 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9388/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আন্তর্জাতিক সড়ক নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে সারা দেশে একযোগে সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (ওয়াইআরসি)। গত ২২ অক্টোবর আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ক্লাবের ৮৪টি গ্রুপ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্লাবের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। এর মাধ্যমে মোটরসাইকেল আরোহী, গণপরিবহনচালক ও পথচারীদের কাছে নিরাপদ সড়কের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সড়কে স্পিড ব্রেকার রং করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন মানা, হেলমেট ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল সড়ক ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক স্খলনে কঠোর শাস্তির দাবি হেফাজতের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9387/</link>
                <description><![CDATA[কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক পদস্খলনের দায়ে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়েছে যে এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা বা আপস করা চলবে না। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে এই যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
বিবৃতিতে সব স্কুল ও মাদ্রাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়। কওমি মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সর্বোচ্চ শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি গঠন বা পূর্বের কমিটি সচল রাখতে হবে এবং অনৈতিক আচরণের অভিযোগের তদন্ত করে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
মাদ্রাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন এবং অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশ দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে কোনো মাদ্রাসায় কমিটি না থাকলে বা ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। হেফাজতের নেতারা বলেন যে শুধু কমিটি গঠন করলেই হবে না, বরং কমিটিকে কার্যকর রেখে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে স্কুল ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ এবং সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 04:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9387/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈতিক পদস্খলনের দায়ে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়েছে যে এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা বা আপস করা চলবে না। সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে এই যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান।
বিবৃতিতে সব স্কুল ও মাদ্রাসাকে নিজ নিজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়। কওমি মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধে গত ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সর্বোচ্চ শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি গঠন বা পূর্বের কমিটি সচল রাখতে হবে এবং অনৈতিক আচরণের অভিযোগের তদন্ত করে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
মাদ্রাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী মনিটরিং সেল গঠন এবং অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশ দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে কোনো মাদ্রাসায় কমিটি না থাকলে বা ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। হেফাজতের নেতারা বলেন যে শুধু কমিটি গঠন করলেই হবে না, বরং কমিটিকে কার্যকর রেখে অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলে স্কুল ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ এবং সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9386/</link>
                <description><![CDATA[ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানা ও এর আশপাশের এলাকায় শনিবার প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম জানিয়েছে, একই সঙ্গে মোচা শহরেও প্রায় ২০টি হামলা চালানো হয়েছে।
সানা থেকে এএফপি জানায়, হুতিদের আল-মাসিরা টেলিভিশন সানায় একাধিক বিমান হামলার খবর প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সানা প্রদেশের একটি সিমেন্ট কারখানায় পৃথক হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সম্প্রচারমাধ্যমটি। এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, তাইফ ও ইয়ানবুর দিকে হুতিদের ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে সৌদি আরব ইয়েমেনের সংঘাতে সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর সংঘাত স্তিমিত হলেও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের প্রভাবে গত জুলাইয়ে ইয়েমেনে তা আবারও শুরু হয়।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 02:00:13 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9386/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানা ও এর আশপাশের এলাকায় শনিবার প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি বাহিনী। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম জানিয়েছে, একই সঙ্গে মোচা শহরেও প্রায় ২০টি হামলা চালানো হয়েছে।
সানা থেকে এএফপি জানায়, হুতিদের আল-মাসিরা টেলিভিশন সানায় একাধিক বিমান হামলার খবর প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে হামলায় অন্তত তিনজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সানা প্রদেশের একটি সিমেন্ট কারখানায় পৃথক হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সম্প্রচারমাধ্যমটি। এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, তাইফ ও ইয়ানবুর দিকে হুতিদের ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে সৌদি আরব ইয়েমেনের সংঘাতে সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করে। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতির পর সংঘাত স্তিমিত হলেও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের প্রভাবে গত জুলাইয়ে ইয়েমেনে তা আবারও শুরু হয়।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>কাচপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9385/</link>
                <description><![CDATA[ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাচপুর ইউনিয়নের পুরান বাজার সংলগ্ন এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, প্রতিরোধের উপায় এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে বাড়িঘর, দোকানপাট ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. হোসাইন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল কাদির সাউদ ও হালিম আজাদ। এছাড়া কাচপুর যুব সমাজ সংগঠনের পরিচালক মো. মাহফুজ আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি সংগঠনের দায়িত্ব নয়; এটি সবার সামাজিক দায়িত্ব। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পুরোনো টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।বক্তারা আরও বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা লিফলেট বিতরণ প্রচারে পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটি এবং সৌজন্যে ছিলেন সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্ট।&#160;পরে কাচপুর পুরান বাজার ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 00:45:00 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9385/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাচপুর ইউনিয়নের পুরান বাজার সংলগ্ন এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, প্রতিরোধের উপায় এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে বাড়িঘর, দোকানপাট ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. হোসাইন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল কাদির সাউদ ও হালিম আজাদ। এছাড়া কাচপুর যুব সমাজ সংগঠনের পরিচালক মো. মাহফুজ আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি সংগঠনের দায়িত্ব নয়; এটি সবার সামাজিক দায়িত্ব। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র, ফুলের টব, ডাবের খোসা, পুরোনো টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে, সেসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।বক্তারা আরও বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা লিফলেট বিতরণ প্রচারে পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটি এবং সৌজন্যে ছিলেন সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্ট।&#160;পরে কাচপুর পুরান বাজার ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ক সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আফগানিস্তানের কাছে হেরে সিরিজ ড্র করল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9384/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) : ওমানের আল আমেরাত স্টেডিয়ামে গতকাল চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে চার উইকেটে হেরে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ড্র করেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের পর সিরিজ জয়ের সম্ভাবনায় এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ দুই ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে দেয় আফগানিস্তান।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ফরিদ হাসানের একক লড়াইয়ে ৯ উইকেটে ২১৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। অন্য ব্যাটারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের বিপরীতে ফরিদ করেন ১৪৫ বলে ৮২ রান, যেখানে ছিল চারটি বাউন্ডারি। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আলামিন হোসেন রনি ও রবিউল ইসলাম অনিক।
জবাবে ৪৮.১ ওভারে ৬ উইকেটে ২২২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান, ফলে চার ম্যাচের সিরিজটি ড্র হয়। আফগানিস্তানের হয়ে তাহির সারওয়ারি অপরাজিত ৬৭ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন এবং তাঁকে দারুণভাবে সহায়তা করেন ৬০ রান করা সুবহান জাখাইল। বাংলাদেশ যুব দলের হয়ে আল আমিন হোসেন দুটি উইকেট নেন।
]]></description>
                <pubDate>Sun, 25 Oct 2026 00:00:21 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9384/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) : ওমানের আল আমেরাত স্টেডিয়ামে গতকাল চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে চার উইকেটে হেরে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ড্র করেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের পর সিরিজ জয়ের সম্ভাবনায় এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ দুই ম্যাচে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে দেয় আফগানিস্তান।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ফরিদ হাসানের একক লড়াইয়ে ৯ উইকেটে ২১৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। অন্য ব্যাটারদের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের বিপরীতে ফরিদ করেন ১৪৫ বলে ৮২ রান, যেখানে ছিল চারটি বাউন্ডারি। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আলামিন হোসেন রনি ও রবিউল ইসলাম অনিক।
জবাবে ৪৮.১ ওভারে ৬ উইকেটে ২২২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান, ফলে চার ম্যাচের সিরিজটি ড্র হয়। আফগানিস্তানের হয়ে তাহির সারওয়ারি অপরাজিত ৬৭ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন এবং তাঁকে দারুণভাবে সহায়তা করেন ৬০ রান করা সুবহান জাখাইল। বাংলাদেশ যুব দলের হয়ে আল আমিন হোসেন দুটি উইকেট নেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ইউরোপে আগস্টে বাংলাদেশের ডেনিম রফতানি বাড়ল</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9383/</link>
                <description><![CDATA[ইউরোপীয় ইউনিয়নে চলতি বছরের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ডেনিম রফতানি ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৪ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ১১৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ইউরো।
এ মাসে বিশ্ববাজার থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ৪৩০ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। ইইউর মোট ডেনিম আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ গত বছরের আগস্টের ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে চলতি বছরের আগস্টে ৩১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে।
তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রফতানি ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ৮৬৯ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ৯২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ইউরো, যা থেকে বোঝা যায় আট মাসে রফতানি কমেছে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো।
তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, পোশাক আমদানিতে সামগ্রিক নিম্নমুখী প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও সুপ্রতিষ্ঠিত সরবরাহব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কারণে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। তিনি দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং নতুন শর্তাবলি পরিপালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 22:00:11 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9383/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ইউরোপীয় ইউনিয়নে চলতি বছরের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ডেনিম রফতানি ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৪ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ১১৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ইউরো।
এ মাসে বিশ্ববাজার থেকে ইইউর ডেনিম আমদানি ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ৪৩০ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। ইইউর মোট ডেনিম আমদানিতে বাংলাদেশের অংশ গত বছরের আগস্টের ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে চলতি বছরের আগস্টে ৩১ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে।
তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ইইউতে বাংলাদেশের ডেনিম রফতানি ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ৮৬৯ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই রফতানির পরিমাণ ছিল ৯২৩ দশমিক ১১ মিলিয়ন ইউরো, যা থেকে বোঝা যায় আট মাসে রফতানি কমেছে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো।
তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল জানান, পোশাক আমদানিতে সামগ্রিক নিম্নমুখী প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও সুপ্রতিষ্ঠিত সরবরাহব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার কারণে বাংলাদেশ শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। তিনি দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং নতুন শর্তাবলি পরিপালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>জাতীয় ঐক্য ও অস্তিত্ব রক্ষায় নিয়াজ আহমেদ খানের আহ্বান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9382/</link>
                <description><![CDATA[জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তি আবার ফিরে এলে তা প্রত্যেককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ভিশন পিস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (ভিপিএসএসসি) আয়োজিত ‘জাতীয় ঐক্য: সংকট উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এই সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি এতই শক্তিশালী যে এই শত্রুকে মোকাবিলার ক্ষমতা কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নির্দিষ্ট ঘরানার মানুষ বা সরকারের পক্ষেও এককভাবে সম্ভব নয়। তাই এই অভিন্ন হুমকির বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য পরস্পরের হাত ধরে রাখা দরকার। নেতিবাচক রাজনীতির কারণে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিভাজিত হয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনীতির ওপরে গিয়ে আমরা সবাই চাই বর্তমান সরকার সফল হোক এবং দেশে স্থিতিশীলতা থাকুক।
ঐক্য ধরে রাখতে হলে বিভাজন কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা দেখতে হবে বলে মন্তব্য করেন নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, খুবই পদ্ধতিগতভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গত দুই দশকে আমরা বিভাজিত হয়েছি এবং কট্টরবাদী ও উদারপন্থী—এমন বাইনারি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪—এগুলো বাংলাদেশের জাতিসত্তার মূল পরিচায়ক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর কোনো প্রয়োজন নেই।
জাতীয় ঐক্যের জন্য তিনটি আশাব্যঞ্জক সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানা রকম ষড়যন্ত্র ও লেবেলিংয়ের মধ্যেও তরুণদের কিছু প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে গেছে এবং তারা ঐক্যের পথে বড় ভূমিকা রাখছে। বর্তমান সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই গণ–অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হওয়ায় একটি অভিন্ন অবস্থানে আসার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি জানান। সভা সঞ্চালনা করেন ভিপিএসএসসির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহিল আমান আযমী এবং এতে আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 20:00:17 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9382/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শক্তি আবার ফিরে এলে তা প্রত্যেককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ভিশন পিস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (ভিপিএসএসসি) আয়োজিত ‘জাতীয় ঐক্য: সংকট উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এই সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তি এতই শক্তিশালী যে এই শত্রুকে মোকাবিলার ক্ষমতা কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান, নির্দিষ্ট ঘরানার মানুষ বা সরকারের পক্ষেও এককভাবে সম্ভব নয়। তাই এই অভিন্ন হুমকির বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য পরস্পরের হাত ধরে রাখা দরকার। নেতিবাচক রাজনীতির কারণে প্রতিটি ক্ষেত্রে বিভাজিত হয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনীতির ওপরে গিয়ে আমরা সবাই চাই বর্তমান সরকার সফল হোক এবং দেশে স্থিতিশীলতা থাকুক।
ঐক্য ধরে রাখতে হলে বিভাজন কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা দেখতে হবে বলে মন্তব্য করেন নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, খুবই পদ্ধতিগতভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গত দুই দশকে আমরা বিভাজিত হয়েছি এবং কট্টরবাদী ও উদারপন্থী—এমন বাইনারি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০, ২০২৪—এগুলো বাংলাদেশের জাতিসত্তার মূল পরিচায়ক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর কোনো প্রয়োজন নেই।
জাতীয় ঐক্যের জন্য তিনটি আশাব্যঞ্জক সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানা রকম ষড়যন্ত্র ও লেবেলিংয়ের মধ্যেও তরুণদের কিছু প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে গেছে এবং তারা ঐক্যের পথে বড় ভূমিকা রাখছে। বর্তমান সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই গণ–অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হওয়ায় একটি অভিন্ন অবস্থানে আসার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি জানান। সভা সঞ্চালনা করেন ভিপিএসএসসির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহিল আমান আযমী এবং এতে আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পারস্য উপসাগরে মার্কিন জাহাজ ঢুকতে দেবে না ইরান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9381/</link>
                <description><![CDATA[পারস্য উপসাগরে কোনো পরিস্থিতিতেই মার্কিন সামরিক জাহাজকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদুল্লাহি শনিবার এ কথা বলেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নতুন করে হামলার হুমকি বাড়তে থাকার মধ্যে এ বক্তব্য এলো।
আলী আবদুল্লাহি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পারস্য উপসাগরে প্রবেশের দৃশ্য স্বপ্নেই দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন নিয়েই তাকে কবরে যেতে হবে। এদিকে তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক সতর্ক করে বলেছেন, চলতি সপ্তাহান্তেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে-- এ সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানি বাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচল সীমিত করে রেখেছে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে। তেহরান প্রণালিটি দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোকে অনুমতি নিতে বাধ্য করছে এবং ওমানের উপকূলসংলগ্ন দক্ষিণ দিকের পথ দিয়ে অতিক্রমের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
গার্ডসের সেপাহ নিউজ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিস্ফোরণ ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জাহাজ দুটির ইঞ্জিনকক্ষ অচল হয়ে পড়েছে। শুক্রবার গার্ডস জানায়, কৌশলগত জলপথটিতে মাইনের আঘাতে ৪৫ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেলবাহী দুটি সুপারট্যাংকার সাগরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। শান্তিকালীন সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 18:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9381/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[পারস্য উপসাগরে কোনো পরিস্থিতিতেই মার্কিন সামরিক জাহাজকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলী আবদুল্লাহি শনিবার এ কথা বলেন। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নতুন করে হামলার হুমকি বাড়তে থাকার মধ্যে এ বক্তব্য এলো।
আলী আবদুল্লাহি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তার দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পারস্য উপসাগরে প্রবেশের দৃশ্য স্বপ্নেই দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন নিয়েই তাকে কবরে যেতে হবে। এদিকে তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক সতর্ক করে বলেছেন, চলতি সপ্তাহান্তেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে-- এ সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানি বাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচল সীমিত করে রেখেছে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে। তেহরান প্রণালিটি দিয়ে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোকে অনুমতি নিতে বাধ্য করছে এবং ওমানের উপকূলসংলগ্ন দক্ষিণ দিকের পথ দিয়ে অতিক্রমের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
গার্ডসের সেপাহ নিউজ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিস্ফোরণ ও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জাহাজ দুটির ইঞ্জিনকক্ষ অচল হয়ে পড়েছে। শুক্রবার গার্ডস জানায়, কৌশলগত জলপথটিতে মাইনের আঘাতে ৪৫ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেলবাহী দুটি সুপারট্যাংকার সাগরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। শান্তিকালীন সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ওয়েলসকে আটকে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের যুবাদের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9380/</link>
                <description><![CDATA[ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে আজারবাইজানের বাকুর হোভসান কমপ্লেক্সে ওয়েলস অনূর্ধ্ব-১৫ দলের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। শনিবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটিতে ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল। ম্যাচে দুই দলই গোল করার বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, তবে কেউই গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে উভয় দল।
বাংলাদেশ রয়েছে ‘জি’ গ্রুপে এবং এই গ্রুপের অন্য দলগুলো হলো ফিজি, বুরুন্ডি, ইন্দোনেশিয়া, পর্তুগাল ও ওয়েলস। আগামীকাল রোববার দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগাল ও ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর সোমবার ২৬ অক্টোবর বুরুন্ডি ও ফিজির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের বাকি দুটি ম্যাচ খেলবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
এবারই প্রথমবারের মত অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সভিত্তিক এই বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ১৯১টি দেশ। তরুণদের মধ্যে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি ও সব দেশকে বিশ্বকাপের আমেজে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই ম্যাচের সময় কমিয়ে মাত্র ৪০ মিনিট এবং মাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা আটজনে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
ওয়েলসের বিপক্ষে ড্র বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য আশাব্যাঞ্জক খবর হলেও অ-১৫ দলের কোচ আকবর হোসেন রিদন অবশ্য পারফরম্যান্সে খুশি নন। আজারবাইজানে বাফুফের দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন যে তারা সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেননি এবং ওয়েলস শারীরিক ও টেকনিক্যালি অনেক শক্তিশালী। বিশেষ করে বিল্ড আপে অনেক ভুল হয়েছে এবং ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ তারাই মিস করেছে বলে জানান তিনি।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 16:00:08 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9380/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে আজারবাইজানের বাকুর হোভসান কমপ্লেক্সে ওয়েলস অনূর্ধ্ব-১৫ দলের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। শনিবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটিতে ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল। ম্যাচে দুই দলই গোল করার বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল, তবে কেউই গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে উভয় দল।
বাংলাদেশ রয়েছে ‘জি’ গ্রুপে এবং এই গ্রুপের অন্য দলগুলো হলো ফিজি, বুরুন্ডি, ইন্দোনেশিয়া, পর্তুগাল ও ওয়েলস। আগামীকাল রোববার দ্বিতীয় ম্যাচে পর্তুগাল ও ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর সোমবার ২৬ অক্টোবর বুরুন্ডি ও ফিজির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের বাকি দুটি ম্যাচ খেলবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
এবারই প্রথমবারের মত অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সভিত্তিক এই বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ১৯১টি দেশ। তরুণদের মধ্যে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি ও সব দেশকে বিশ্বকাপের আমেজে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই ম্যাচের সময় কমিয়ে মাত্র ৪০ মিনিট এবং মাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা আটজনে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
ওয়েলসের বিপক্ষে ড্র বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য আশাব্যাঞ্জক খবর হলেও অ-১৫ দলের কোচ আকবর হোসেন রিদন অবশ্য পারফরম্যান্সে খুশি নন। আজারবাইজানে বাফুফের দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন যে তারা সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেননি এবং ওয়েলস শারীরিক ও টেকনিক্যালি অনেক শক্তিশালী। বিশেষ করে বিল্ড আপে অনেক ভুল হয়েছে এবং ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ তারাই মিস করেছে বলে জানান তিনি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>নির্বাচনী ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিরোধের ডাক জামায়াত আমিরের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9379/</link>
                <description><![CDATA[জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভবিষ্যতে যেন একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় নির্বাচনে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করে শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ তাঁদের ভোট দিলেও তা রক্ষা করতে না পারার বিষয়টি তাঁদের দুর্বলতা ছিল। তবে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সর্বোচ্চ দিয়ে ও দিনরাত একাকার করে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রাচীর গড়ে তুলতে হবে এবং এবার আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, তাঁরা আর বসে বসে তামাশা দেখবেন না বরং সংগতভাবে প্রতিবাদ করবেন এবং যেখানে সামর্থ্য থাকবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের উদ্যোগে তৈরি ‘নাগরিক সেবা’ নামের একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন তিনি।
সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও আসন্ন মেয়র নির্বাচনে দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামীর মেয়র নির্বাচনে শক্তিশালী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রমাণ দিতে হবে। এতে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে যথাযথ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, এই সম্মেলনটি দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল যার মধ্যে সকালের সেশনে ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে রুকনরা ভোট দেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসেনের পরিচালনায় এই নির্বাচনে ১৩ হাজারের বেশি রুকন ভোট প্রদান করেন। বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া সাংগঠনিক সেশনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 14:01:42 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9379/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের ভুলত্রুটি ও দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভবিষ্যতে যেন একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয় নির্বাচনে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করে শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ তাঁদের ভোট দিলেও তা রক্ষা করতে না পারার বিষয়টি তাঁদের দুর্বলতা ছিল। তবে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সর্বোচ্চ দিয়ে ও দিনরাত একাকার করে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রাচীর গড়ে তুলতে হবে এবং এবার আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।
শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, তাঁরা আর বসে বসে তামাশা দেখবেন না বরং সংগতভাবে প্রতিবাদ করবেন এবং যেখানে সামর্থ্য থাকবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের উদ্যোগে তৈরি ‘নাগরিক সেবা’ নামের একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন তিনি।
সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও আসন্ন মেয়র নির্বাচনে দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামীর মেয়র নির্বাচনে শক্তিশালী ভূমিকা পালনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রমাণ দিতে হবে। এতে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে যথাযথ সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, এই সম্মেলনটি দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল যার মধ্যে সকালের সেশনে ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে রুকনরা ভোট দেন। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসেনের পরিচালনায় এই নির্বাচনে ১৩ হাজারের বেশি রুকন ভোট প্রদান করেন। বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া সাংগঠনিক সেশনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ইরানে ফের বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9378/</link>
                <description><![CDATA[ইরানে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই এই হামলা শুরু হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তেহরান কোনো চুক্তিতে না এলে আবারও ‘এপিক ফিউরি’র মতো অভিযান চালানো হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে। এটি সেখানে পৌঁছালে ওই অঞ্চলে মার্কিন রণতরির সংখ্যা তিনটিতে দাঁড়াবে। এছাড়া ওই অঞ্চলে আরও একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষক জেসন ক্যাম্পবেল।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের সুজান ম্যালোনি জানান, নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও জনঅসন্তোষের আশঙ্কায় ট্রাম্প এখনই হামলা চালাতে চান না। তবে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন এবং ইসরায়েলি বাহিনীকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা নতুন সংঘাতের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফর করে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ক্যাম্পবেলের মতে, যুদ্ধের আগের পর্যায়ের তুলনায় এখন ট্রাম্পের সামরিক বিকল্প অনেক সীমিত হয়ে এসেছে। ইরানের অধিকাংশ সামরিক স্থাপনা আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নতুন হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বর্তমানে দুই দেশের বাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজে পাল্টাপাল্টি হামলা ও বন্দর অবরোধের লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে। ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলো অচল রাখতে চাইছে, অন্যদিকে ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে। সেপ্টেম্বর থেকে স্থলভাগে বড় কোনো হামলা না হলেও পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 12:00:15 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9378/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ইরানে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই এই হামলা শুরু হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তেহরান কোনো চুক্তিতে না এলে আবারও ‘এপিক ফিউরি’র মতো অভিযান চালানো হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে। এটি সেখানে পৌঁছালে ওই অঞ্চলে মার্কিন রণতরির সংখ্যা তিনটিতে দাঁড়াবে। এছাড়া ওই অঞ্চলে আরও একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষক জেসন ক্যাম্পবেল।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের সুজান ম্যালোনি জানান, নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও জনঅসন্তোষের আশঙ্কায় ট্রাম্প এখনই হামলা চালাতে চান না। তবে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন এবং ইসরায়েলি বাহিনীকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা নতুন সংঘাতের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরায়েল সফর করে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ক্যাম্পবেলের মতে, যুদ্ধের আগের পর্যায়ের তুলনায় এখন ট্রাম্পের সামরিক বিকল্প অনেক সীমিত হয়ে এসেছে। ইরানের অধিকাংশ সামরিক স্থাপনা আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নতুন হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বর্তমানে দুই দেশের বাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজে পাল্টাপাল্টি হামলা ও বন্দর অবরোধের লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে। ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলো অচল রাখতে চাইছে, অন্যদিকে ইরান হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে। সেপ্টেম্বর থেকে স্থলভাগে বড় কোনো হামলা না হলেও পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আফগানদের কাছে সিরিজ হাতছাড়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9377/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস): ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পরও শেষ দুই ম্যাচ হেরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আজ সিরিজের চতুর্থ ও শেষ ওয়ানডেতে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশের যুবারা। প্রথম দুই ম্যাচ যথাক্রমে ৩৩ রানে এবং সুপার ওভারে জিতেছিল বাংলাদেশ এবং তৃতীয় ম্যাচ ৪৩ রানে জিতে সিরিজে ব্যবধান কমায় আফগানিস্তান। শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ ২-২ সমতায় শেষ করেছে আফগানরা।
ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ফরিদ হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২১৯ রান করে বাংলাদেশ। চার নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ৪টি চারে ১৪৫ বলে ৮২ রান করেন ফরিদ, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আলআমিন হোসেন রনি ও রবিউল ইসলাম অনিক এবং আহসান আল মুমিনের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। আফগানিস্তানের পক্ষে আমির হামজা ও সোহেল খান ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।
জবাবে সুবহান জাখাইল ও তাহির সারওয়ারির জোড়া হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে ১১ বল বাকি রেখেই জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান। ম্যাচে সুবহান ৬০ রান এবং তাহির অপরাজিত ৬৭ রান করেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে আল আমিন ২টি উইকেট নেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 10:00:12 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9377/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস): ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পরও শেষ দুই ম্যাচ হেরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। আজ সিরিজের চতুর্থ ও শেষ ওয়ানডেতে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশের যুবারা। প্রথম দুই ম্যাচ যথাক্রমে ৩৩ রানে এবং সুপার ওভারে জিতেছিল বাংলাদেশ এবং তৃতীয় ম্যাচ ৪৩ রানে জিতে সিরিজে ব্যবধান কমায় আফগানিস্তান। শেষ ম্যাচ জিতে সিরিজ ২-২ সমতায় শেষ করেছে আফগানরা।
ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ফরিদ হাসানের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২১৯ রান করে বাংলাদেশ। চার নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ৪টি চারে ১৪৫ বলে ৮২ রান করেন ফরিদ, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আলআমিন হোসেন রনি ও রবিউল ইসলাম অনিক এবং আহসান আল মুমিনের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। আফগানিস্তানের পক্ষে আমির হামজা ও সোহেল খান ৩টি করে উইকেট শিকার করেন।
জবাবে সুবহান জাখাইল ও তাহির সারওয়ারির জোড়া হাফ সেঞ্চুরির সুবাদে ১১ বল বাকি রেখেই জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান। ম্যাচে সুবহান ৬০ রান এবং তাহির অপরাজিত ৬৭ রান করেন, অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে আল আমিন ২টি উইকেট নেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>এভারকেয়ার হাসপাতালে মন্ত্রী মঈন খানকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9376/</link>
                <description><![CDATA[স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখতে শুক্রবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক রাষ্ট্রপতিকে মঈন খানের বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
শ্বাসকষ্ট ও হৃদ্‌রোগজনিত জটিলতা নিয়ে গত বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মঈন খান। বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 08:00:08 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9376/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখতে শুক্রবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রপতি মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।
কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক রাষ্ট্রপতিকে মঈন খানের বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
শ্বাসকষ্ট ও হৃদ্‌রোগজনিত জটিলতা নিয়ে গত বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মঈন খান। বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া গাড়ি থেকে চালককে উদ্ধার করলেন সাংবাদিক</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9375/</link>
                <description><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার এক টেলিভিশন সাংবাদিক বন্যার পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে এক চালককে উদ্ধার করেছেন। ক্রমেই বাড়তে থাকা পানিতে সাঁতরে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে বের করে আনতে সহায়তা করেন তিনি। শুক্রবার ঘটনাটিকে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন ওই সাংবাদিক।
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসির সাংবাদিক উইল মারে কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ব্রিসবেনে বন্যার সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তিনি একটি গাড়িকে পানিতে ডুবে যেতে দেখেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ড্যানিয়েল হ্যালির সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দেন মারে। তারা গাড়িটির ওপর উঠে দরজা খুলে ভেতরে আটকে পড়া চালককে উদ্ধার করেন।
শুক্রবার এবিসির ব্রেকফাস্ট টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মারে বলেন, ঘটনাটি সত্যিই ভয়ংকর ছিল। তিনি আরও বলেন, সৌভাগ্যবশত, আজ সকালে ভালো ঘুমের পর এবং হয়তো গত রাতে কয়েক গ্লাস রেড ওয়াইন পান করার পর এখন বেশ ভালো বোধ করছি।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা ওই সাংবাদিকের একটি নতুন ডাকনাম দিয়েছেন বলে জানান হ্যালি। তিনি বলেন, ম্যাড ডগ মারে... এখানকার মানুষ এখন তাকে এই নতুন নামেই ডাকছেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 06:00:08 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9375/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ার এক টেলিভিশন সাংবাদিক বন্যার পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে এক চালককে উদ্ধার করেছেন। ক্রমেই বাড়তে থাকা পানিতে সাঁতরে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে গাড়ি থেকে বের করে আনতে সহায়তা করেন তিনি। শুক্রবার ঘটনাটিকে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন ওই সাংবাদিক।
অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এবিসির সাংবাদিক উইল মারে কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ব্রিসবেনে বন্যার সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তিনি একটি গাড়িকে পানিতে ডুবে যেতে দেখেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ড্যানিয়েল হ্যালির সঙ্গে পানিতে ঝাঁপ দেন মারে। তারা গাড়িটির ওপর উঠে দরজা খুলে ভেতরে আটকে পড়া চালককে উদ্ধার করেন।
শুক্রবার এবিসির ব্রেকফাস্ট টেলিভিশন অনুষ্ঠানে মারে বলেন, ঘটনাটি সত্যিই ভয়ংকর ছিল। তিনি আরও বলেন, সৌভাগ্যবশত, আজ সকালে ভালো ঘুমের পর এবং হয়তো গত রাতে কয়েক গ্লাস রেড ওয়াইন পান করার পর এখন বেশ ভালো বোধ করছি।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা ওই সাংবাদিকের একটি নতুন ডাকনাম দিয়েছেন বলে জানান হ্যালি। তিনি বলেন, ম্যাড ডগ মারে... এখানকার মানুষ এখন তাকে এই নতুন নামেই ডাকছেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ঢাকা-বরিশাল রুটে গোলাপি শোভাযাত্রা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9374/</link>
                <description><![CDATA[স্তন ক্যান্সার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরতে ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখে শুরু হয়েছে গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা-২০২৬। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানী ঢাকা থেকে এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয় এবং বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের উদ্যোগে এতে অর্ধশতাধিক সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশ নিয়েছে। গোলাপি রঙে সজ্জিত একটি বিশেষ বাসে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বিশেষজ্ঞ সার্জন, ক্যান্সারজয়ী যোদ্ধা, সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মীরা এ অভিযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন। পথসভা, সংক্ষিপ্ত শোভাযাত্রা এবং সহজ বাংলায় লেখা তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ, সিওসি, ওয়াইডব্লিউসিএ, খোরশেদ জাহান হক ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল, নারীপক্ষ ও গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যান্সার হাসপাতাল। এছাড়া বিসিএফ, মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, ফ্রেন্ড অব বাংলাদেশ, জামালপুর সমিতি ঢাকা, পল্লীমা মহিলা পরিষদ, অপরাজিতা, টিএমএসএস, সিসিইপিআরবি, হিল, রোটারি ক্লাব ও ইনার হুইল ক্লাব জেলা ৩২৮সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এতে যুক্ত রয়েছে। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে শোভাযাত্রাটি শ্রীনগর, ভাঙ্গা, টেকেরহাট, রাজৈর, কালকিনি, টরকী বন্দর, গৌরনদী, বাটাজোর, শিকারপুর ও উজিরপুর হয়ে বরিশালে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পথে নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতামূলক সেশন, পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হবে এবং প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা বরিশালে রাত্রিযাপন করবেন।
পরবর্তী পর্যায়ে বরিশাল থেকে নলছিটি, ঝালকাঠি, দুর্গাসাগর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, রহমতপুর, মস্তফাপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও নড়িয়াসহ প্রায় ৪০টি ছোট-বড় জনপদে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা ও প্রচারপত্র বিতরণের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে এবং কর্মসূচি শেষে শোভাযাত্রাটি ঢাকায় ফিরে আসবে। এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর আগে শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী ও বিশিষ্ট ক্যান্সার রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন যে, স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাই তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত পরীক্ষা, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ক্যান্সার প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ শোভাযাত্রার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর হবে, মানুষ রোগটির লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হবে এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণে উৎসাহিত হবে।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 04:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9374/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[স্তন ক্যান্সার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরতে ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখে শুরু হয়েছে গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা-২০২৬। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানী ঢাকা থেকে এ সচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হয় এবং বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের উদ্যোগে এতে অর্ধশতাধিক সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অংশ নিয়েছে। গোলাপি রঙে সজ্জিত একটি বিশেষ বাসে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বিশেষজ্ঞ সার্জন, ক্যান্সারজয়ী যোদ্ধা, সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মীরা এ অভিযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন। পথসভা, সংক্ষিপ্ত শোভাযাত্রা এবং সহজ বাংলায় লেখা তথ্যসমৃদ্ধ লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ, সিওসি, ওয়াইডব্লিউসিএ, খোরশেদ জাহান হক ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল, নারীপক্ষ ও গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যান্সার হাসপাতাল। এছাড়া বিসিএফ, মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, ফ্রেন্ড অব বাংলাদেশ, জামালপুর সমিতি ঢাকা, পল্লীমা মহিলা পরিষদ, অপরাজিতা, টিএমএসএস, সিসিইপিআরবি, হিল, রোটারি ক্লাব ও ইনার হুইল ক্লাব জেলা ৩২৮সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এতে যুক্ত রয়েছে। শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে শোভাযাত্রাটি শ্রীনগর, ভাঙ্গা, টেকেরহাট, রাজৈর, কালকিনি, টরকী বন্দর, গৌরনদী, বাটাজোর, শিকারপুর ও উজিরপুর হয়ে বরিশালে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। পথে নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতামূলক সেশন, পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হবে এবং প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা বরিশালে রাত্রিযাপন করবেন।
পরবর্তী পর্যায়ে বরিশাল থেকে নলছিটি, ঝালকাঠি, দুর্গাসাগর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, রহমতপুর, মস্তফাপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও নড়িয়াসহ প্রায় ৪০টি ছোট-বড় জনপদে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা ও প্রচারপত্র বিতরণের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে এবং কর্মসূচি শেষে শোভাযাত্রাটি ঢাকায় ফিরে আসবে। এ আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এর আগে শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী ও বিশিষ্ট ক্যান্সার রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন যে, স্তন ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। তাই তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত পরীক্ষা, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ক্যান্সার প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ হুমায়ুন কবির স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ শোভাযাত্রার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর হবে, মানুষ রোগটির লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হবে এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণে উৎসাহিত হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সাইবার সতর্কতায় দ্বিতীয় দিনও বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9373/</link>
                <description><![CDATA[বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতা পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজেদের ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় ওয়েবসাইটটি এখনো চালু করা হয়নি। তবে এর সাথে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংযোগ স্বাভাবিক রয়েছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালুর বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা এখনো জানানো হয়নি এবং আজ রাত ৮টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এটি অপ্রবেশযোগ্য ছিল। সাইটে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানে একটি রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত বার্তা দেখতে পান ব্যবহারকারীরা।
উল্লেখ্য, সরকারও বর্তমানে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এর আগে ২০১৬ সালে হ্যাকাররা নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ সরিয়ে নিয়েছিল। এছাড়া ২০২৩ সালের সম্ভাব্য সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অভ্যন্তরীণ সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিল।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 02:00:08 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9373/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতা পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজেদের ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় ওয়েবসাইটটি এখনো চালু করা হয়নি। তবে এর সাথে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সংযোগ স্বাভাবিক রয়েছে এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালুর বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা এখনো জানানো হয়নি এবং আজ রাত ৮টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এটি অপ্রবেশযোগ্য ছিল। সাইটে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানে একটি রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত বার্তা দেখতে পান ব্যবহারকারীরা।
উল্লেখ্য, সরকারও বর্তমানে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা দুর্বলতা নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এর আগে ২০১৬ সালে হ্যাকাররা নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের অর্থ সরিয়ে নিয়েছিল। এছাড়া ২০২৩ সালের সম্ভাব্য সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অভ্যন্তরীণ সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছিল।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>মধ্যবিত্তের ডিম খাওয়া অর্ধেকের বেশি কমেছে: নাহিদ ইসলাম</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9372/</link>
                <description><![CDATA[দেশে জ্বালানি তেল, এলপিজি ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ চরম কষ্টে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এখন একজন মানুষ বাজারে গিয়ে এক বা দুটি আইটেমের বেশি সবজি কিনতে পারেন না এবং একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ডিম খাওয়ার পরিমাণও অর্ধেকের বেশি কমে গেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এনসিপির প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবর শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
কারওয়ান বাজার থেকে প্রচারপত্র বিতরণ শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করে নাহিদ বলেন, এটি কাঁচাবাজার ও সবজির প্রধান কেন্দ্র হলেও এখানে চাঁদাবাজি ও দখলদারির কথা শোনা যায়। দেশের যেসব জায়গায় চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, দখলদার ও সিন্ডিকেটবাজরা জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করছে, তার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের প্রতিহত করতে হবে। বর্তমান সরকারকে গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার সংস্কার বাস্তবায়ন করেনি এবং তাদের সর্বাত্মক প্রতিরোধ ছাড়া জনগণের অধিকার আদায় হবে না। সার্বিকভাবে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে সুস্পষ্টভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল এবং এখনো তারা আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিন্দুমাত্র কৃতিত্ব সরকারের নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কোনো নিরাপত্তা দিতে পারেনি, বরং সাধারণ মানুষ, বিরোধী দল ও মাদ্রাসার ছাত্ররা রাজনৈতিক-সামাজিকভাবে এই পূজায় সহযোগিতা করেছে। অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন আগামী ৩০ অক্টোবর বেলা তিনটায় শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং পরে নেতারা কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীদের হাতে প্রচারপত্র তুলে দেন।
]]></description>
                <pubDate>Sat, 24 Oct 2026 00:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9372/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দেশে জ্বালানি তেল, এলপিজি ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ চরম কষ্টে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এখন একজন মানুষ বাজারে গিয়ে এক বা দুটি আইটেমের বেশি সবজি কিনতে পারেন না এবং একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের ডিম খাওয়ার পরিমাণও অর্ধেকের বেশি কমে গেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এনসিপির প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবর শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।
কারওয়ান বাজার থেকে প্রচারপত্র বিতরণ শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করে নাহিদ বলেন, এটি কাঁচাবাজার ও সবজির প্রধান কেন্দ্র হলেও এখানে চাঁদাবাজি ও দখলদারির কথা শোনা যায়। দেশের যেসব জায়গায় চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, দখলদার ও সিন্ডিকেটবাজরা জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করছে, তার বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের প্রতিহত করতে হবে। বর্তমান সরকারকে গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এই সরকার সংস্কার বাস্তবায়ন করেনি এবং তাদের সর্বাত্মক প্রতিরোধ ছাড়া জনগণের অধিকার আদায় হবে না। সার্বিকভাবে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে সুস্পষ্টভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল এবং এখনো তারা আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করে দেশ চালাচ্ছে। দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিন্দুমাত্র কৃতিত্ব সরকারের নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কোনো নিরাপত্তা দিতে পারেনি, বরং সাধারণ মানুষ, বিরোধী দল ও মাদ্রাসার ছাত্ররা রাজনৈতিক-সামাজিকভাবে এই পূজায় সহযোগিতা করেছে। অনুষ্ঠানে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন আগামী ৩০ অক্টোবর বেলা তিনটায় শাহবাগে গণবিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং পরে নেতারা কারওয়ান বাজারে ব্যবসায়ীদের হাতে প্রচারপত্র তুলে দেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>এপেক সম্মেলনের আগে ট্রাম্প-কিম বৈঠক নিয়ে জল্পনা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9371/</link>
                <description><![CDATA[আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এপেক সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সমবেত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। ট্রাম্প বারবার আগ্রহ প্রকাশ করলেও পিয়ংইয়ং এখনো এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছে এবং বিশেষজ্ঞরা এমন বৈঠকের সম্ভাবনা এখনো ক্ষীণ বলে মনে করছেন। গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন আগামী মাসে এশিয়া সফরের সময় কিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে এবং এমন বৈঠক রোমাঞ্চকর হবে।
কিউংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিম উল-চুল এএফপিকে জানান যে তিনি এই বৈঠকের সম্ভাবনা প্রায় দেখতেই পাচ্ছেন না এবং কিম জং উনের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি বজায় রাখাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে তিনবার কিমের সঙ্গে বৈঠক করলেও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। এরপর থেকে উত্তর কোরিয়া তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের কাজ অব্যাহত রেখেছে এবং পিয়ংইয়ং বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা আর পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত নয়।
রাশিয়ার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক সুবিধা পাওয়ায় কৌশলগত গতিপ্রবাহ এখন কিমের অনুকূলে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে সহায়তা করতে সেনা ও অস্ত্র পাঠানোর মাধ্যমে কিম রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন যা জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার চাপ মোকাবিলায় সাহায্য করেছে। ঢাকা থেকে বাসস জানায় ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের এই প্রতিবেদনে বলা হয় উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি টানা তৃতীয় বছরের মতো ৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 22:00:18 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9371/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আগামী নভেম্বরে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এপেক সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সমবেত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উনের সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। ট্রাম্প বারবার আগ্রহ প্রকাশ করলেও পিয়ংইয়ং এখনো এ বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছে এবং বিশেষজ্ঞরা এমন বৈঠকের সম্ভাবনা এখনো ক্ষীণ বলে মনে করছেন। গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন আগামী মাসে এশিয়া সফরের সময় কিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে এবং এমন বৈঠক রোমাঞ্চকর হবে।
কিউংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিম উল-চুল এএফপিকে জানান যে তিনি এই বৈঠকের সম্ভাবনা প্রায় দেখতেই পাচ্ছেন না এবং কিম জং উনের জন্য বর্তমান পরিস্থিতি বজায় রাখাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে তিনবার কিমের সঙ্গে বৈঠক করলেও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি। এরপর থেকে উত্তর কোরিয়া তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের কাজ অব্যাহত রেখেছে এবং পিয়ংইয়ং বারবার স্পষ্ট করেছে যে তারা আর পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত নয়।
রাশিয়ার কাছ থেকে তাৎক্ষণিক সুবিধা পাওয়ায় কৌশলগত গতিপ্রবাহ এখন কিমের অনুকূলে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধকে সহায়তা করতে সেনা ও অস্ত্র পাঠানোর মাধ্যমে কিম রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পেয়েছেন যা জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার চাপ মোকাবিলায় সাহায্য করেছে। ঢাকা থেকে বাসস জানায় ২৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের এই প্রতিবেদনে বলা হয় উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি টানা তৃতীয় বছরের মতো ৩ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বায়ুদূষণে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র চরম হুমকির মুখে</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9370/</link>
                <description><![CDATA[সুন্দরবনের চারপাশে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানা থেকে ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনটির বাস্তুতন্ত্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বায়ুদূষণ সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম ব্যাহত করছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল এইচ খান বলেন, শিল্পদূষণ ধীরগতির বিষের মতো কাজ করে এবং এর প্রভাব ক্রমে জমা হতে থাকে। সিইজিআইসের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা এ খান উল্লেখ করেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত শিল্পায়নের ফলে সংলগ্ন বনাঞ্চলের বায়ুর গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অধ্যাপক মনিরুল আরও বলেন, বায়ুদূষণ সরাসরি উদ্ভিদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে এবং শিল্পকারখানার ধুলাবালি পাতার ওপর জমলে সালোকসংশ্লেষণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। উদ্ভিদরাজি খাদ্যজালের ভিত্তি তৈরি করায় উদ্ভিদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হলে বন্যপ্রাণী ও সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সিইজিআইএস এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের যৌথ গবেষণায় সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সূক্ষ্ম বস্তুকণা ও ধুলিকণার বিপজ্জনক মাত্রা শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে সুন্দরবনের খুলনা, সাতক্ষীরা, শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে এ গবেষণার মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, শরণখোলা রেঞ্জে পিএম২.৫-এর ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ১০২ মাইক্রোগ্রামে পৌঁছেছে এবং পিএম১০-এর মাত্রা সর্বোচ্চ প্রতি ঘনমিটারে ১১৪ মাইক্রোগ্রাম রেকর্ড করা হয়েছে। দূষণমাত্রার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চাঁদপাই রেঞ্জে পিএম২.৫-এর ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৮৯ দশমিক ৩ মাইক্রোগ্রাম এবং পিএম১০-এর ঘনত্ব ৯৮ দশমিক ১ মাইক্রোগ্রাম পাওয়া গেছে। সিইজিআইএস-আরণ্যক ফাউন্ডেশনের যৌথ গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র অবিলম্বে স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার এবং ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত এই বন সমৃদ্ধ বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাঘের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এ বনটির অস্তিত্বের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 20:00:20 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9370/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সুন্দরবনের চারপাশে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানা থেকে ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনটির বাস্তুতন্ত্রের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বায়ুদূষণ সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম ব্যাহত করছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল এইচ খান বলেন, শিল্পদূষণ ধীরগতির বিষের মতো কাজ করে এবং এর প্রভাব ক্রমে জমা হতে থাকে। সিইজিআইসের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা এ খান উল্লেখ করেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত শিল্পায়নের ফলে সংলগ্ন বনাঞ্চলের বায়ুর গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অধ্যাপক মনিরুল আরও বলেন, বায়ুদূষণ সরাসরি উদ্ভিদের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে এবং শিল্পকারখানার ধুলাবালি পাতার ওপর জমলে সালোকসংশ্লেষণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। উদ্ভিদরাজি খাদ্যজালের ভিত্তি তৈরি করায় উদ্ভিদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হলে বন্যপ্রাণী ও সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সিইজিআইএস এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের যৌথ গবেষণায় সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সূক্ষ্ম বস্তুকণা ও ধুলিকণার বিপজ্জনক মাত্রা শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে সুন্দরবনের খুলনা, সাতক্ষীরা, শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে এ গবেষণার মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, শরণখোলা রেঞ্জে পিএম২.৫-এর ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ১০২ মাইক্রোগ্রামে পৌঁছেছে এবং পিএম১০-এর মাত্রা সর্বোচ্চ প্রতি ঘনমিটারে ১১৪ মাইক্রোগ্রাম রেকর্ড করা হয়েছে। দূষণমাত্রার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চাঁদপাই রেঞ্জে পিএম২.৫-এর ঘনত্ব প্রতি ঘনমিটারে ৮৯ দশমিক ৩ মাইক্রোগ্রাম এবং পিএম১০-এর ঘনত্ব ৯৮ দশমিক ১ মাইক্রোগ্রাম পাওয়া গেছে। সিইজিআইএস-আরণ্যক ফাউন্ডেশনের যৌথ গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র অবিলম্বে স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার এবং ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত এই বন সমৃদ্ধ বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাঘের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত এ বনটির অস্তিত্বের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>দেশের বাজারে ফের কমলো স্বর্ণের দাম, দুই দিনে কমলো ৩৮৪৯ টাকা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9369/</link>
                <description><![CDATA[দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় এই সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা দাম কমানো হয়েছিল। ফলে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ভরিতে মোট ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা হ্রাস পেল।
বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা দরে বিক্রি হবে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কিছুটা কমানো হয়েছে। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের রুপার দামও সমপরিমাণ কমে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা হয়েছে। এসব দামের সাথে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 18:00:28 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9369/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় এই সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা দাম কমানো হয়েছিল। ফলে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ভরিতে মোট ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা হ্রাস পেল।
বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা দরে বিক্রি হবে।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কিছুটা কমানো হয়েছে। প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের রুপার দামও সমপরিমাণ কমে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা হয়েছে। এসব দামের সাথে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বাড়াতে নেই কোনো আইন</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9368/</link>
                <description><![CDATA[সংসদীয় কমিটি কাউকে সাক্ষ্য দিতে তলব করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রও চাইতে পারে। কিন্তু কেউ তলবে সাড়া না দিলে তাঁকে হাজির করা বা নথি দিতে বাধ্য করার পূর্ণাঙ্গ আইনি ক্ষমতা কমিটির নেই। স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও এ ঘাটতি দূর করতে কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি।
সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সংসদীয় কমিটির গঠন ও দায়িত্বের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। একই অনুচ্ছেদে আইন করে কমিটিকে সাক্ষী হাজির করা এবং দলিলপত্র দাখিলে বাধ্য করার ক্ষমতা দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু আইন না থাকায় তলব অমান্য করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, সে বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ বিধান নেই।
অতীতে একাধিক ঘটনায় কমিটির তলব উপেক্ষা করার নজির রয়েছে। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একটি খসড়া তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আইনে পরিণত হয়নি। ফলে সংসদীয় কমিটির তদন্তের ক্ষমতা বাড়ানো এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।
সংসদ বিষয়ে গবেষক নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, এ আইন অবশ্যই হওয়া উচিত। সংসদীয় কমিটি যদি কোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বাধ্য করতে না পারে, তবে কমিটির কার্যকর ক্ষমতা খর্ব হয় এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 16:00:17 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9368/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সংসদীয় কমিটি কাউকে সাক্ষ্য দিতে তলব করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রও চাইতে পারে। কিন্তু কেউ তলবে সাড়া না দিলে তাঁকে হাজির করা বা নথি দিতে বাধ্য করার পূর্ণাঙ্গ আইনি ক্ষমতা কমিটির নেই। স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও এ ঘাটতি দূর করতে কোনো আইন প্রণয়ন করা হয়নি।
সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সংসদীয় কমিটির গঠন ও দায়িত্বের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। একই অনুচ্ছেদে আইন করে কমিটিকে সাক্ষী হাজির করা এবং দলিলপত্র দাখিলে বাধ্য করার ক্ষমতা দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু আইন না থাকায় তলব অমান্য করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, সে বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ বিধান নেই।
অতীতে একাধিক ঘটনায় কমিটির তলব উপেক্ষা করার নজির রয়েছে। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একটি খসড়া তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আইনে পরিণত হয়নি। ফলে সংসদীয় কমিটির তদন্তের ক্ষমতা বাড়ানো এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।
সংসদ বিষয়ে গবেষক নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, এ আইন অবশ্যই হওয়া উচিত। সংসদীয় কমিটি যদি কোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বাধ্য করতে না পারে, তবে কমিটির কার্যকর ক্ষমতা খর্ব হয় এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ইউরোপজুড়ে তরুণদের ক্ষোভ ও বিক্ষোভ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9367/</link>
                <description><![CDATA[গত কয়েক সপ্তাহে ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কয়েক লাখ স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। কোনো কোনো বিক্ষোভ সহিংসতায়ও রূপ নিয়েছে এবং সরকারগুলো মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্রান্সের কিছু এলাকায় আংশিক কারফিউ জারি করা হয়েছে, আর ইতালিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাসদস্য। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ তাদের মূল দাবিগুলোকে আড়াল করছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলতে পারে।
পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের ১৯ বছর বয়সী মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী লুইস মার্কেস জানান যে রাজনীতিকেরা বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও একেবারেই অযৌক্তিক উপায়ে পরিস্থিতির জবাব দিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে লাগামহীন বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরক্ষা খাতের পরিবর্তে শিক্ষায় বেশি অর্থ ব্যয় এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো। আন্তর্জাতিক সমাজতাত্ত্বিক সমিতির সভাপতি জিওফ্রে প্লেয়ার্স বলেন যে এই তরুণেরা মনে করেন না যে রাজনীতিতে তাদের কোনো জায়গা আছে বা তাদের কথা শোনা হচ্ছে।
ইতালির রাজধানী রোমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবরোধ, মাদ্রিদে তাঁবু গেড়ে অবস্থান এবং ফ্রান্সের রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে তরুণরা রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সের বোর্দো শহরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ২০ বছর বয়সী এডি জানান যে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করেও মানুষের কেনাকাটার ঝুড়ি ভরার সামর্থ্য থাকে না। মাদ্রিদের ২২ বছর বয়সী পরীক্ষাগারের মাননিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিবিদ মার্কোস নাভারো আবাসন ব্যয় বৃদ্ধি ও উচ্ছেদের প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় চত্বরে তাঁবু গেড়ে অবস্থান করছেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সামরিক ব্যয় বাড়ানোর প্রবণতাও তরুণদের বিক্ষোভের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ১৭ বছর বয়সী হাইস্কুল শিক্ষার্থী নিকোস মাভরুদিস জানান যে সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর পরিবর্তে তার স্কুলের পেছনে অর্থ ব্যয় করা হলে তা বেশি কাজে আসত। রোমের দখল করা মর্গাগনি হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ অবকাঠামোকে কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।
ইতালির বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ইউনিয়নের সমন্বয়ক ২৪ বছর বয়সী সাবরিনা ব্রিজোলা বলেন যে তাদের সংগঠনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত এই প্রজন্মের ক্ষোভকে সংগঠিত করা এবং গঠনমূলক পথে পরিচালিত করা। রোমের কাভুর হাইস্কুলের ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী দামিয়ানো ফুসা জানান যে তাদের প্রতিনিধিত্ব করার মতো কেউ নেই এবং তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছেন। ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 14:01:39 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9367/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[গত কয়েক সপ্তাহে ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কয়েক লাখ স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। কোনো কোনো বিক্ষোভ সহিংসতায়ও রূপ নিয়েছে এবং সরকারগুলো মূলত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্রান্সের কিছু এলাকায় আংশিক কারফিউ জারি করা হয়েছে, আর ইতালিতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাসদস্য। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ তাদের মূল দাবিগুলোকে আড়াল করছে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তুলতে পারে।
পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের ১৯ বছর বয়সী মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী লুইস মার্কেস জানান যে রাজনীতিকেরা বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও একেবারেই অযৌক্তিক উপায়ে পরিস্থিতির জবাব দিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে লাগামহীন বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরক্ষা খাতের পরিবর্তে শিক্ষায় বেশি অর্থ ব্যয় এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো। আন্তর্জাতিক সমাজতাত্ত্বিক সমিতির সভাপতি জিওফ্রে প্লেয়ার্স বলেন যে এই তরুণেরা মনে করেন না যে রাজনীতিতে তাদের কোনো জায়গা আছে বা তাদের কথা শোনা হচ্ছে।
ইতালির রাজধানী রোমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবরোধ, মাদ্রিদে তাঁবু গেড়ে অবস্থান এবং ফ্রান্সের রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে তরুণরা রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সের বোর্দো শহরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ২০ বছর বয়সী এডি জানান যে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করেও মানুষের কেনাকাটার ঝুড়ি ভরার সামর্থ্য থাকে না। মাদ্রিদের ২২ বছর বয়সী পরীক্ষাগারের মাননিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিবিদ মার্কোস নাভারো আবাসন ব্যয় বৃদ্ধি ও উচ্ছেদের প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় চত্বরে তাঁবু গেড়ে অবস্থান করছেন।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সামরিক ব্যয় বাড়ানোর প্রবণতাও তরুণদের বিক্ষোভের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ১৭ বছর বয়সী হাইস্কুল শিক্ষার্থী নিকোস মাভরুদিস জানান যে সামরিক খাতে ব্যয় বাড়ানোর পরিবর্তে তার স্কুলের পেছনে অর্থ ব্যয় করা হলে তা বেশি কাজে আসত। রোমের দখল করা মর্গাগনি হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ অবকাঠামোকে কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।
ইতালির বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ইউনিয়নের সমন্বয়ক ২৪ বছর বয়সী সাবরিনা ব্রিজোলা বলেন যে তাদের সংগঠনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত এই প্রজন্মের ক্ষোভকে সংগঠিত করা এবং গঠনমূলক পথে পরিচালিত করা। রোমের কাভুর হাইস্কুলের ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী দামিয়ানো ফুসা জানান যে তাদের প্রতিনিধিত্ব করার মতো কেউ নেই এবং তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছেন। ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সঠিক পথেই বাংলাদেশের হ্যান্ডবল, আশাবাদী কোচ আলোনসো</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9366/</link>
                <description><![CDATA[আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে ভারতের কাছে হারলেও বাংলাদেশ নারী হ্যান্ডবল দলের সামগ্রিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়া। বৃহস্পতিবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারত ২৮-১৬ গোলে জয়ী হয়। ম্যাচ শেষে কোচ জানান, দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো দলের সঙ্গে লড়াই করার মতো সঠিক পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ।
দলের উন্নতির জন্য খেলোয়াড়দের শারীরিক ফিটনেস এবং রক্ষণভাগের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আলোনসো। তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের কেবল হ্যান্ডবল খেলোয়াড় হলে চলবে না, সামগ্রিকভাবে অ্যাথলেট হয়ে উঠতে হবে। এছাড়া ব্যক্তিগত টেকনিক ও ট্যাকটিকসের উন্নতির মাধ্যমে রক্ষণভাগকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তিনি।
ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতা নিয়ে কোচ বলেন, ভারতের গোলরক্ষক দিকশা কুমারীর অসাধারণ পারফরম্যান্সই ম্যাচে বড় ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। এটি নিয়মিত কোনো সমস্যা নয় বরং নির্দিষ্ট দিনের পারফরম্যান্সের ফল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য শুধু জাতীয় দলের ক্যাম্পে নয়, বরং সারা বছর ক্লাব পর্যায়ে কঠোর অনুশীলনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
ভবিষ্যতে শক্তিশালী দল গঠনের লক্ষ্যে দেশে নিয়মিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতা ও লিগ আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এই স্প্যানিশ কোচ। তিনি খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, কেবল আনন্দের জন্য নয়, নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 12:00:11 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9366/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে ভারতের কাছে হারলেও বাংলাদেশ নারী হ্যান্ডবল দলের সামগ্রিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট স্প্যানিশ কোচ আনা আলোনসো ফ্রাগুয়া। বৃহস্পতিবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ভারত ২৮-১৬ গোলে জয়ী হয়। ম্যাচ শেষে কোচ জানান, দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো দলের সঙ্গে লড়াই করার মতো সঠিক পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ।
দলের উন্নতির জন্য খেলোয়াড়দের শারীরিক ফিটনেস এবং রক্ষণভাগের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আলোনসো। তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের কেবল হ্যান্ডবল খেলোয়াড় হলে চলবে না, সামগ্রিকভাবে অ্যাথলেট হয়ে উঠতে হবে। এছাড়া ব্যক্তিগত টেকনিক ও ট্যাকটিকসের উন্নতির মাধ্যমে রক্ষণভাগকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তিনি।
ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতা নিয়ে কোচ বলেন, ভারতের গোলরক্ষক দিকশা কুমারীর অসাধারণ পারফরম্যান্সই ম্যাচে বড় ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। এটি নিয়মিত কোনো সমস্যা নয় বরং নির্দিষ্ট দিনের পারফরম্যান্সের ফল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য শুধু জাতীয় দলের ক্যাম্পে নয়, বরং সারা বছর ক্লাব পর্যায়ে কঠোর অনুশীলনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
ভবিষ্যতে শক্তিশালী দল গঠনের লক্ষ্যে দেশে নিয়মিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতা ও লিগ আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এই স্প্যানিশ কোচ। তিনি খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলেন, কেবল আনন্দের জন্য নয়, নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>দক্ষিণ এশিয়ার সেরা পর্যটন গন্তব্য হোক বাংলাদেশ: ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9365/</link>
                <description><![CDATA[প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও আতিথেয়তাকে পর্যটনের শক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ আরিফি। তিনি মনে করেন, পর্যটন মানে কেবল দর্শনীয় স্থান দেখা নয়, বরং যাতায়াত, আবাসন, নিরাপত্তা ও স্থানীয় সংস্কৃতির সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতার নামই হলো প্রকৃত পর্যটন।
শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান বা কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতকে বিশ্বমানের করতে হলে সেখানে স্থানীয় খাবার, হস্তশিল্প ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও উন্নত চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক অবকাঠামো নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ছুটি গ্রুপ গাজীপুর, পূর্বাচল ও পুবাইলে আইএসও সনদপ্রাপ্ত রিসোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি নতুন বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচ তারকা মানের &#039;ছুটি সিগনেচার&#039;, &#039;ছুটি বিচ রিসোর্ট&#039; এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য &#039;আনন্দবাড়ি&#039;র মতো বিশেষায়িত উদ্যোগ।
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন মোস্তফা মাহমুদ আরিফি। তার মতে, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পর্যটনশিল্পকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 10:00:12 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9365/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও আতিথেয়তাকে পর্যটনের শক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ছুটি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ আরিফি। তিনি মনে করেন, পর্যটন মানে কেবল দর্শনীয় স্থান দেখা নয়, বরং যাতায়াত, আবাসন, নিরাপত্তা ও স্থানীয় সংস্কৃতির সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতার নামই হলো প্রকৃত পর্যটন।
শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান বা কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতকে বিশ্বমানের করতে হলে সেখানে স্থানীয় খাবার, হস্তশিল্প ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও উন্নত চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক অবকাঠামো নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ছুটি গ্রুপ গাজীপুর, পূর্বাচল ও পুবাইলে আইএসও সনদপ্রাপ্ত রিসোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি নতুন বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচ তারকা মানের &#039;ছুটি সিগনেচার&#039;, &#039;ছুটি বিচ রিসোর্ট&#039; এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য &#039;আনন্দবাড়ি&#039;র মতো বিশেষায়িত উদ্যোগ।
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন মোস্তফা মাহমুদ আরিফি। তার মতে, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পর্যটনশিল্পকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ইউরেশিয়ায় বহিরাগত হস্তক্ষেপে সরব চীন ও রাশিয়া</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9364/</link>
                <description><![CDATA[ইউরেশিয়া অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পেছনে বহিরাগতদের বিধ্বংসী হস্তক্ষেপকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে চীন ও রাশিয়া। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশ এই পরিস্থিতির কঠোর নিন্দা জানিয়েছে। রাশিয়া সফররত চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ও প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের বৈঠকের পর এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, ইউরেশীয় সংহতি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দুই দেশই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেকোনো ধরনের বহিরাগত হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করবে বেইজিং। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একে অপরকে দৃঢ় সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশ দুটি।
এদিকে, ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সম্মেলনের কর্মসূচিতে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। তবে চীন ও রাশিয়ার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এই সম্ভাব্য ত্রিদেশীয় বৈঠকের বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 08:00:26 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9364/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ইউরেশিয়া অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নষ্ট করার পেছনে বহিরাগতদের বিধ্বংসী হস্তক্ষেপকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে চীন ও রাশিয়া। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশ এই পরিস্থিতির কঠোর নিন্দা জানিয়েছে। রাশিয়া সফররত চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ও প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিনের বৈঠকের পর এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, ইউরেশীয় সংহতি প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দুই দেশই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেকোনো ধরনের বহিরাগত হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করবে বেইজিং। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একে অপরকে দৃঢ় সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশ দুটি।
এদিকে, ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ওই সম্মেলনের কর্মসূচিতে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। তবে চীন ও রাশিয়ার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে এই সম্ভাব্য ত্রিদেশীয় বৈঠকের বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ওয়ানডেতে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ব্রুকের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9363/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) : দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন হ্যারি ব্রুক। বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে ব্রুকের রেকর্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড। মাত্র ১১৬ বলে ২০২ রান করেন ব্রুক। এর মধ্য দিয়ে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম ইংলিশ ব্যাটারও হয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ড অধিনায়কের ইনিংসে ছিল ১০টি ছক্কা ও ২১টি চার। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের মাটিতে ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো ৪০০ রানের বেশি সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড। ব্রুক ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এর মধ্য দিয়ে গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের শুভমান গিলের ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি।
ব্রুকের সঙ্গে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন জো রুটও। ৬৬ বলে ৬৯ রান করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। নিজের ১৯৭তম ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ইনিংসের শেষ বলে পেসার জানিথ লিয়ানাগের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ব্রুক। তবে তার আগে শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ডের সংগ্রহে যোগ করেন ১৫৬ রান।
ওপেনার টম ব্যান্টন ৫১ বলে ৫০ রান করে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন। উইল জ্যাকস ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও আটটি চার। তবে দিনটি ছিল রেকর্ড গড়া ব্রুকেরই। চতুর্থ উইকেটে জ্যাকসের সঙ্গে মাত্র ৭৯ বলে ১৮৫ রান যোগ করেন তিনি। এর আগে তৃতীয় উইকেটে রুটের সঙ্গে ১৫৯ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডের ইনিংসকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান ব্রুক। পাকিস্তানের কোনো ভেন্যুতে এর আগে সর্বোচ্চ ওয়ানডে দলীয় সংগ্রহ ছিল ২০১৫ সালে লাহোরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে স্বাগতিকদের করা ৩ উইকেটে ৩৭৫ রান। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 06:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9363/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) : দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন হ্যারি ব্রুক। বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে ব্রুকের রেকর্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ৪২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড। মাত্র ১১৬ বলে ২০২ রান করেন ব্রুক। এর মধ্য দিয়ে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করা প্রথম ইংলিশ ব্যাটারও হয়েছেন তিনি।
ইংল্যান্ড অধিনায়কের ইনিংসে ছিল ১০টি ছক্কা ও ২১টি চার। তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের মাটিতে ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো ৪০০ রানের বেশি সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড। ব্রুক ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এর মধ্য দিয়ে গত মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভারতের শুভমান গিলের ১১৭ বলে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি।
ব্রুকের সঙ্গে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন জো রুটও। ৬৬ বলে ৬৯ রান করেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। নিজের ১৯৭তম ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৮ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ইনিংসের শেষ বলে পেসার জানিথ লিয়ানাগের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ব্রুক। তবে তার আগে শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ডের সংগ্রহে যোগ করেন ১৫৬ রান।
ওপেনার টম ব্যান্টন ৫১ বলে ৫০ রান করে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন। উইল জ্যাকস ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল তিনটি ছক্কা ও আটটি চার। তবে দিনটি ছিল রেকর্ড গড়া ব্রুকেরই। চতুর্থ উইকেটে জ্যাকসের সঙ্গে মাত্র ৭৯ বলে ১৮৫ রান যোগ করেন তিনি। এর আগে তৃতীয় উইকেটে রুটের সঙ্গে ১৫৯ রানের জুটি গড়ে ইংল্যান্ডের ইনিংসকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান ব্রুক। পাকিস্তানের কোনো ভেন্যুতে এর আগে সর্বোচ্চ ওয়ানডে দলীয় সংগ্রহ ছিল ২০১৫ সালে লাহোরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে স্বাগতিকদের করা ৩ উইকেটে ৩৭৫ রান। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বাঁওড়ের উন্নয়ন ও জেলেদের জীবিকা বৃদ্ধিতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9362/</link>
                <description><![CDATA[দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদফতর। পাঁচ বছর মেয়াদি &quot;নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা&quot; শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা এবং প্রশিক্ষণ ও সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে। যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক বলেন, এটি একটি সমাজভিত্তিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প এবং দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড়ের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্পের ঘাটতি রয়েছে। অনেক বাঁওড় অগভীর হয়ে যাওয়ায় মাছের বসবাস ও উৎপাদনের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে জলাশয়ের উন্নয়ন এবং সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খনন করে গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ খাতে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, খামার যান্ত্রিকীকরণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং পানি সরবরাহের জন্য ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। নির্বাচিত জলাশয় চিহ্নিত করে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, মাছের নিরাপত্তায় নজরদারি এবং স্থানীয় মানুষকে প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ও বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা বর্তমানে মূল্যায়নাধীন রয়েছে এবং প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 04:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9362/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদফতর। পাঁচ বছর মেয়াদি &quot;নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা&quot; শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা এবং প্রশিক্ষণ ও সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে। যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মৎস্য অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক বলেন, এটি একটি সমাজভিত্তিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প এবং দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড়ের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্পের ঘাটতি রয়েছে। অনেক বাঁওড় অগভীর হয়ে যাওয়ায় মাছের বসবাস ও উৎপাদনের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে জলাশয়ের উন্নয়ন এবং সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খনন করে গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং এ খাতে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, খামার যান্ত্রিকীকরণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং পানি সরবরাহের জন্য ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। নির্বাচিত জলাশয় চিহ্নিত করে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, মাছের নিরাপত্তায় নজরদারি এবং স্থানীয় মানুষকে প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ও বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা বর্তমানে মূল্যায়নাধীন রয়েছে এবং প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ফ্রান্সে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ, ট্রাম্পকে মাখোঁর কটাক্ষ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9361/</link>
                <description><![CDATA[সংকট সামাল দিতে হিমশিম খাওয়া মাখোঁ ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্রাম্প ও সম্ভবত ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা পেতে বোকামিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। নেতানিয়াহুও বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারে রয়েছেন এবং দোহায় মাখোঁ সাংবাদিকদের বলেন যে কিছু মানুষ ফ্রান্সের ক্ষতিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান দলের পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় ট্রাম্প ফ্রান্সের অস্থিরতার সঙ্গে অভিবাসী, জিহাদি ও কমিউনিস্টদের যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করেছেন।
ফ্রান্সে আবারও বিক্ষোভের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার প্যারিসের কয়েকটি এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ এবং প্যারিসে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ফরাসি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে যার মধ্যে রয়েছে প্রেসিডেন্টের বাসভবন এলিসি প্রাসাদ, পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ ও পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান লুভর জাদুঘর ও শঁজেলিজে সড়ক। বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানাঁ বুধবার জানান যে বিক্ষোভ চলাকালে ও পরে আটক হওয়া ২ হাজার ৫০০ জনের মধ্যে ১৭৪ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং আরও ৯১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস জানিয়েছে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ফ্রান্সে এই অস্থিরতা আর্থিক বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং দেশটির ক্রমবর্ধমান ঋণ ও বাজেট ঘাটতি নিয়ে আগে থেকেই বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হতে আর ছয় মাস বাকি রয়েছে এবং এর মধ্যে সহিংসতা ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে ও আর্থিক বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 02:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9361/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সংকট সামাল দিতে হিমশিম খাওয়া মাখোঁ ইঙ্গিত দিয়েছেন, ট্রাম্প ও সম্ভবত ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা পেতে বোকামিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। নেতানিয়াহুও বর্তমানে নির্বাচনী প্রচারে রয়েছেন এবং দোহায় মাখোঁ সাংবাদিকদের বলেন যে কিছু মানুষ ফ্রান্সের ক্ষতিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান দলের পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় ট্রাম্প ফ্রান্সের অস্থিরতার সঙ্গে অভিবাসী, জিহাদি ও কমিউনিস্টদের যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করেছেন।
ফ্রান্সে আবারও বিক্ষোভের আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার প্যারিসের কয়েকটি এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ এবং প্যারিসে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ফরাসি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে যার মধ্যে রয়েছে প্রেসিডেন্টের বাসভবন এলিসি প্রাসাদ, পার্লামেন্টের উভয় কক্ষ ও পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান লুভর জাদুঘর ও শঁজেলিজে সড়ক। বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানাঁ বুধবার জানান যে বিক্ষোভ চলাকালে ও পরে আটক হওয়া ২ হাজার ৫০০ জনের মধ্যে ১৭৪ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং আরও ৯১৭ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস জানিয়েছে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ফ্রান্সে এই অস্থিরতা আর্থিক বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং দেশটির ক্রমবর্ধমান ঋণ ও বাজেট ঘাটতি নিয়ে আগে থেকেই বিনিয়োগকারীরা উদ্বিগ্ন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হতে আর ছয় মাস বাকি রয়েছে এবং এর মধ্যে সহিংসতা ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ক্ষতি করেছে ও আর্থিক বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>পেলে ও ম্যারাডোনা কেন ব্যালন ডি’অর জেতেননি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9360/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস): বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ২৬ অক্টোবর লন্ডন প্যালাডিয়ামে আয়োজিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের জন্য। আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের সম্মানিত করা হবে, যার মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি তার ৭০ বছর পূর্ণ করছে। কিন্তু একটি বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে ফুটবল মাঠে পা রাখা সর্বকালের সেরা দুই খেলোয়াড় পেলে ও দিয়েগো ম্যারাডোনা কখনো প্রতিযোগিতামূলক ব্যালন ডি’অর জেতেননি।
১৯৫৬ সালে ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল যখন ব্যালন ডি’অর চালু করে, তখন পুরস্কারটি কেবল ইউরোপে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য নির্ধারিত ছিল। এর অর্থ হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের খেলোয়াড়রা যতই অসাধারণ পারফরম্যান্স করুন না কেন, তারা এই পুরস্কারের জন্য যোগ্য বিবেচিত হতেন না। ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে তার ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসে খেলেছেন, ফলে নিয়ম অনুযায়ী তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পুরস্কারটির জন্য অযোগ্য ছিলেন।
ম্যারাডোনাকেও একই সমস্যায় পড়তে হয়েছিল এবং বার্সেলোনা ও নাপোলির মতো ইউরোপের বড় ক্লাবে খেললেও আর্জেন্টিনার নাগরিক হওয়ায় তিনি ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচিত হননি। ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনা যখন প্রায় একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন, তখনও তাকে ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচনা করা হয়নি। একইভাবে, ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে তিনটি বিশ্বকাপ জেতা পেলের ভাগ্যেও জোটেনি এই পুরস্কার। সবকিছুই ছিল তখনকার নিয়মের কারণে।
১৯৯৫ সালে ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনে ইউরোপীয় ক্লাবের হয়ে খেলা যেকোনো দেশের ফুটবলারকে পুরস্কারের জন্য বিবেচনার সুযোগ দেওয়া হয়। ওই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিলেন লাইবেরিয়ার স্ট্রাইকার জর্জ উইয়াহ যিনি পিএসজি ও এসি মিলানের হয়ে খেলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন। ২০০৭ সালে নিয়ম আরও সম্প্রসারিত হলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা ফুটবলারদের জন্য পুরস্কারটি উন্মুক্ত হয়, তবে তত দিনে পেলে ও ম্যারাডোনা অনেক আগেই ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছিলেন।
তারা দুজনই ফুটবলে নিজেদের অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন এবং অসাধারণ ক্যারিয়ারের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৫ সালে ম্যারাডোনাকে একটি সম্মানসূচক ব্যালন ডি’অর দেওয়া হয়। পেলেকেও ২০১৩ সালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সম্মানসূচক ফিফা ব্যালন ডি’অর দেওয়া হয়, তবে এসব সম্মাননা ব্যালন ডি’অরের আনুষ্ঠানিক বিজয়ীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানো লিওনেল মেসি আটবার এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পাঁচবার এই পুরস্কার জিতলেও পেলে ও ম্যারাডোনার এটি না জেতা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনা হয়ে আছে।
]]></description>
                <pubDate>Fri, 23 Oct 2026 00:00:12 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9360/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস): বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ২৬ অক্টোবর লন্ডন প্যালাডিয়ামে আয়োজিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের জন্য। আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই অনুষ্ঠানে বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের সম্মানিত করা হবে, যার মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারটি তার ৭০ বছর পূর্ণ করছে। কিন্তু একটি বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে ফুটবল মাঠে পা রাখা সর্বকালের সেরা দুই খেলোয়াড় পেলে ও দিয়েগো ম্যারাডোনা কখনো প্রতিযোগিতামূলক ব্যালন ডি’অর জেতেননি।
১৯৫৬ সালে ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল যখন ব্যালন ডি’অর চালু করে, তখন পুরস্কারটি কেবল ইউরোপে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য নির্ধারিত ছিল। এর অর্থ হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের খেলোয়াড়রা যতই অসাধারণ পারফরম্যান্স করুন না কেন, তারা এই পুরস্কারের জন্য যোগ্য বিবেচিত হতেন না। ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলে তার ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসে খেলেছেন, ফলে নিয়ম অনুযায়ী তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পুরস্কারটির জন্য অযোগ্য ছিলেন।
ম্যারাডোনাকেও একই সমস্যায় পড়তে হয়েছিল এবং বার্সেলোনা ও নাপোলির মতো ইউরোপের বড় ক্লাবে খেললেও আর্জেন্টিনার নাগরিক হওয়ায় তিনি ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচিত হননি। ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনা যখন প্রায় একক নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন, তখনও তাকে ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচনা করা হয়নি। একইভাবে, ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে তিনটি বিশ্বকাপ জেতা পেলের ভাগ্যেও জোটেনি এই পুরস্কার। সবকিছুই ছিল তখনকার নিয়মের কারণে।
১৯৯৫ সালে ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনে ইউরোপীয় ক্লাবের হয়ে খেলা যেকোনো দেশের ফুটবলারকে পুরস্কারের জন্য বিবেচনার সুযোগ দেওয়া হয়। ওই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী ছিলেন লাইবেরিয়ার স্ট্রাইকার জর্জ উইয়াহ যিনি পিএসজি ও এসি মিলানের হয়ে খেলে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই পুরস্কার জেতেন। ২০০৭ সালে নিয়ম আরও সম্প্রসারিত হলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা ফুটবলারদের জন্য পুরস্কারটি উন্মুক্ত হয়, তবে তত দিনে পেলে ও ম্যারাডোনা অনেক আগেই ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছিলেন।
তারা দুজনই ফুটবলে নিজেদের অবদানের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন এবং অসাধারণ ক্যারিয়ারের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৫ সালে ম্যারাডোনাকে একটি সম্মানসূচক ব্যালন ডি’অর দেওয়া হয়। পেলেকেও ২০১৩ সালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সম্মানসূচক ফিফা ব্যালন ডি’অর দেওয়া হয়, তবে এসব সম্মাননা ব্যালন ডি’অরের আনুষ্ঠানিক বিজয়ীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানো লিওনেল মেসি আটবার এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পাঁচবার এই পুরস্কার জিতলেও পেলে ও ম্যারাডোনার এটি না জেতা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনা হয়ে আছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9359/</link>
                <description><![CDATA[সম্ভাব্য সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক বার্তার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঠিক কী ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
ওয়েবসাইটটি কবে নাগাদ পুনরায় চালু হতে পারে, সে বিষয়েও কিছু জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি জানান, নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সম্ভাব্য সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষার জন্য সাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
আরিফ হোসেন খান আরও উল্লেখ করেন যে, এ বিষয়ে তার কাছে এর চেয়ে বেশি কোনো তথ্য নেই। প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করার পরই ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বাসস সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 22:00:37 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9359/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সম্ভাব্য সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক বার্তার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ঠিক কী ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
ওয়েবসাইটটি কবে নাগাদ পুনরায় চালু হতে পারে, সে বিষয়েও কিছু জানায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি জানান, নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সম্ভাব্য সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষার জন্য সাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
আরিফ হোসেন খান আরও উল্লেখ করেন যে, এ বিষয়ে তার কাছে এর চেয়ে বেশি কোনো তথ্য নেই। প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করার পরই ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বাসস সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হওয়া নিয়ে কওমি সাত দলের বৈঠক</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9358/</link>
                <description><![CDATA[স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চাওয়ায় এ বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, সাত ইসলামি দল ‘সমমনা ইসলামী দল’ ব্যানারে একসঙ্গে কাজ করবে এবং দলগুলো নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখবে। তবে অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা দলগুলোকে সেই জোট ছাড়তে হবে কি না, তা নিয়ে মতৈক্য হয়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা নিয়ে শর্ত আরোপের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দলগুলোর লিয়াজোঁ কমিটিতে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। এ ছাড়া বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, সাম্প্রতিক দুর্গাপূজার সময় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার বিষয় নিয়েও আলোচনা ও সমালোচনা হয়।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 20:00:23 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9358/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে অংশ নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেছে কওমি ঘরানার সাতটি ইসলামি রাজনৈতিক দল। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম (ঢাকা) মাদ্রাসায় সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাত দলের এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে বেলা একটা পর্যন্ত চলা বৈঠকে সাত দলের লিয়াজোঁ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে সাতদলীয় ঐক্যের কাঠামো, অভিন্ন ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা, রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্ক এবং পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা হয়। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের নীতিমালা ও কর্মপদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে। জামায়াতে ইসলামী এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চাওয়ায় এ বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতারা জানান, সাত ইসলামি দল ‘সমমনা ইসলামী দল’ ব্যানারে একসঙ্গে কাজ করবে এবং দলগুলো নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখবে। তবে অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা দলগুলোকে সেই জোট ছাড়তে হবে কি না, তা নিয়ে মতৈক্য হয়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি অন্য রাজনৈতিক জোটে থাকা নিয়ে শর্ত আরোপের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দলগুলোর লিয়াজোঁ কমিটিতে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান। এ ছাড়া বৈঠকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, সাম্প্রতিক দুর্গাপূজার সময় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণার বিষয় নিয়েও আলোচনা ও সমালোচনা হয়।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় প্রস্তুত রাশিয়া, তবে চুক্তিতে অনাগ্রহ</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9357/</link>
                <description><![CDATA[রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক এবং এক মার্কিন নাগরিককে মুক্তির পর মস্কো জানিয়েছে, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করতে তারা প্রস্তুত। শীত আসার আগে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার অব্যাহত হামলার মধ্যেই পুতিনের সঙ্গে উইটকফের নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং কিয়েভ জানিয়েছে হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করার পক্ষে রয়েছে এবং মার্কিন পক্ষ যত দ্রুত সম্ভব এ বৈঠকের আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, নীতিগতভাবে রাশিয়া নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্তি দেওয়ায় পুতিনকে মানবিক বলে প্রশংসা করেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। তবে সেন্ট পিটার্সবার্গে পুতিনের সঙ্গে উইটকফের বৈঠকের পর ক্রেমলিন জানিয়েছে, মার্কিন কূটনীতিকের কাছে আনা ইউক্রেন ও ইউরোপের শান্তি প্রস্তাবগুলোতে উল্লেখযোগ্য কোনো সারবস্তু নেই।
উশাকভ জানান, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে পুতিন, ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের অংশগ্রহণে একটি শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। তিনি একে ইতিহাসে এ ধরণের প্রথম বৈঠক বলে অভিহিত করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) এ খবর জানিয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 18:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9357/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক এবং এক মার্কিন নাগরিককে মুক্তির পর মস্কো জানিয়েছে, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করতে তারা প্রস্তুত। শীত আসার আগে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার অব্যাহত হামলার মধ্যেই পুতিনের সঙ্গে উইটকফের নবম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং কিয়েভ জানিয়েছে হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করার পক্ষে রয়েছে এবং মার্কিন পক্ষ যত দ্রুত সম্ভব এ বৈঠকের আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, নীতিগতভাবে রাশিয়া নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে।
মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্তি দেওয়ায় পুতিনকে মানবিক বলে প্রশংসা করেছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। তবে সেন্ট পিটার্সবার্গে পুতিনের সঙ্গে উইটকফের বৈঠকের পর ক্রেমলিন জানিয়েছে, মার্কিন কূটনীতিকের কাছে আনা ইউক্রেন ও ইউরোপের শান্তি প্রস্তাবগুলোতে উল্লেখযোগ্য কোনো সারবস্তু নেই।
উশাকভ জানান, আগামী মাসে চীনের শেনজেনে পুতিন, ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের অংশগ্রহণে একটি শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি চলছে। তিনি একে ইতিহাসে এ ধরণের প্রথম বৈঠক বলে অভিহিত করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) এ খবর জানিয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>কোমোতে বড় হারের পর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন নন ক্যারিক</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9356/</link>
                <description><![CDATA[চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবার স্তাদিও জিউসেপ্পে সিনিগালিয়ায় কোমোদের কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই লজ্জাজনক হারের ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়হীন থাকল ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। ম্যাচ শেষে কোচ মাইকেল ক্যারিক স্বীকার করেছেন দলের সবাই বেশ হতাশগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
কোচ মাইকেল ক্যারিক বলেন, লিডসের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের সঙ্গে আজকের পারফরম্যান্সের এমন পার্থক্য সত্যিই বোঝা কঠিন। তিনি হতাশা ও রাগের কথা প্রকাশ করে জানান, পরবর্তী ম্যাচের আগে দলকে প্রস্তুত করতে হবে। আগামী রোববার নিজেদের মাঠে প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের মুখোমুখি হবে তার দল।
চলতি মৌসুমে লিগে ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে শুরুর রেকর্ড গড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে চাকরি হারানোর কোনো ভয় বা চিন্তা তিনি করছেন না। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের কোচ বলেন, নিজের অবস্থান নিয়ে তিনি একবারও ভাবেননি।
ম্যাচ শেষে সফরকারী সমর্থকদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তার ওপর বাড়তে থাকা চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত, এমন ধারণাও নাকচ করেছেন ক্যারিক। গত সপ্তাহে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারের পর কোমো ম্যাচেও দুই মিনিটের মধ্যে গোল হজম করে দলটি। সেস ফাব্রেগাসের দল ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর বদলি হিসেবে নামা জশুয়া জির্কজি যোগ করা সময়ে এক গোল শোধ করেন।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 16:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9356/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবার স্তাদিও জিউসেপ্পে সিনিগালিয়ায় কোমোদের কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই লজ্জাজনক হারের ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়হীন থাকল ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। ম্যাচ শেষে কোচ মাইকেল ক্যারিক স্বীকার করেছেন দলের সবাই বেশ হতাশগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
কোচ মাইকেল ক্যারিক বলেন, লিডসের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের সঙ্গে আজকের পারফরম্যান্সের এমন পার্থক্য সত্যিই বোঝা কঠিন। তিনি হতাশা ও রাগের কথা প্রকাশ করে জানান, পরবর্তী ম্যাচের আগে দলকে প্রস্তুত করতে হবে। আগামী রোববার নিজেদের মাঠে প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের মুখোমুখি হবে তার দল।
চলতি মৌসুমে লিগে ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে শুরুর রেকর্ড গড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে চাকরি হারানোর কোনো ভয় বা চিন্তা তিনি করছেন না। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের কোচ বলেন, নিজের অবস্থান নিয়ে তিনি একবারও ভাবেননি।
ম্যাচ শেষে সফরকারী সমর্থকদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি তার ওপর বাড়তে থাকা চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত, এমন ধারণাও নাকচ করেছেন ক্যারিক। গত সপ্তাহে এ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হারের পর কোমো ম্যাচেও দুই মিনিটের মধ্যে গোল হজম করে দলটি। সেস ফাব্রেগাসের দল ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর বদলি হিসেবে নামা জশুয়া জির্কজি যোগ করা সময়ে এক গোল শোধ করেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল সর্বোচ্চ ১,৬৯১ টাকা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9355/</link>
                <description><![CDATA[দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
এর আগে সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। আগের দিন এই মানটির দাম ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে সংগঠনটি। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫০৮ টাকা।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 14:00:25 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9355/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে এই নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
এর আগে সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। আগের দিন এই মানটির দাম ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে সংগঠনটি। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫০৮ টাকা।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>দায়িত্বে অবহেলা ও বিতর্কে কঠোর বার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9354/</link>
                <description><![CDATA[আড়াই সপ্তাহের ব্যবধানে ফেরদৌসী আহমেদ ও ইশরাক হোসেনকে পদ ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে সরকার ও দলের ভেতরে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বার্তা শুধু এই দুজনের জন্য নয়, বরং মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় কর্মীদের জন্যও সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন দায়িত্বশীলরা। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকার ও দলকে বিব্রত করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল ফেরদৌসী আহমেদের। অন্যদিকে, অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেন ইশরাক। গত রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী এবং সোমবার তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এর আগে ১ অক্টোবর ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলার বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজে সাদামাটা জীবনযাপন ও বিনয়ী আচরণের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, যা দলের সবাইকে অনুসরণ করতে হবে। ব্যক্তির দায়ভার সরকার বা দল নেবে না, এই বার্তাটিই এখন স্পষ্ট করা হয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্বের সীমা অতিক্রম করা সরকার মোটেও পছন্দ করছে না। ইশরাক নিজের অস্ত্র হাতে অভিযানের পক্ষে আত্মরক্ষার যুক্তি দিলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় না করে নিজে অভিযানে নামা সরকারকে বিব্রত করেছে। সব মিলিয়ে, পদমর্যাদার অপব্যবহার রোধে প্রধানমন্ত্রী এখন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 12:00:16 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9354/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আড়াই সপ্তাহের ব্যবধানে ফেরদৌসী আহমেদ ও ইশরাক হোসেনকে পদ ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে সরকার ও দলের ভেতরে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বার্তা শুধু এই দুজনের জন্য নয়, বরং মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলীয় কর্মীদের জন্যও সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন দায়িত্বশীলরা। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকার ও দলকে বিব্রত করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল ফেরদৌসী আহমেদের। অন্যদিকে, অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের জন্ম দেন ইশরাক। গত রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী এবং সোমবার তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এর আগে ১ অক্টোবর ফেরদৌসী আহমেদ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও শৃঙ্খলার বাইরে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজে সাদামাটা জীবনযাপন ও বিনয়ী আচরণের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, যা দলের সবাইকে অনুসরণ করতে হবে। ব্যক্তির দায়ভার সরকার বা দল নেবে না, এই বার্তাটিই এখন স্পষ্ট করা হয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দায়িত্বের সীমা অতিক্রম করা সরকার মোটেও পছন্দ করছে না। ইশরাক নিজের অস্ত্র হাতে অভিযানের পক্ষে আত্মরক্ষার যুক্তি দিলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় না করে নিজে অভিযানে নামা সরকারকে বিব্রত করেছে। সব মিলিয়ে, পদমর্যাদার অপব্যবহার রোধে প্রধানমন্ত্রী এখন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে জেলেনস্কির ওপর চাপ বাড়ালেন ট্রাম্প</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9353/</link>
                <description><![CDATA[রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামাতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, জেলেনস্কি চাইলে রাশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন।
ট্রাম্পের মতে, ইউক্রেনের জনগণ আর দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ পরিস্থিতি মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুই বছর আগেই জেলেনস্কির উচিত ছিল রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া।
এদিকে রাশিয়ার হাতে আটক মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্ত করতে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, শীঘ্রই এই মার্কিন নাগরিক মুক্তি পেতে পারেন।
অন্যদিকে, উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে নরওয়ের অসলোতে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জেলেনস্কি। বৈঠকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 10:00:18 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9353/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থামাতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, জেলেনস্কি চাইলে রাশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন।
ট্রাম্পের মতে, ইউক্রেনের জনগণ আর দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ পরিস্থিতি মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুই বছর আগেই জেলেনস্কির উচিত ছিল রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া।
এদিকে রাশিয়ার হাতে আটক মার্কিন নাগরিক স্টিফেন হাবার্ডকে মুক্ত করতে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, শীঘ্রই এই মার্কিন নাগরিক মুক্তি পেতে পারেন।
অন্যদিকে, উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে নরওয়ের অসলোতে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জেলেনস্কি। বৈঠকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন জেলেনস্কি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি একাদশে জাকের-পাটোয়ারী</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9352/</link>
                <description><![CDATA[ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বিসিবি একাদশ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দলে রাখা হয়েছে জাকের আলী অনিক ও শামীম পাটোয়ারীকে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে এই ম্যাচটি। সফরকারী ক্যারিবীয় দলের প্রস্তুতির জন্য এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাতীয় দলের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ক্রিকেটারের সংখ্যা দলে মাত্র দুজন। ঘরোয়া লিগে পারফর্ম করা তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের নিয়ে সাজানো হয়েছে এই দল। তবে স্থানীয় স্পিন কন্ডিশনে সফরকারীদের অভিজ্ঞতার সুযোগ সীমিত রাখতে কোনো অভিজ্ঞ স্পিনারকে দলে রাখা হয়নি।
দলে সুযোগ পেয়েছেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন, জিসান আলম, কালাম সিদ্দিকী এলীনসহ একঝাঁক তরুণ। এছাড়া পেস বোলিং আক্রমণে থাকছেন অনিক দেব বর্মণ, আবদুল হালিম ও চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। আগামী ২৮ অক্টোবর মিরপুরে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট এবং দ্বিতীয় টেস্টটি ৫ নভেম্বর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 08:00:16 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9352/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বিসিবি একাদশ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দলে রাখা হয়েছে জাকের আলী অনিক ও শামীম পাটোয়ারীকে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে এই ম্যাচটি। সফরকারী ক্যারিবীয় দলের প্রস্তুতির জন্য এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাতীয় দলের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ক্রিকেটারের সংখ্যা দলে মাত্র দুজন। ঘরোয়া লিগে পারফর্ম করা তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটারদের নিয়ে সাজানো হয়েছে এই দল। তবে স্থানীয় স্পিন কন্ডিশনে সফরকারীদের অভিজ্ঞতার সুযোগ সীমিত রাখতে কোনো অভিজ্ঞ স্পিনারকে দলে রাখা হয়নি।
দলে সুযোগ পেয়েছেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন, জিসান আলম, কালাম সিদ্দিকী এলীনসহ একঝাঁক তরুণ। এছাড়া পেস বোলিং আক্রমণে থাকছেন অনিক দেব বর্মণ, আবদুল হালিম ও চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান। আগামী ২৮ অক্টোবর মিরপুরে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট এবং দ্বিতীয় টেস্টটি ৫ নভেম্বর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করছে জামায়াত</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9351/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ এখনো ঘোষণা না হলেও আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভ্যন্তরীণ বৈঠকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির ১২৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১২টিতে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটির ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি এবং দক্ষিণ সিটির ৭৫টির মধ্যে ৬৯টি ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি ১৭টি ওয়ার্ডে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে দলীয়ভাবে নাম ঘোষণা করা হলেও চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো বাকি রয়েছে।
মেয়র পদের জন্যও সম্ভাব্য প্রার্থী ঠিক করে রেখেছে দলটি। ঢাকা উত্তরে মহানগর আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে ডাকসুর সাবেক ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)-কে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করতে বলা হয়েছে। দলের আমির শফিকুর রহমান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন।
সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনেকেই এরই মধ্যে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন। তবে মহানগর জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, কাজের ভিত্তিতে প্রার্থীদের তালিকায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 06:00:18 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9351/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ এখনো ঘোষণা না হলেও আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভ্যন্তরীণ বৈঠকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির ১২৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১২টিতে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
জামায়াত সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটির ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি এবং দক্ষিণ সিটির ৭৫টির মধ্যে ৬৯টি ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি ১৭টি ওয়ার্ডে প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে দলীয়ভাবে নাম ঘোষণা করা হলেও চূড়ান্ত মনোনয়ন এখনো বাকি রয়েছে।
মেয়র পদের জন্যও সম্ভাব্য প্রার্থী ঠিক করে রেখেছে দলটি। ঢাকা উত্তরে মহানগর আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে ডাকসুর সাবেক ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)-কে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করতে বলা হয়েছে। দলের আমির শফিকুর রহমান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেন।
সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের নিজ নিজ ওয়ার্ডে জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনেকেই এরই মধ্যে ব্যানার-ফেস্টুন লাগিয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন। তবে মহানগর জামায়াতের নেতারা জানিয়েছেন, কাজের ভিত্তিতে প্রার্থীদের তালিকায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল ও মদিনায় ৫ ড্রোন ভূপাতিত</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9350/</link>
                <description><![CDATA[ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, সৌদি আরবের দিকে ছোড়া পাঁচটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনা অঞ্চলেও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান।
রিয়াদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল ও মদিনা অঞ্চলে এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। তবে ড্রোনগুলো কারা ছুড়েছে, তা ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি। পরে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বাঞ্চলে আরও একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে হুতিরা সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, তাদের বাহিনী সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে কোনো অভিযান চালায়নি। ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিদের হামলায় চলতি মাসে সৌদি আরব ধারাবাহিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, মক্কার পাশাপাশি মদিনাও ইসলামের অন্যতম পবিত্র নগরী এবং হুতিরা এ দুই নগরীকে হামলার বাইরে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মদিনা নগরীতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক ও মসজিদে নববীর অবস্থিত। কয়েক বছরের মধ্যে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় সৌদি আরব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 04:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9350/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, সৌদি আরবের দিকে ছোড়া পাঁচটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে ইসলাম ধর্মের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনা অঞ্চলেও ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান।
রিয়াদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল ও মদিনা অঞ্চলে এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। তবে ড্রোনগুলো কারা ছুড়েছে, তা ওই পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি। পরে জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পূর্বাঞ্চলে আরও একটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে হুতিরা সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, তাদের বাহিনী সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে কোনো অভিযান চালায়নি। ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিদের হামলায় চলতি মাসে সৌদি আরব ধারাবাহিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, মক্কার পাশাপাশি মদিনাও ইসলামের অন্যতম পবিত্র নগরী এবং হুতিরা এ দুই নগরীকে হামলার বাইরে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মদিনা নগরীতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক ও মসজিদে নববীর অবস্থিত। কয়েক বছরের মধ্যে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় সৌদি আরব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আফগানিস্তানের কাছে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায়</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9349/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) : ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে খেলা হলোনা বাংলাদেশের। যদিও স্বপ্নটা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। ১৬০ রানে অল আউট হবার পর আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে গুটিয়ে দিতে পারলে ফাইনাল খেলা নিশ্চিত হতো।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা তো হয়নি, প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে পরাজয়ের পর আজ আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটের বড় পরাজয়ে ফাইনাল থেকে ছিটকে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের দল। শারজাহতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আরও একবার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় টাইগারদের ইনিংস ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায়।
আফগান স্পিনার রশীদ খান ৮.২ ওভারে ৩১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এছাড়া দুই পেসার আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিস আহমেদজাই ২টি করে উইকেট দখল করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে পারভেজ হোসেন ইমন সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারি।
২৮ রানে ৪ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন ইমন ও ওপেনিং ব্যাটার সাইফ হাসান। এই জুটি পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের লড়াকু পার্টনারশীপ গড়ে তুলে। সাইফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪১ রান। ছোট টার্গেট তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান সহজেই ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৮৭ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
দলীয় ৩৯ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও সেদিকুল্লাহ আটালকে বোল্ড করে তাসকিন আহমেদ ম্যাচ কিছুটা জমিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু অধিনায়ক রহমত শাহ (৬৭) ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী (৩৬) অপরাজিত থেকে আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন। এনিয়ে টানা পাঁচ ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হারলো বাংলাদেশ। আগামী পরশু ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আফগানিস্তানের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 02:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9349/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২১ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) : ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে খেলা হলোনা বাংলাদেশের। যদিও স্বপ্নটা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। ১৬০ রানে অল আউট হবার পর আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে গুটিয়ে দিতে পারলে ফাইনাল খেলা নিশ্চিত হতো।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা তো হয়নি, প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে পরাজয়ের পর আজ আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটের বড় পরাজয়ে ফাইনাল থেকে ছিটকে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের দল। শারজাহতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আরও একবার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় টাইগারদের ইনিংস ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায়।
আফগান স্পিনার রশীদ খান ৮.২ ওভারে ৩১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এছাড়া দুই পেসার আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিস আহমেদজাই ২টি করে উইকেট দখল করেছেন। বাংলাদেশের হয়ে পারভেজ হোসেন ইমন সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারি।
২৮ রানে ৪ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন ইমন ও ওপেনিং ব্যাটার সাইফ হাসান। এই জুটি পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের লড়াকু পার্টনারশীপ গড়ে তুলে। সাইফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪১ রান। ছোট টার্গেট তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান সহজেই ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৮৭ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
দলীয় ৩৯ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও সেদিকুল্লাহ আটালকে বোল্ড করে তাসকিন আহমেদ ম্যাচ কিছুটা জমিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু অধিনায়ক রহমত শাহ (৬৭) ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী (৩৬) অপরাজিত থেকে আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন। এনিয়ে টানা পাঁচ ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হারলো বাংলাদেশ। আগামী পরশু ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আফগানিস্তানের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ নিহত, গভীর উদ্বেগ জামায়াতের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9348/</link>
                <description><![CDATA[নাটোরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ মঙ্গলবার সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
আজ ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এই মর্মান্তিক বাস-ট্রাক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই অন্তত ১৪ জন নিহত হন এবং অন্তত ৩২ জন আহত হন। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার এই হতাহতের ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেন এবং তিনি গভীরভাবে ব্যথিত ও শোকাহত হন।
তিনি নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রতি তিনি সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ সহায়তার দাবি জানান তিনি।
এমন অপমৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করার জোর দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা। অদক্ষ চালকেরা যাতে গাড়ি চালাতে না পারেন সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের চলাচল বন্ধ এবং সড়ক সিন্ডিকেট ভেঙে নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
]]></description>
                <pubDate>Thu, 22 Oct 2026 00:00:09 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9348/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[নাটোরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ মঙ্গলবার সকালে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। জামায়াতের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
আজ ভোরে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এই মর্মান্তিক বাস-ট্রাক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই অন্তত ১৪ জন নিহত হন এবং অন্তত ৩২ জন আহত হন। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার এই হতাহতের ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেন এবং তিনি গভীরভাবে ব্যথিত ও শোকাহত হন।
তিনি নিহত ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রতি তিনি সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে যথাযথ সহায়তার দাবি জানান তিনি।
এমন অপমৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন করার জোর দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা। অদক্ষ চালকেরা যাতে গাড়ি চালাতে না পারেন সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের চলাচল বন্ধ এবং সড়ক সিন্ডিকেট ভেঙে নাগরিকদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>রাশিয়ায় আটক সাংবাদিকের মুক্তিতে জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক পাঠাল জাপান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9347/</link>
                <description><![CDATA[গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়ায় আটক এক সাংবাদিকের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহে মস্কোয় এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে পাঠিয়েছে জাপান। রুশ কর্তৃপক্ষ গত সপ্তাহে জানায়, বিরোধপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপের কাছাকাছি দেশটির সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় সাখালিন দ্বীপে হোক্কাইডো শিমবুন সংবাদপত্রের সাংবাদিক ইউকি ইমাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি রাশিয়ায় জাপানের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন এবং প্রতিবাদ জানাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভকে তলব করেছে টোকিও।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপবিষয়ক দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক কিমিতাকে নাকামুরা মঙ্গলবার রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়াবিষয়ক বিভাগের প্রধান লিউদমিলা ভরোবিওভার সঙ্গে বৈঠক করেন। জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা বুধবার নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, আটক জাপানি নাগরিকের সঙ্গে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের সাক্ষাতের সুযোগ ও অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মস্কোকে ইমাইয়ের সঙ্গে ন্যায্য ও নিরপেক্ষ আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
কিহারা বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে এবং বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ইস্যুতে কূটনৈতিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলের অদূরে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত কয়েকটি দ্বীপের মালিকানা নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে কয়েক দশক ধরে বিরোধ চলছে। ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) এ খবর জানায়।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 22:00:08 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9347/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়ায় আটক এক সাংবাদিকের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহে মস্কোয় এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে পাঠিয়েছে জাপান। রুশ কর্তৃপক্ষ গত সপ্তাহে জানায়, বিরোধপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপের কাছাকাছি দেশটির সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় সাখালিন দ্বীপে হোক্কাইডো শিমবুন সংবাদপত্রের সাংবাদিক ইউকি ইমাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি রাশিয়ায় জাপানের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন এবং প্রতিবাদ জানাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত নিকোলাই নোজদ্রেভকে তলব করেছে টোকিও।
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপবিষয়ক দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক কিমিতাকে নাকামুরা মঙ্গলবার রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব এশিয়াবিষয়ক বিভাগের প্রধান লিউদমিলা ভরোবিওভার সঙ্গে বৈঠক করেন। জাপানের মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা বুধবার নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, আটক জাপানি নাগরিকের সঙ্গে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের সাক্ষাতের সুযোগ ও অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মস্কোকে ইমাইয়ের সঙ্গে ন্যায্য ও নিরপেক্ষ আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছে।
কিহারা বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে এবং বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ইস্যুতে কূটনৈতিক কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলের অদূরে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত কয়েকটি দ্বীপের মালিকানা নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে কয়েক দশক ধরে বিরোধ চলছে। ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) এ খবর জানায়।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন ও শরিফুলের উন্নতি</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9346/</link>
                <description><![CDATA[বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেসারদের দুর্দান্ত উন্নতির প্রতিফলন আবারও দেখা গেছে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে। আজ প্রকাশিত সর্বশেষ ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। তাসকিন নয় ধাপ এগিয়ে ১২তম স্থানে উঠেছেন এবং তার সতীর্থ শরিফুল ইসলাম দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১১তম স্থানে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে দারুণ বোলিংয়ের সুবাদে তাসকিনের এই অগ্রগতি হয়েছে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি উইকেট নেন তিনি, যদিও ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৯৯ রানে হেরে যায়।
এদিকে ওয়ানডে বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছেন আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭ রানে চার উইকেট নেওয়ার পর তার রেটিং বেড়ে ৭৪২ হয়েছে এবং তিনি দ্বিতীয় স্থানে থাকা আবরার আহমেদ ও তৃতীয় স্থানে থাকা কেশব মহারাজের চেয়ে ৮০ রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১১০ বলে ১০২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১২ ধাপ এগিয়ে ২০তম স্থানে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের সেদিকউল্লাহ আতাল। রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের পর ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের সালমান আগা ১২তম এবং ইংল্যান্ডের বেন ডাকেট ১৩তম স্থানে উঠে এসেছেন।
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়েও পরিবর্তন এসেছে এবং ব্যাটারদের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপ। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরেক ব্যাটার শেরফানে রাদারফোর্ড ১৮তম স্থানে এবং বাঁহাতি স্পিনার গুদাকেশ মোতি ২৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 20:00:35 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9346/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেসারদের দুর্দান্ত উন্নতির প্রতিফলন আবারও দেখা গেছে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে। আজ প্রকাশিত সর্বশেষ ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। তাসকিন নয় ধাপ এগিয়ে ১২তম স্থানে উঠেছেন এবং তার সতীর্থ শরিফুল ইসলাম দুই ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১১তম স্থানে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে দারুণ বোলিংয়ের সুবাদে তাসকিনের এই অগ্রগতি হয়েছে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনটি উইকেট নেন তিনি, যদিও ওই ম্যাচে বাংলাদেশ ৯৯ রানে হেরে যায়।
এদিকে ওয়ানডে বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছেন আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭ রানে চার উইকেট নেওয়ার পর তার রেটিং বেড়ে ৭৪২ হয়েছে এবং তিনি দ্বিতীয় স্থানে থাকা আবরার আহমেদ ও তৃতীয় স্থানে থাকা কেশব মহারাজের চেয়ে ৮০ রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১১০ বলে ১০২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১২ ধাপ এগিয়ে ২০তম স্থানে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের সেদিকউল্লাহ আতাল। রাওয়ালপিন্ডিতে সিরিজের পর ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের সালমান আগা ১২তম এবং ইংল্যান্ডের বেন ডাকেট ১৩তম স্থানে উঠে এসেছেন।
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়েও পরিবর্তন এসেছে এবং ব্যাটারদের তালিকায় দুই ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপ। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরেক ব্যাটার শেরফানে রাদারফোর্ড ১৮তম স্থানে এবং বাঁহাতি স্পিনার গুদাকেশ মোতি ২৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>উপকূলে ১৯ বিলিয়ন বিনিয়োগে বাঁচবে ৩৬০ বিলিয়ন ডলার</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9345/</link>
                <description><![CDATA[উপকূলীয় সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো যথেষ্ট নয়। এডিবির প্রতিবেদন অনুসারে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় অর্থনীতিগুলোতে আন্তর্জাতিক অভিযোজন অর্থায়ন ২০১৫ সালে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২০২২ ও ২০২৩ সালে তা বেড়ে বছরে গড়ে ১১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু অর্থায়ন প্রায় দ্বিগুণ হলেও বড় ঘাটতি রয়ে গেছে।
উপকূলীয় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি বর্তমান মাত্রার কাছাকাছি রাখতে বছরে ৯ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। সেই বিনিয়োগে প্রতিবছর ১৭৮ থেকে ৩৬০ বিলিয়ন ডলারের বন্যার ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। অন্যথায়, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যার বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতি ২০৫০ সালের মধ্যে বেড়ে ১৯৯ বিলিয়ন ডলার এবং ২১০০ সালের মধ্যে ৭৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে। বর্তমানে এই ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার।
বুধবার প্রকাশিত এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬: কোস্টাল রিস্কস অন দ্য রাইজ—অ্যাকশনস ফর আ রেজিলিয়েন্ট ফিউচার শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক বিপদের মুখে উপকূলীয় এলাকাগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অথচ এই উপকূলগুলোই বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র। এডিবির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ুর সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার উদ্যোগ না থাকলে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ২০৫০ সালের মধ্যে ছয় গুণের বেশি হতে পারে।
এডিবির উপকূলবর্তী উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ সমুদ্র থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করেন। অর্থাৎ, এই দেশগুলোর প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ উপকূলের কাছাকাছি থাকেন। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় বন্যার প্রভাব সরাসরি আঘাত হানতে পারে মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতিতে। ব্যাংকক, জাকার্তা, কলকাতা ও মুম্বাইয়ের মতো শহরে শতাব্দীতে একবার হওয়া বন্যা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রতিবছর ঘটতে পারে।
এডিবির জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক ইয়েভজেনি ঝুকভ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলগুলো প্রবৃদ্ধির উপেক্ষিত চালিকাশক্তি হলেও বিপদের মুখে পিছিয়ে পড়ছে। মানুষকে নিরাপদ রাখা এবং অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও ঝুঁকি-সচেতন সমাধান নিয়ে এখনই পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জলবায়ু অভিযোজনকে মূলধারায় নিয়ে আসার চারটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 18:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9345/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[উপকূলীয় সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বাড়লেও প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো যথেষ্ট নয়। এডিবির প্রতিবেদন অনুসারে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় অর্থনীতিগুলোতে আন্তর্জাতিক অভিযোজন অর্থায়ন ২০১৫ সালে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২০২২ ও ২০২৩ সালে তা বেড়ে বছরে গড়ে ১১.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কিন্তু অর্থায়ন প্রায় দ্বিগুণ হলেও বড় ঘাটতি রয়ে গেছে।
উপকূলীয় বন্যার ক্ষয়ক্ষতি বর্তমান মাত্রার কাছাকাছি রাখতে বছরে ৯ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। সেই বিনিয়োগে প্রতিবছর ১৭৮ থেকে ৩৬০ বিলিয়ন ডলারের বন্যার ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। অন্যথায়, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যার বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতি ২০৫০ সালের মধ্যে বেড়ে ১৯৯ বিলিয়ন ডলার এবং ২১০০ সালের মধ্যে ৭৩৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে। বর্তমানে এই ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার।
বুধবার প্রকাশিত এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬: কোস্টাল রিস্কস অন দ্য রাইজ—অ্যাকশনস ফর আ রেজিলিয়েন্ট ফিউচার শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক বিপদের মুখে উপকূলীয় এলাকাগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ছে। অথচ এই উপকূলগুলোই বছরে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র। এডিবির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ুর সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার উদ্যোগ না থাকলে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ২০৫০ সালের মধ্যে ছয় গুণের বেশি হতে পারে।
এডিবির উপকূলবর্তী উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোতে ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ সমুদ্র থেকে ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাস করেন। অর্থাৎ, এই দেশগুলোর প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি মানুষ উপকূলের কাছাকাছি থাকেন। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় বন্যার প্রভাব সরাসরি আঘাত হানতে পারে মানুষের জীবন-জীবিকা ও বসতিতে। ব্যাংকক, জাকার্তা, কলকাতা ও মুম্বাইয়ের মতো শহরে শতাব্দীতে একবার হওয়া বন্যা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রতিবছর ঘটতে পারে।
এডিবির জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের মহাপরিচালক ইয়েভজেনি ঝুকভ বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলগুলো প্রবৃদ্ধির উপেক্ষিত চালিকাশক্তি হলেও বিপদের মুখে পিছিয়ে পড়ছে। মানুষকে নিরাপদ রাখা এবং অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও ঝুঁকি-সচেতন সমাধান নিয়ে এখনই পদক্ষেপ করা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জলবায়ু অভিযোজনকে মূলধারায় নিয়ে আসার চারটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আগামীতে ব্যতিক্রম ইশরাক: মন্ত্রিত্ব ছাড়ার দীর্ঘ ইতিহাস</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9344/</link>
                <description><![CDATA[রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অংশ নিয়ে বিতروের মুখে পড়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন ইশরাক হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, বিএনপি ও সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে তার এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যদের আচরণ ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি, বিতর্কিত বক্তব্য ও রাজনৈতিক চাপের মুখে মন্ত্রীদের পদত্যাগের নজির রয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘটনা ঘটে ১৯৭৩ সালে, যখন ত্রাণমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরীর পদত্যাগ বেশ আলোচিত হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণসামগ্রী বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর বঙ্গবন্ধু তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর ১৯৭৪ সালে নীতিগত বিরোধের কারণে তাজউদ্দীন আহমদও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ও এরশাদের আমলেও নানা রাজনৈতিক সমীকরণ ও বিতর্কের জেরে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদচ্যুত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলেও তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সৈয়দ আবুল হোসেন, লতিফ সিদ্দিকী ও মুরাদ হাসানের মতো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগ বা অপসারণের ঘটনা ঘটে। তবে এসবের বাইরে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অভিযান চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব ছাড়ার কোনো পূর্বনজির ছিল না। সেই দিক থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 16:00:11 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9344/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অংশ নিয়ে বিতروের মুখে পড়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছেড়েছেন ইশরাক হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, বিএনপি ও সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে তার এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্যদের আচরণ ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নটি আবার সামনে এসেছে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি, বিতর্কিত বক্তব্য ও রাজনৈতিক চাপের মুখে মন্ত্রীদের পদত্যাগের নজির রয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘটনা ঘটে ১৯৭৩ সালে, যখন ত্রাণমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরীর পদত্যাগ বেশ আলোচিত হয়েছিল। তৎকালীন সময়ে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণসামগ্রী বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর বঙ্গবন্ধু তাকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর ১৯৭৪ সালে নীতিগত বিরোধের কারণে তাজউদ্দীন আহমদও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ও এরশাদের আমলেও নানা রাজনৈতিক সমীকরণ ও বিতর্কের জেরে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদচ্যুত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলেও তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সৈয়দ আবুল হোসেন, লতিফ সিদ্দিকী ও মুরাদ হাসানের মতো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগ বা অপসারণের ঘটনা ঘটে। তবে এসবের বাইরে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অভিযান চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিত্ব ছাড়ার কোনো পূর্বনজির ছিল না। সেই দিক থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠাবে না ইরান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9343/</link>
                <description><![CDATA[সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামসহ কোনো ধরনের পারমাণবিক উপাদানই ইরানের বাইরে পাঠানো হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি। মঙ্গলবার তেহরান সফররত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অবস্থানের কথা জানান বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রেজায়ি বলেন, একটুখানি সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদানও ইরানের বাইরে যাবে না এবং এসব উপাদান দেশের অভ্যন্তরেই ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন আস্থা তৈরির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা হবে না। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে আলোচনায় বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে নতুন করে মধ্যস্থতার উদ্যোগের অংশ হিসেবে আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন। পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে হুমকি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং এরপরই কেবল আমরা আলোচনায় বসতে পারি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের জাতি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না এবং জনগণের আশঙ্কা আলোচনায় বসলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও আমাদের ওপর হামলা চালাবে। ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে একই ধরনের অবস্থান তুলে ধরেন। গালিবাফ বলেন, নতুন করে বলার মতো আমাদের কিছু নেই এবং ইরানের নির্ধারিত সাতটি শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আমাদের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।
ইরান যেসব শর্ত দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা এবং দেশটির তেল খাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আকস্মিক হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এর আগে তেহরান জানিয়েছিল তাদের পারমাণবিক উপাদান অন্য কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে না এবং এসব উপাদানের মধ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 14:01:07 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9343/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামসহ কোনো ধরনের পারমাণবিক উপাদানই ইরানের বাইরে পাঠানো হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি। মঙ্গলবার তেহরান সফররত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ অবস্থানের কথা জানান বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রেজায়ি বলেন, একটুখানি সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদানও ইরানের বাইরে যাবে না এবং এসব উপাদান দেশের অভ্যন্তরেই ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন আস্থা তৈরির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত কোনো আলোচনা হবে না। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে আলোচনায় বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। শান্তিচুক্তির লক্ষ্যে নতুন করে মধ্যস্থতার উদ্যোগের অংশ হিসেবে আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন। পেজেশকিয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে হুমকি ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং এরপরই কেবল আমরা আলোচনায় বসতে পারি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের জাতি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না এবং জনগণের আশঙ্কা আলোচনায় বসলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও আমাদের ওপর হামলা চালাবে। ইরানের প্রধান আলোচক ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে একই ধরনের অবস্থান তুলে ধরেন। গালিবাফ বলেন, নতুন করে বলার মতো আমাদের কিছু নেই এবং ইরানের নির্ধারিত সাতটি শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আমাদের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।
ইরান যেসব শর্ত দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ অবমুক্ত করা এবং দেশটির তেল খাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে আকস্মিক হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এর আগে তেহরান জানিয়েছিল তাদের পারমাণবিক উপাদান অন্য কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করা হবে না এবং এসব উপাদানের মধ্যে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ বাসস।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আফগানিস্তানের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়াতে ব্যাটারদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান তানজিদের</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9342/</link>
                <description><![CDATA[আফগানিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সতীর্থ ব্যাটারদের দায়িত্ব নিয়ে খেলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারের পর এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে জয়ের পাশাপাশি নেট রান রেটের দিকেও নজর রাখতে হবে টাইগারদের।
প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে তানজিদ বলেন, ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব ছিল, কিন্তু ব্যাটাররা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি। এর আগে পেসার তাসকিন আহমেদও দলের ব্যাটিং সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, যার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন তানজিদ।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করার ক্ষেত্রে মানসিকতা পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছেন এই ওপেনার। তিনি জানান, ৩০০ বা ৩৫০ রানের কথা একসঙ্গে না ভেবে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোলে কাজ সহজ হবে। ধারাবাহিকতা ও ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখলে কঠিন পরিস্থিতিতেও ভালো করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
জিম্বাবুয়ের কাছে হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তানজিদ অকপটে স্বীকার করেন যে, প্রতিপক্ষ তাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। তবে নিজেরাও সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি বলেই এই পরাজয় বরণ করতে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 12:00:13 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9342/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আফগানিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে সতীর্থ ব্যাটারদের দায়িত্ব নিয়ে খেলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারের পর এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে জয়ের পাশাপাশি নেট রান রেটের দিকেও নজর রাখতে হবে টাইগারদের।
প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে তানজিদ বলেন, ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব ছিল, কিন্তু ব্যাটাররা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি। এর আগে পেসার তাসকিন আহমেদও দলের ব্যাটিং সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, যার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন তানজিদ।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করার ক্ষেত্রে মানসিকতা পরিবর্তনের ওপর জোর দিয়েছেন এই ওপেনার। তিনি জানান, ৩০০ বা ৩৫০ রানের কথা একসঙ্গে না ভেবে ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোলে কাজ সহজ হবে। ধারাবাহিকতা ও ইতিবাচক মানসিকতা বজায় রাখলে কঠিন পরিস্থিতিতেও ভালো করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
জিম্বাবুয়ের কাছে হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তানজিদ অকপটে স্বীকার করেন যে, প্রতিপক্ষ তাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। তবে নিজেরাও সামর্থ্য অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি বলেই এই পরাজয় বরণ করতে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>নগদ লেনদেনে ব্যয় ডিজিটাল পদ্ধতির চেয়ে ২৮ গুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9341/</link>
                <description><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডিজিটাল লেনদেনের তুলনায় নগদ লেনদেনে ব্যয় প্রায় ২৮ গুণ বেশি। ‘দ্য কস্ট অব ক্যাশ স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে নগদ লেনদেনের বার্ষিক ব্যয় ছিল প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল লেনদেনের বার্ষিক ব্যয় ছিল পাঁচ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। মাথাপিছু হিসাবে বছরে নগদ লেনদেনের ব্যয় নয় হাজার ৯৩৮ টাকা, যেখানে ডিজিটাল লেনদেনে এই ব্যয় মাত্র ৩৪৮ টাকা। নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ালে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সাশ্রয় সম্ভব বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো: সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্যাংক নোট ছাপানো, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার মতো পুনরাবৃত্ত ব্যয় কমাতে ডিজিটাল লেনদেনের বিকল্প নেই। তবে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে ব্যবসায়ীদের মাশুল কমানো, অর্থ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব দূর করা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষকরা।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, ছায়া অর্থনীতির কারণে বছরে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ ৯৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ডিজিটাল লেনদেনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘বাংলা কিউআর’ চালু করেছে এবং ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে কিউআর কোড লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 10:00:32 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9341/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডিজিটাল লেনদেনের তুলনায় নগদ লেনদেনে ব্যয় প্রায় ২৮ গুণ বেশি। ‘দ্য কস্ট অব ক্যাশ স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে নগদ লেনদেনের বার্ষিক ব্যয় ছিল প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল লেনদেনের বার্ষিক ব্যয় ছিল পাঁচ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। মাথাপিছু হিসাবে বছরে নগদ লেনদেনের ব্যয় নয় হাজার ৯৩৮ টাকা, যেখানে ডিজিটাল লেনদেনে এই ব্যয় মাত্র ৩৪৮ টাকা। নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ালে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সাশ্রয় সম্ভব বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো: সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ব্যাংক নোট ছাপানো, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনার মতো পুনরাবৃত্ত ব্যয় কমাতে ডিজিটাল লেনদেনের বিকল্প নেই। তবে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে ব্যবসায়ীদের মাশুল কমানো, অর্থ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব দূর করা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন গবেষকরা।
গবেষণায় আরও উঠে এসেছে যে, ছায়া অর্থনীতির কারণে বছরে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ ৯৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। ডিজিটাল লেনদেনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘বাংলা কিউআর’ চালু করেছে এবং ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে কিউআর কোড লেনদেনে ইন্টারচেঞ্জ রিইম্বার্সমেন্ট ফি শূন্য শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>চট্টগ্রামে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় দিকনির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9340/</link>
                <description><![CDATA[আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বর্তমান সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে র‍্যাডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে-ভিউয়ে বিএনপির এক সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন। সভায় চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের সাড়ে ৪০০ নেতা–কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে যে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং জনগণের ভোটে জয়ী হবেন এমন প্রার্থীকে বেছে নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতার জন্যও তিনি আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সবাই যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে ৫০ ভাগ অপরাধ কমে যাবে এবং নিজেদের কোনো অপরাধে জড়ানো যাবে না।
নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন জানান, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামের ছড়ানো নানা গুজব মোকাবিলায় নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানযোগে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 08:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9340/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বর্তমান সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের মতো কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে র‍্যাডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে-ভিউয়ে বিএনপির এক সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন। সভায় চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের সাড়ে ৪০০ নেতা–কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে যে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং জনগণের ভোটে জয়ী হবেন এমন প্রার্থীকে বেছে নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতার জন্যও তিনি আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, সবাই যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে ৫০ ভাগ অপরাধ কমে যাবে এবং নিজেদের কোনো অপরাধে জড়ানো যাবে না।
নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। সভায় উপস্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন জানান, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামের ছড়ানো নানা গুজব মোকাবিলায় নেতা–কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানযোগে রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ফের তেহরান সফরে যাচ্ছেন আসিম মুনির</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9339/</link>
                <description><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতার চেষ্টা চালানো পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মঙ্গলবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইরানের কর্তৃপক্ষ। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, মুনিরের সঙ্গে আলোচনায় চলমান দর-কষাকষি-সংশ্লিষ্ট বিষয় উঠে আসবে এবং আলোচনার মূল বিষয় হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা।
হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সফরের পর মুনিরের এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, প্রণালীটিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী, যা সাধারণত তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধের পর ইরান সেখানে অবরোধ আরোপের চেষ্টা চালিয়েছে।
যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এখন পর্যন্ত ব্যর্থ আলোচনাগুলোতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে এবং জুনে দেশটি একটি সমঝোতা স্মারক তৈরিতে সহায়তা করলেও ওই সমঝোতা বেশি দিন কার্যকর থাকেনি। তেহরান এখনো মনে করে যেকোনো শান্তিচুক্তির ভিত্তি হওয়া উচিত জুনের ওই সমঝোতা স্মারক এবং জুনের ওই সমঝোতার পর মুনিরের এটি হবে পঞ্চম সফর, যেখানে সেপ্টেম্বরের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আর কোনো হামলা না চালালেও দেশটিতে আবারও যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বাকাই বলেন যে তারা দিনরাত এই আশঙ্কার মধ্যেই রয়েছেন এবং এখন কথা বলার সময়ও আবার যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ঢাকা থেকে ২০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস পরিবেশিত এএফপির এই খবরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও নতুন কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 06:00:10 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9339/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতার চেষ্টা চালানো পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মঙ্গলবার তেহরান সফরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইরানের কর্তৃপক্ষ। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, মুনিরের সঙ্গে আলোচনায় চলমান দর-কষাকষি-সংশ্লিষ্ট বিষয় উঠে আসবে এবং আলোচনার মূল বিষয় হবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা।
হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সফরের পর মুনিরের এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেন, প্রণালীটিতে নিরাপত্তাহীনতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী, যা সাধারণত তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধের পর ইরান সেখানে অবরোধ আরোপের চেষ্টা চালিয়েছে।
যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এখন পর্যন্ত ব্যর্থ আলোচনাগুলোতে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে এবং জুনে দেশটি একটি সমঝোতা স্মারক তৈরিতে সহায়তা করলেও ওই সমঝোতা বেশি দিন কার্যকর থাকেনি। তেহরান এখনো মনে করে যেকোনো শান্তিচুক্তির ভিত্তি হওয়া উচিত জুনের ওই সমঝোতা স্মারক এবং জুনের ওই সমঝোতার পর মুনিরের এটি হবে পঞ্চম সফর, যেখানে সেপ্টেম্বরের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আর কোনো হামলা না চালালেও দেশটিতে আবারও যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বাকাই বলেন যে তারা দিনরাত এই আশঙ্কার মধ্যেই রয়েছেন এবং এখন কথা বলার সময়ও আবার যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ঢাকা থেকে ২০ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে বাসস পরিবেশিত এএফপির এই খবরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও নতুন কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ভারতের বিপক্ষে সেরাটা দিয়ে সম্মান ধরে রাখতে চাই: সানজিদা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9338/</link>
                <description><![CDATA[ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) : বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফিতে মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লাল-সবুজদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে একাই ৮টি গোল করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার।
ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সানজিদা জানান, ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো তারা মালদ্বীপের বিরুদ্ধে শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং সেটির ফল মিলেছে এই জয় দিয়ে। ফাইনালে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের মাটিতে খেলা হওয়ায় তাদের মূল লক্ষ্য দেশের সম্মান ধরে রাখা।
ভারতের প্রস্তুতির প্রশংসা করে সানজিদা বলেন যে ভারত নিয়মিত অনুশীলন ও সারা বছর ক্যাম্পে থাকে, যেখানে বাংলাদেশ চার-পাঁচ মাসের ক্যাম্পের মাধ্যমে নিজেদের রিকভার করে। দলের আরেক খেলোয়াড় সাকিবা জান্নাত শাম্মী জানান, ভারত অভিজ্ঞ ও র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকলেও তারা ভারতের বিরুদ্ধে একটি ভালো ম্যাচ উপহার দিতে চান। সাকিবা আশা প্রকাশ করেন যে পর্যাপ্ত সুযোগ না পেলেও একদিন তারা ভারতকে পরাজিত করতে পারবেন।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 04:00:13 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9338/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[ঢাকা, ২০ অক্টোবর ২০২৬ (বাসস) : বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফিতে মালদ্বীপকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লাল-সবুজদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে একাই ৮টি গোল করে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার।
ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সানজিদা জানান, ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো তারা মালদ্বীপের বিরুদ্ধে শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং সেটির ফল মিলেছে এই জয় দিয়ে। ফাইনালে নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের মাটিতে খেলা হওয়ায় তাদের মূল লক্ষ্য দেশের সম্মান ধরে রাখা।
ভারতের প্রস্তুতির প্রশংসা করে সানজিদা বলেন যে ভারত নিয়মিত অনুশীলন ও সারা বছর ক্যাম্পে থাকে, যেখানে বাংলাদেশ চার-পাঁচ মাসের ক্যাম্পের মাধ্যমে নিজেদের রিকভার করে। দলের আরেক খেলোয়াড় সাকিবা জান্নাত শাম্মী জানান, ভারত অভিজ্ঞ ও র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকলেও তারা ভারতের বিরুদ্ধে একটি ভালো ম্যাচ উপহার দিতে চান। সাকিবা আশা প্রকাশ করেন যে পর্যাপ্ত সুযোগ না পেলেও একদিন তারা ভারতকে পরাজিত করতে পারবেন।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>বীমা খাতে অর্থপাচার রোধে বিএফআইইউর কড়া নির্দেশনা</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9337/</link>
                <description><![CDATA[অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে দেশের সব বীমা কোম্পানিকে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। সোমবার ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বিদ্যমান আইনের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে এসংক্রান্ত নিজস্ব নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ইউনিটের প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা বা ক্যামেলকো হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় কৌশল প্রণয়ন করবেন। এছাড়া প্রধান নির্বাহীর পর্যবেক্ষণসহ এই কমপ্লায়েন্স প্রতিবদনের অনুলিপি প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিএফআইইউর কাছে পাঠাতে হবে।
গ্রাহক শনাক্তকরণ ও লেনদেন পর্যবেক্ষণে ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বেনামি অ্যাকাউন্টে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং বা এমএফএস ছাড়া একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তদূর্ধ্ব নগদ লেনদেনের তথ্য পরবর্তী মাসের প্রথম সাত কার্যদিবসের মধ্যে জানাতে হবে। পলিসি বন্ধ বা দাবি নিষ্পত্তির পর কেওয়াইসিসহ সব নথিপত্র ন্যূনতম পাঁচ বছর নিরাপদে সংরক্ষণ করতে হবে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 02:00:16 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9337/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[অর্থপাচার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে দেশের সব বীমা কোম্পানিকে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। সোমবার ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও বিদ্যমান আইনের আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে এসংক্রান্ত নিজস্ব নীতিমালা তৈরি ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমপ্লায়েন্স ইউনিট গঠন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ইউনিটের প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা বা ক্যামেলকো হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং ঝুঁকি মোকাবেলায় কৌশল প্রণয়ন করবেন। এছাড়া প্রধান নির্বাহীর পর্যবেক্ষণসহ এই কমপ্লায়েন্স প্রতিবদনের অনুলিপি প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিএফআইইউর কাছে পাঠাতে হবে।
গ্রাহক শনাক্তকরণ ও লেনদেন পর্যবেক্ষণে ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বেনামি অ্যাকাউন্টে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং বা এমএফএস ছাড়া একদিনে ১০ লাখ টাকা বা তদূর্ধ্ব নগদ লেনদেনের তথ্য পরবর্তী মাসের প্রথম সাত কার্যদিবসের মধ্যে জানাতে হবে। পলিসি বন্ধ বা দাবি নিষ্পত্তির পর কেওয়াইসিসহ সব নথিপত্র ন্যূনতম পাঁচ বছর নিরাপদে সংরক্ষণ করতে হবে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ক্ষমতাবলে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>আইনশৃঙ্খলা অবনতি নিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9336/</link>
                <description><![CDATA[পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বাড়ি থেকে ৮৪ জন নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির অভিযোগ তোলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত রয়েছে। তিনি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কথাও নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বাড়িতে এমন অসামাজিক কার্যকলাপে জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন জামায়াত আমির। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি তরুণদের উদ্দেশে লেখেন, হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদের আরেকবার জাগতে হবে।
এদিকে এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।
]]></description>
                <pubDate>Wed, 21 Oct 2026 00:00:14 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9336/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বাড়ি থেকে ৮৪ জন নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির অভিযোগ তোলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত রয়েছে। তিনি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কথাও নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বাড়িতে এমন অসামাজিক কার্যকলাপে জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন জামায়াত আমির। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি তরুণদের উদ্দেশে লেখেন, হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদের আরেকবার জাগতে হবে।
এদিকে এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ভারত সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9335/</link>
                <description><![CDATA[এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভারতে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। চলতি বছরে এটি তার দ্বিতীয় সরকারি ভারত সফর এবং এই সফরে কূটনীতির পাশাপাশি বাণিজ্যিক বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভারতে আসার ঠিক আগে উজবেকিস্তান সফর করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উজবেকিস্তানে অবস্থানকালে তিনি মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদারের আহ্বান জানান। সেখান থেকে মুম্বাইয়ে পৌঁছানোর পর তার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের আলোচনা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। মুম্বাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত মে মাসে নয়াদিল্লি ও কলকাতা সফর করেছিলেন রুবিও। সে সময় তিনি ঐতিহাসিক তাজমহল ঘুরে দেখেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার কোনো বৈঠকের নির্দিষ্ট সূচি রাখা হয়নি।
সফরের অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের জামনগর পরিদর্শন করবেন। বন্দরনগরী জামনগরে ধনকুবের মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান তেল শোধনাগারটি অবস্থিত, যা বিশ্বের বৃহত্তম। এ ছাড়া ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলায় নিহত ১৬৬ জনের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তিনি।
]]></description>
                <pubDate>Tue, 20 Oct 2026 22:00:39 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9335/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভারতে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। চলতি বছরে এটি তার দ্বিতীয় সরকারি ভারত সফর এবং এই সফরে কূটনীতির পাশাপাশি বাণিজ্যিক বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভারতে আসার ঠিক আগে উজবেকিস্তান সফর করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
উজবেকিস্তানে অবস্থানকালে তিনি মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদারের আহ্বান জানান। সেখান থেকে মুম্বাইয়ে পৌঁছানোর পর তার সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্করের আলোচনা ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। মুম্বাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত মে মাসে নয়াদিল্লি ও কলকাতা সফর করেছিলেন রুবিও। সে সময় তিনি ঐতিহাসিক তাজমহল ঘুরে দেখেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার কোনো বৈঠকের নির্দিষ্ট সূচি রাখা হয়নি।
সফরের অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের জামনগর পরিদর্শন করবেন। বন্দরনগরী জামনগরে ধনকুবের মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান তেল শোধনাগারটি অবস্থিত, যা বিশ্বের বৃহত্তম। এ ছাড়া ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলায় নিহত ১৬৬ জনের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন তিনি।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>কক্সবাজারে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9334/</link>
                <description><![CDATA[নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুবদের আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় তরুণদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের আহ্বান জানান। ঢাকা, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। জ্বালানি সংকট নিরসন এবং স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আজ এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে সিড ফাইন্স ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প পরিচালক এ. কে. এম. মফিজুল ইসলাম, চকরিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার, স্থানীয় খামারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় উদ্যোক্তাদের উৎসাহ যোগাতে দু’জন খামারিকে ২ লাখ টাকা করে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয় এবং প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট অত্যন্ত কার্যকরী ও সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে তরুণরা অনুপ্রাণিত হচ্ছে এবং দেশে আবু তাহেরের মতো সফল উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, মাত্র তিনটি গরু থাকলেই একটি পারিবারিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা সম্ভব, যা বাইরে থেকে গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরতা অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রশিক্ষণ ট্রেডগুলোকে আধুনিক ও পরিমার্জিত করা হচ্ছে। আগামী দিনে যুবসমাজকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের আওতায় এনে বেকারত্ব পুরোপুরি দূর করা হবে।
]]></description>
                <pubDate>Tue, 20 Oct 2026 20:08:33 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9334/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুবদের আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় তরুণদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের আহ্বান জানান। ঢাকা, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস) : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। জ্বালানি সংকট নিরসন এবং স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আজ এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে সিড ফাইন্স ও বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট প্রকল্প পরিচালক এ. কে. এম. মফিজুল ইসলাম, চকরিয়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার, স্থানীয় খামারি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় উদ্যোক্তাদের উৎসাহ যোগাতে দু’জন খামারিকে ২ লাখ টাকা করে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয় এবং প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট অত্যন্ত কার্যকরী ও সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণের ফলে তৃণমূল পর্যায়ে তরুণরা অনুপ্রাণিত হচ্ছে এবং দেশে আবু তাহেরের মতো সফল উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, মাত্র তিনটি গরু থাকলেই একটি পারিবারিক বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা সম্ভব, যা বাইরে থেকে গ্যাস আমদানির ওপর নির্ভরতা অনেকাংশে কমিয়ে আনবে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে প্রশিক্ষণ ট্রেডগুলোকে আধুনিক ও পরিমার্জিত করা হচ্ছে। আগামী দিনে যুবসমাজকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের আওতায় এনে বেকারত্ব পুরোপুরি দূর করা হবে।
]]></content:encoded>
            </item><item>
                <title>ঢাকায় যাত্রা শুরু করল বিশেষায়িত চায়নিজ রেস্তোরাঁ হাউস অব হান</title>
                <link>https://tv.aralerkhobor.com/post/9333/</link>
                <description><![CDATA[রন্ধন ঐতিহ্য, সুনিপুণ কারিগরি ও বিলাসিতার সমন্বয়ে ঢাকায় যাত্রা শুরু করল বিশেষায়িত চায়নিজ রেস্তোরাঁ হাউস অব হান। আজ ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে রেস্তোরাঁটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। মাস্টার চায়নিজ শেফ চেনের নেতৃত্বে হাউস অব হান ঢাকায় নিয়ে এসেছে খাঁটি চীনা রন্ধনশৈলীর নিজস্ব এক উপস্থাপনা, যার সাথে যুক্ত হয়েছে নান্দনিক অন্দরসজ্জা ও আন্তরিক আতিথেয়তা।
হাউস অব হানের মূল প্রেরণা চীনা রান্নার ঐতিহ্য, কৌশল ও কালজয়ী স্বাদের প্রতি শেফ চেনের গভীর অনুরাগ। যত্নের সঙ্গে তৈরি প্রতিটি পদ ও সমকালীন পরিবেশনায় ফুটে উঠেছে তার রন্ধনশৈলীর স্বতন্ত্র স্বাক্ষর। ফলে অতিথিরা পাবেন ঐতিহ্যের শিকড়ে প্রোথিত, পরিশীলিত এক ডাইনিং অভিজ্ঞতা। মেনুর অন্যতম আকর্ষণ রেস্তোরাঁটির সিগনেচার ডাক, যার প্রস্তুতি ও উপস্থাপনা অতিথিদের ডাইনিং অভিজ্ঞতার অংশ।
আইএইচজি সাউথওয়েস্ট এশিয়ার এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার এবং ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বনী নায়ার বলেন, হাউস অব হান মাস্টার চায়নিজ শেফ চেনের সৃজনশীল অভিব্যক্তির স্বাক্ষর। আমাদের লক্ষ্য ঢাকায় এমন এক বিলাসবহুল পরিবেশে খাঁটি চীনা খাবার তুলে ধরা, যেখানে স্বাদ ও উপস্থাপনায় থাকবে সততা। পদের স্বাদ থেকে অন্দরসজ্জা এবং সেবার আন্তরিকতা—প্রতিটি বিষয় আমরা যত্নের সাথে বিবেচনা করেছি।
মাস্টার চায়নিজ শেফ চেন বলেন, চীনা রন্ধনশৈলীর গভীরে রয়েছে ঐতিহ্য, উপকরণের প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান রান্নার কৌশল। হাউস অব হানে আমার লক্ষ্য সেই ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে প্রতিটি পদে নিজস্ব সৃজনশীলতা ও যত্নের ছোঁয়া তুলে ধরা। আমার টেবিলে অতিথিদের স্বাগত জানাতে এবং এই রন্ধনশৈলীকে অনন্য করে তোলা স্বাদ ও কারিগরি তাদের সাথে ভাগ করে নিতে আমি আগ্রহী।
ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অবস্থিত হাউস অব হান ব্যবসায়িক আপ্যায়ন, পারিবারিক মিলনমেলা ও বিশেষ উদ্‌যাপনের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিবেশ নিয়ে এসেছে। রেস্তোরাঁটির ১০টি প্রাইভেট ডাইনিং রুমে রয়েছে নিভৃতে সময় কাটানো, স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী সেবার ব্যবস্থা। রিজার্ভেশন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০ ১৮৯৭ ৬৬৬ ৪৬৬ এবং +৮৮০ ১৮৮৬ ৪৪১ ১৭৭ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
]]></description>
                <pubDate>Tue, 20 Oct 2026 02:10:15 +0600</pubDate>
                <guid isPermaLink="false">https://tv.aralerkhobor.com/post/9333/</guid>
                <media:content medium="image" width="750" height="390" url="https://aralerkhobor.com/uploads/20261026_214141_0000.jpg" />
                <content:encoded><![CDATA[রন্ধন ঐতিহ্য, সুনিপুণ কারিগরি ও বিলাসিতার সমন্বয়ে ঢাকায় যাত্রা শুরু করল বিশেষায়িত চায়নিজ রেস্তোরাঁ হাউস অব হান। আজ ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে রেস্তোরাঁটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। মাস্টার চায়নিজ শেফ চেনের নেতৃত্বে হাউস অব হান ঢাকায় নিয়ে এসেছে খাঁটি চীনা রন্ধনশৈলীর নিজস্ব এক উপস্থাপনা, যার সাথে যুক্ত হয়েছে নান্দনিক অন্দরসজ্জা ও আন্তরিক আতিথেয়তা।
হাউস অব হানের মূল প্রেরণা চীনা রান্নার ঐতিহ্য, কৌশল ও কালজয়ী স্বাদের প্রতি শেফ চেনের গভীর অনুরাগ। যত্নের সঙ্গে তৈরি প্রতিটি পদ ও সমকালীন পরিবেশনায় ফুটে উঠেছে তার রন্ধনশৈলীর স্বতন্ত্র স্বাক্ষর। ফলে অতিথিরা পাবেন ঐতিহ্যের শিকড়ে প্রোথিত, পরিশীলিত এক ডাইনিং অভিজ্ঞতা। মেনুর অন্যতম আকর্ষণ রেস্তোরাঁটির সিগনেচার ডাক, যার প্রস্তুতি ও উপস্থাপনা অতিথিদের ডাইনিং অভিজ্ঞতার অংশ।
আইএইচজি সাউথওয়েস্ট এশিয়ার এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার এবং ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বনী নায়ার বলেন, হাউস অব হান মাস্টার চায়নিজ শেফ চেনের সৃজনশীল অভিব্যক্তির স্বাক্ষর। আমাদের লক্ষ্য ঢাকায় এমন এক বিলাসবহুল পরিবেশে খাঁটি চীনা খাবার তুলে ধরা, যেখানে স্বাদ ও উপস্থাপনায় থাকবে সততা। পদের স্বাদ থেকে অন্দরসজ্জা এবং সেবার আন্তরিকতা—প্রতিটি বিষয় আমরা যত্নের সাথে বিবেচনা করেছি।
মাস্টার চায়নিজ শেফ চেন বলেন, চীনা রন্ধনশৈলীর গভীরে রয়েছে ঐতিহ্য, উপকরণের প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান রান্নার কৌশল। হাউস অব হানে আমার লক্ষ্য সেই ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে প্রতিটি পদে নিজস্ব সৃজনশীলতা ও যত্নের ছোঁয়া তুলে ধরা। আমার টেবিলে অতিথিদের স্বাগত জানাতে এবং এই রন্ধনশৈলীকে অনন্য করে তোলা স্বাদ ও কারিগরি তাদের সাথে ভাগ করে নিতে আমি আগ্রহী।
ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অবস্থিত হাউস অব হান ব্যবসায়িক আপ্যায়ন, পারিবারিক মিলনমেলা ও বিশেষ উদ্‌যাপনের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিবেশ নিয়ে এসেছে। রেস্তোরাঁটির ১০টি প্রাইভেট ডাইনিং রুমে রয়েছে নিভৃতে সময় কাটানো, স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত চাহিদা অনুযায়ী সেবার ব্যবস্থা। রিজার্ভেশন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০ ১৮৯৭ ৬৬৬ ৪৬৬ এবং +৮৮০ ১৮৮৬ ৪৪১ ১৭৭ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
]]></content:encoded>
            </item></channel></rss>